শিরোনাম

বুধবার, সেপ্টেম্বর 20, 2017 - ভিসা এবং এসএসএলকমার্জ শুরু করলো অনলাইন ধামাকার দ্বিতীয় রাউন্ড | মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর 19, 2017 - প্রতিশ্রুতিশীল প্রযুক্তি বিষয়ক স্টার্টআপের খোঁজে সিডস্টারস ওয়ার্ল্ড | মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর 19, 2017 - ফেইসবুকে কাউকে বন্ধু করার ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা জরুরি | মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর 19, 2017 - ম্যার্শম্যালো এখনো শীর্ষে | মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর 19, 2017 - দীর্ঘক্ষণ ব্যাটারি ব্যাকআপ দেবে ওয়ালটনের নতুন ফোন | মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর 19, 2017 - হ্যাকারের হানায় ঝুঁকিতে সিক্লিনার ব্যবহারকারীদের ডিভাইস | মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর 19, 2017 - শুরু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল রিয়ালিটি শো “বাংলালিংক নেক্সট টিউবার” | মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর 19, 2017 - ড্যফোডিল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের বৃত্তিপ্রাপ্তদের সংবর্ধনা | মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর 19, 2017 - এইচপি’র মাল্টিফাংশন কপিয়ার বাজারে | সোমবার, সেপ্টেম্বর 18, 2017 - টিভি বাংলাদেশ নিয়ে এসেছে সনির আকর্ষণীয় সব নতুন মডেলের টেলিভিশন |
প্রথম পাতা / সাম্প্রতিক খবর / ফিচার পোস্ট / রবি-এয়ারটেল একীভূত বিষয়ক গণশুনানি অনুষ্ঠিত
রবি-এয়ারটেল একীভূত বিষয়ক গণশুনানি অনুষ্ঠিত

রবি-এয়ারটেল একীভূত বিষয়ক গণশুনানি অনুষ্ঠিত

দেশের দুটি মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটা লিমিটেড ও এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেড-এর একীভূতকরণ (গবৎমবৎ) প্রস্তাবের উপর এক গণশুনানি আজ সকালে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)’র প্রধান সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতদবিষয়ে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১-এর সংশ্লিষ্ট ধারা ৮৭ মোতাবেক গঠিত তিন সদস্য বিশিষ্ট গণশুনানি কমিটির সভাপতি ও বিটিআরসি চেয়ারম্যান ড. শাহ্জাহান মাহমুদ এতে সভাপতিত্ব করেন। গণশুনানির অন্য সদস্য কমিশনার (এসএম) এটিএম মনিরুল ইসলাম ও কমিশনার (এলএল) মোঃ জহিরুল ইসলামসহ কমিশনের অন্যান্য কমিশনার ও উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ এতে উপস্থিত ছিলেন। গণশুনানিতে সাধারণ মোবাইল গ্রাহক/ভোক্তা, বিভিন্ন সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা, টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, কনজিউমার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, শিক্ষক-ছাত্র, সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী, ব্যবসায়ী, উন্নয়নকর্মী, আইনজীবী, সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী এবং রবি ও এয়াটেলসহ মোবাইল অপারেটরস/সংগঠনের প্রতিনিধিত্বকারী শতাধিক নিবন্ধনকৃত ব্যক্তি অংশ নেন।

robi-airtel-gonoউল্লেখ্য গত ১৭ সেপ্টেম্বর২০১৫ তারিখে মোবাইলফোন অপারেটর রবি ও এয়ারটেল ব্যবসা পরিচালনা একীভূত করার জন্যকমিশন বরাবর আবেদন করে। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে অনুষ্ঠিত কমিশনের ১৮৯তম সভায় বেশ কিছুশর্ত প্রতিপালন সাপেক্ষে একীভূত হওয়ার প্রস্তাবটি পূর্বানুমতি গ্রহণের জন্য ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় প্রেরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং শর্ত প্রতিপালনের জন্য প্রতিষ্ঠান দু’টিকে চিঠি দেয়। বাংলাদেশে এই ধরণের বড় দু’টি কোম্পানীর একীভূত হওয়ার ঘটনা বিরল এবংদেশের মোবাইল ফোন খাতে প্রথম হওয়ায় কমিশন ১৯২তমবৈঠকে একীভূত হওয়ার আর্থ-সামাজিক ও কারিগরীফলাফল ও প্রতিক্রিয়া কি হতে পারে এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ সমীক্ষা পরিচালনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

পূর্ণাঙ্গ সমীক্ষা কার্যক্রমটি অত্যন্ত জটিল ও সময় সাপেক্ষ বিধায় কমিশন হতে সমীক্ষা কার্যক্রমকে দুই ভাগে বিভক্ত করে কারিগরী সংক্রান্ত সমীক্ষাসমূহ পরিচালনার দায়িত্ব ড. এবিএম সিদ্দিক হোসেন, অধ্যাপক ও ডীন, প্রকৌশল অনুষদ, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এবং কারিগরী বিষয়সমূহ ব্যতিত আর্থ-সামাজিক বিষয়সহ অন্যান্য সমীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব ড. এস. এম মাহফুজুর রহমান, অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক ব্যবসা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর নেতৃত্বে দু’টি টিমকে প্রদান করে।

পরবর্তীতেগত ২৫ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ রবি ও এয়ারটেল একীভূতকরণ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কমিশনের মতামত সম্বলিত প্রতিবেদন আগামী ০৭ মার্চ ২০১৬ তারিখের মধ্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ বরাবর প্রেরণের জন্য কমিশনকে নির্দেশনা প্রদান করেছে। উক্ত নির্দেশনা মোতাবেক আগামী২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ তারিখের মধ্যে সমীক্ষা প্রতিবেদন জমা প্রদানের জন্য বিশেষজ্ঞ দল দু’টিকে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।

১৯২তম কমিশন সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে রবি ও এয়ারটেল-এর একীভূত হওয়ার ব্যাপারে অন্যান্য সকল মোবাইল অপারেটর অর্থাৎ গ্রামীণফোন লিমিটেড, বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশন লিমিটেড, টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড ও প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড-এর উচ্চ পর্যায়েরপ্রতিনিধিদের সঙ্গে গত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ সকালে কমিশনে এক সভা করে মতামত গ্রহণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গণশুনানি আয়োজনের লক্ষ্যে ইতোপূর্বেদুইটি বাংলা এবং দুইটি ইংরেজি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গণশুনানিতে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক সংশ্লিষ্ট সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা, টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী, বাংলাদেশের ভোক্তা সংঘ, সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীসহ আগ্রহী যে কোন ব্যক্তিবর্গের নিবন্ধনের লক্ষ্যে কমিশনের ওয়েবসাইটে বর্ণিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও নিবন্ধন ফর্ম পূরণের ব্যবস্থা করা হয়। এতে ২৮০ জন নিবন্ধন সম্পন্ন করে। যার মাঝ হতে দৈব্যচয়নের মাধ্যমে ১৬৫ জনকে আজ এই গণশুনানিতে অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত করা হয়।

গণশুনানিতে প্রাপ্ত তথ্য, মতামত ও পরামর্শ,মোবাইল অপারেটরদের প্রদত্ত মতামত, সমীক্ষা প্রতিবেদন ও কমিশনের সকল বিভাগ/শাখার মতামত পর্যালোচনা করে একটি সমন্বিত প্রতিবেদন প্রস্তুত করার জন্য সর্বশেষ ১৯৩তম কমিশন সভার সিদ্ধান্তনুসারে কমিশনার (এসএম) এর সভাপতিত্বে উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রাপ্ত সকল মতামত, পর্যবেক্ষণ ও তথ্য বিশ্লেষণ এবং পর্যালোচনা করে সুপারিশসহ একটি প্রতিবেদন কমিশন সভায় উপস্থাপন করবে। কমিশন সকল বিষয়াদি পর্যালোচনা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষাপূর্বক একীভূতকরণের বিষয়ে প্রযোজ্য সুপারিশ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় প্রেরণ করবে।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top