শিরোনাম

বুধবার, মার্চ 22, 2017 - স্বল্পমূল্যের ল্যাপটপ কিনতে সাবধান ! | শুক্রবার, মার্চ 17, 2017 - বাংলাদেশে ইউসিসিকে একমাত্র পরিবেশক ঘোষনা করলো ট্রান্সসেন্ড | শুক্রবার, মার্চ 17, 2017 - এসএসডি-টেক এবং প্যাভিলিয়নের মধ্যে কন্টেন্ট পার্টনারশিপ সম্পন্ন | শুক্রবার, মার্চ 17, 2017 - মোবাইল অ্যাপস চালু করলো উরি ব্যাংক | শুক্রবার, মার্চ 17, 2017 - গার্ডিয়ান লাইফ এর জন্য মোবাইল অ্যাপ তৈরি করবে এসএসএল ওয়্যারলেস | বুধবার, মার্চ 15, 2017 - মাইক্রোম্যাক্সের নতুন দুইটি মডেলের স্মার্টফোন | বুধবার, মার্চ 15, 2017 - ডুয়াল ব্যাক ক্যামেরার হ্যালিও স্মার্টফোন আনল এডিসন গ্রুপ | বুধবার, মার্চ 15, 2017 - জিপি মিউজিকে ‘ভালোবাসার বাংলাদেশ’ | বুধবার, মার্চ 15, 2017 - কলসেন্টার এসোসিয়েশনের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত | বুধবার, মার্চ 15, 2017 - ইনোভেশন ফোরামের এন্টারপ্রাইজ পার্টনার হলো লিডসফট |
প্রথম পাতা / অর্থনীতি / শুরু হলো বিপিও সামিট ২০১৫
শুরু হলো বিপিও সামিট ২০১৫

শুরু হলো বিপিও সামিট ২০১৫

আউটসোর্সিং সেক্টর থেকে ১ বিলিয়ন ডলার আয়, দেশী এবং বিদেশী বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশী বিপিও সেক্টর সম্পর্কে থারনা দেওয়া এবং বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের ব্রান্ডিংয়ে প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং (বিপিও) সম্মেলন।

বুধবার সকালে ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ‘বিপিও সামিট-২০১৫’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

sajib-wajed-joy-bpo-summit-2015-corporateতথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সভাপতিত্বে সামিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ওয়ার্ল্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সার্ভিসেস অ্যালায়েন্সের (উইটসা) সভাপতি ও টেকনোলজি ব্যবসায় বিশেষজ্ঞ স্যানটিয়াগো গুটায়ারেজ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ৬ বছর আগে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের আয় ছিল মাত্র ২৬ মিলিয়ন ডলার। বর্তমানে এই খাতে আয় ৩০০ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। তবে আগামী ৫ বছরের মধ্যে তা ১ বিলিয়ন ডলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি। বর্তমানে বিপিও সেক্টরে ২৫ হাজার লোক কাজ করছে। ২০২১ সালের মধ্যে এই খাতে ২ লাখ লোক কাজ করবে। বিপিও খাতে আয় যত বাড়বে দেশ অর্থনৈতিকভাবে ততই এগিয়ে যাবে। তরুণদের উচ্চতর প্রশিক্ষণ দিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন খাতে কাজে লাগাতে হবে।

তথ্যযোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য) যৌথভাবে এই সম্মেলনের আয়োজক।

স্যানটিয়াগো গুটায়ারেজ বলেন, এই বিপিও সামিট বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত হতে সাহায্য করবে।তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবসা এখানে খুবই গতিশীল। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তি জগতে নেতৃত্বের জায়গায় যাবে। বিপিও খাতসহ তথ্যপ্রযুক্তির সার্বিক উন্নয়নে উইটসা বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২০২১ সালে উইটসার সম্মেলন বাংলাদেশ অনুষ্ঠিত হবে।

bpo-summit-2015-corporateজুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ২০২১ সালকে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যার অনেকটা ইতিমধ্যেই বাস্তবায়িত হয়েছে। বিভাগের পক্ষ থেকে তরুণদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ইউরোপ এবং আমেরিকার চাহিদার উপর লক্ষ্য রেখে আগামী বছরের মধ্যে দেশে কয়েক হাজার প্রোগ্রামার তৈরি করা হবে।

তিনি আরও বলেন, এই সামিটের অন্যতম লক্ষ্য হলো দেশী এবং বিদেশী বিনিয়োগকারীদের এই সেক্টর সম্পর্কে ভালো একটি ধারণা দেওয়া। বাংলাদেশে বিপিও সেক্টরে সাফল্যের গল্পগুলো মানুষকে জানানো। দেশের তরুণদের এই সেক্টরের কাজের ক্ষেত্র হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ইমরান আহমেদ, তথ্যপ্রযুক্তি সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার, এফবিসিসিআই’র সভাপতি আব্দুল মাতলুব আহমাদ, বাক্যের সভাপতি আহমাদুল হক।

দুই দিনের এই সম্মেলনে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খ্যাতনামা ৪০ জনেরও বেশি বক্তাগণ বিভিন্ন সেশনে স্পিকার থাকবেন।

এই সম্মেলনে চাকরি প্রার্থীদের জন্য থাকছে স্পট ইন্টারভিউয়ের ব্যবস্থা। এর মধ্যে ২০০ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন কল সেন্টারের চাকরির নিয়োগপত্র দেওয়া হবে। এজন্য দেশের ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় সাত হাজারের মতো সিভি সংগ্রহ করেছে আয়োজকরা।

সম্মেলনের সহযোগী হিসাবে আছে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রাম, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল (বিপিসি) ও এক্সপোর্ট প্রমোশন ব্যুরো (ইপিবি)।

আয়োজনে গোল্ড স্পন্সর হিসাবে আছে এডিএন গ্রুপ, জিনেক্স ইনফোসিস লিমিটেড। সিলভার স্পন্সর সামিট কমিউনিকেশনস লিমিটেড, সিসকো সিস্টেমস, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, টেলিটক, এয়ারটেল এবং আইটি পার্টনার আমরা কোম্পানিজ ও নেটওয়ার্ক পার্টনার ফাইবার এট হোম।

অংশীদার হিসেবে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস), বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস), বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরাম (বিআইজেএফ), বাংলাদেশ ওমেন ইন টেকনোলজি (বিডব্লিউআইটি), সিটিও ফোরাম বাংলাদেশ, ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব), ফেডারেশন অফ বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এফবিসিসিআই), আইএসপি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) ও বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইমপোর্টারস অ্যাসোসিয়েশন (বিএমপিআইএ)।

আয়োজকরা জানান, ভিশন টুয়েন্টি টুয়েন্টিওয়ান বাস্তবায়নের দ্বারপ্রান্তে থাকা বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি উন্নয়ন যে বিশ্বের বড় বড় কর্পোরেট ও ব্যক্তি মালিকানার প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা, গ্রাহকসেবা এবং ব্যবসায়িক স্থাপনার জন্য প্রস্তুত-তারই দৃশ্যায়ন হবে এই সম্মেলনে।

পাশাপাশি ডিজিটাল বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অবদানে বিপিওকে পরিচিত করা, তরুণদের আগ্রহী করা ও উদ্যোক্তাদের বৈশ্বিক পরিচিতির সুযোগ দেয়াও আন্তজাতিক এই সম্মেলনের উদ্দেশ্য।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top