শিরোনাম

বৃহস্পতিবার, মার্চ 23, 2017 - উভয় পাশ স্ক্যান সুবিধার স্ক্যানার আনলো ইপসন | বৃহস্পতিবার, মার্চ 23, 2017 - প্রপার্টি ভাড়া ও কেনা-বেচায় বিপ্রপার্টি ডটকম | বুধবার, মার্চ 22, 2017 - স্বল্পমূল্যের ল্যাপটপ কিনতে সাবধান ! | শুক্রবার, মার্চ 17, 2017 - বাংলাদেশে ইউসিসিকে একমাত্র পরিবেশক ঘোষনা করলো ট্রান্সসেন্ড | শুক্রবার, মার্চ 17, 2017 - এসএসডি-টেক এবং প্যাভিলিয়নের মধ্যে কন্টেন্ট পার্টনারশিপ সম্পন্ন | শুক্রবার, মার্চ 17, 2017 - মোবাইল অ্যাপস চালু করলো উরি ব্যাংক | শুক্রবার, মার্চ 17, 2017 - গার্ডিয়ান লাইফ এর জন্য মোবাইল অ্যাপ তৈরি করবে এসএসএল ওয়্যারলেস | বুধবার, মার্চ 15, 2017 - মাইক্রোম্যাক্সের নতুন দুইটি মডেলের স্মার্টফোন | বুধবার, মার্চ 15, 2017 - ডুয়াল ব্যাক ক্যামেরার হ্যালিও স্মার্টফোন আনল এডিসন গ্রুপ | বুধবার, মার্চ 15, 2017 - জিপি মিউজিকে ‘ভালোবাসার বাংলাদেশ’ |
প্রথম পাতা / অর্থনীতি / লন্ডনে আয়োজিত ই-কমার্স মেলা নিয়ে অসন্তোষ
লন্ডনে আয়োজিত ই-কমার্স মেলা নিয়ে অসন্তোষ

লন্ডনে আয়োজিত ই-কমার্স মেলা নিয়ে অসন্তোষ

শুক্রবার থেকে ২দিন ব্যাপী ইউকে-বাংলাদেশ ই-কমার্স মেলা শুরু হয় পূর্ব লন্ডনের ওয়াটারলিলি হলে। বাংলাদেশে প্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিদেশি কোম্পানি ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা যেভাবে সেবা পেতে পারেন তা প্রদর্শন করাই এই মেলার মূল লক্ষ্য ছিল। তবে মেলার আয়োজন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রশ্ন উঠে এই মেলা আয়োজনের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে।

2nd-UK-Bangladesh-E-Commerce-Fair-2015-corporateশুক্রবার সকাল ৯টার দিকে শুরু হয় মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে প্রধান অতিথি তোফায়েল আহমেদ মেলার ভেন্যুর উপযুক্ততা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, যে স্থানে মেলার আয়োজন করা হয়েছে, তার চাইতে আরও ভালো কোনো জায়গায় মেলার আয়োজন হওয়া উচিত ছিল।

মেলার অন্যতম স্পনসর এনআরবি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ইকবাল আহমদ বলেছেন, তাঁর প্রতিষ্ঠান ২৫ হাজার পাউন্ড (প্রায় ৩০ লাখ টাকা) দিয়ে এই মেলার স্পনসর হয়েছে। কিন্তু মেলার ভেন্যু এবং আয়োজন নিয়ে তিনি খুশি হতে পারেননি।

2nd-UK-Bangladesh-e-Commerce-Fair-2015-corporateতিনি জানিয়েছেন, অন্তত লন্ডনের কোনো বাণিজ্যিক এলাকার ফাইভ স্টার হোটেলে এই আয়োজন হওয়া উচিত ছিল। এসময় মেলার প্রচার সম্পর্কে তিনি বলেছেন, যদিও মেলার মাত্র অর্ধদিন পার হয়েছে, কিন্তু মনে হয় না এই মেলা নিয়ে কোনো ভালো মানের প্রচার চালানো হয়েছে। মেলার এমন পরিস্থিতির বিষয়ে মন্ত্রীরা নিশ্চয়ই জানতেন না। মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের বক্তব্যে সেটার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (বিবিসিসিআই) সভাপতি মাতাব চৌধুরী বলেছেন, গত ২৩ বছর ধরে তাদের সংগঠন ব্রিটিশ-বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধিত্ব করছে। কিন্তু বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে আয়োজিত এই মেলা সম্পর্কে তারা কিছুই জানেন না।

তিনি বলেন, যেখানে মেলার আয়োজন করা হয়েছে সেটা একটা কমিউনিটি হল। এখানে বাংলাদেশকে তুলে ধরার মতো কোনো আয়োজন করা মোটেও শোভন হয় না। উপযুক্ত প্রচার না করে এবং সম্ভাব্য ভোক্তাদের যুক্ত না করে যেনতেনভাবে একটা মেলার আয়োজনের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। গত বছরও একইভাবে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, হতে পারে আয়োজকেরা এই মেলাকে অর্থ বানানোর একটা প্রজেক্ট হিসেবে নিয়েছেন।

2nd-UK-Bangladesh-e-Commerce-Fair-2015-corporate-(1)মেলায় সরেজমিন ঘুরে প্রকৃত দর্শনার্থীর উপস্থিতি তেমন চোখে পড়েনি। বেশির ভাগ স্টলই ছিল ফাঁকা। আয়োজকদের সঙ্গে সম্পৃক্ত কিংবা মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে উৎসাহী ব্যক্তিদেরই কেবল মেলায় উপস্থিত হতে দেখা গেছে। তবে মেলার মূল আয়োজক কম্পিউটার জগতের প্রধান নির্বাহী আব্দুল ওয়াহেদ তমাল আয়োজন নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, লোকজনের উপস্থিতি গতবারের চাইতে ভালো।

এর আগে মেলা নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল ওয়াহেদকে প্রশ্ন করা হয়, এই মেলায় বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে (জনগণের অর্থ) কত টাকা অর্থায়ন করা হচ্ছে? কিন্তু তিনি ওই প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকৃতি জানান। তবে সরকারি অর্থায়নের বিষয়ে যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশ হাইকমিশনের কমার্শিয়াল কনস্যুলার শরিফা খান বলেছেন, আর্থিক বিষয়ে হাইকমিশন কিছুই জানে না। এই মেলার জন্য তাদের হাত দিয়ে কোনো অর্থ খরচ হয়নি। তবে সরকারের কয়েকটি বিভাগ এই মেলায় অর্থায়ন করেছে বলে জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, এটা লন্ডনে ই-বাণিজ্য মেলার দ্বিতীয় আয়োজন। গত বছর আয়োজিত মেলায় কোনো প্রকৃত দর্শনার্থী না থাকায় মেলা আয়োজনের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে নানা সমালোচনা উঠে। বাংলাদেশ সরকার, আইসিটি ডিভিশন, হাইটেক পার্ক অথোরিটি, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর সহায়তায় প্রযুক্তিবিষয়ক মাসিক প্রকাশনা ‘কম্পিউটার জগৎ’ এই মেলার আয়োজন করে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন, বণিক সমিতি ফেডারেশন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মাতলুব আহমদ, এনআরবি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ইকবাল আহমদ, যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম এ হান্নান, যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ দলের পার্লামেন্ট সদস্য পল স্কালি প্রমুখ।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top