শিরোনাম

বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 23, 2017 - ইয়োন্ডার মিউজিক বাংলাদেশের এক নম্বর মিউজিক অ্যাপ | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 23, 2017 - উদিয়মান ব্রান্ড হিসেবে লিনেক্স পেল ‘গ্লোবাল ব্রান্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০১৭’ | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 23, 2017 - ইউনিক বিজনেস সিস্টেমস লিমিটেড ডিলার সেলিব্রেশন ২০১৭ | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 23, 2017 - এলো ডেলের নতুন ইন্সপাইরন এন৭৩৭০ ল্যাপটপ | বুধবার, নভেম্বর 22, 2017 - আবার স্মার্টফোনে ফিরছে ইন্টেল | বুধবার, নভেম্বর 22, 2017 - উবারের ৫ কোটি ৭০ লাখ গ্রাহকের তথ্য চুরি হয়েছিল | বুধবার, নভেম্বর 22, 2017 - ৫০০০মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি সহ বাজারে আসতে চলেছে নোকিয়া’র নতুন ফোন | বুধবার, নভেম্বর 22, 2017 - অনলাইন শপিংয়ে সিম কার্ড | বুধবার, নভেম্বর 22, 2017 - রেকর্ড গড়ছে বিটকয়েন | বুধবার, নভেম্বর 22, 2017 - প্রধানমন্ত্রীর নিকট অ্যাসোসিও ডিজিটাল গভর্নমেন্ট অ্যাওয়ার্ড হস্তান্তর |
প্রথম পাতা / স্থানীয় খবর / শেষ হলো সার্কটেক সামিট ২০১৭
শেষ হলো সার্কটেক সামিট ২০১৭

শেষ হলো সার্কটেক সামিট ২০১৭

ctoসিটিও ফোরাম বাংলাদেশ এবং ইনফোকম কলকাতার আয়োজনে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো২-দিনের সার্কটেক সামিট২০১৭।‘ডিজিটাল ট্রান্সফর্মেশন’ অর্থাৎ ডিজিটাল রূপান্তরকে প্রাধান্য দিয়েই আয়োজন করা হয়েছে এই সম্মেলনের।

উদ্ভোধনী অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।বক্তব্যে তিনি বলেন,সাইবার সিকিউরিটি নিশ্চিত করা এবং নারী ও প্রবীণ জনগোষ্ঠীকে দেশের ডিজিটাল রূপান্তরের আওতায় নিয়ে আসাকে সরকার বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে।বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশে যে ডিজিটাল রূপান্তর ঘটেছে তা পুরো বিশ্বের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন,‘খুব দ্রুত ও স্বল্প সময়ের মধ্যে এই রূপান্তর ঘটেছে।একে বার প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ ডিজিটাল রূপান্তরের আওতায় আসছে।ই-গভর্ননেন্স,ই-এডুকেশন,ই-এগ্রিকালচার বিকাশ লাভ করেছে।এসব দিক বিবেচনায় আনায় এর অনেকটাই প্রসার ঘটছে।চ্যালেঞ্জ সব দেশের মতো বাংলাদেশের সামনেও আছে।নারীদের প্রযুক্তির মূল স্রোতে আনার জন্য ইতোমধ্যে আমরা কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছি, তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন,‘সব প্রান্তিক মানুষকে এখন ডিজিটাল সেবা দেয়া এবং সেবার মান উন্নত করাই সরকারের লক্ষ্য।এই সেবাকে আরও সুলভ করতে চাই আমরা।এই তিনটি অন্তর্ভূক্তিমূলক ডিজিটালাইজেশনই আমাদের অগ্রাধিকার।’

সিটিও ফোরাম বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট তপন  কান্তি সরকার বলেন,‘ডিজিটাল রূপান্তর একেক মানুষের জন্য একেক রকম।যদিও এবারের থিম ডিজিটাল ট্রান্সফর্মেশন তবুও মূল গুরুত্বের জায়গাটি আসলে সাইবার সিকিউরিটি।কারণ প্রযুক্তির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে প্রযুক্তি ঝুঁকি।কোনো সঠিক করণীয় নির্ধারণ না করেই পুরোপুরি প্রযুক্তিনির্ভর হলে হ্যাকের ঝুঁকি থেকেই যায়।’সামিটে তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক ৯ টি টেকনিক্যাল সেশন এ রমধ্যে বিগডাটা, ক্লাউড কম্পিউটিং ,ডিজিটাল বিজনেজ সিকিউরিটির মতো বিষয়গুলো প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।তিনি আরো বলেন,বাংলাদেশ, ভারত সহ সার্কভুক্ত অন্যান্য দেশের তথ্যপ্রযুক্তিবিদদের মধ্যে পরস্পর মতবিনিময় এবং সাইবার সিকিউরিটির নিরাপত্তা রবিষয়টিকে কিভাবে আরো জোরদার করে সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় সেই  লক্ষ্যেই এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

দেশকে ডিজিটাল করতে সরকারের নেয়া পদক্ষেপগুলো তুলে ধরেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব শ্যামসুন্দর শিকদার।সরকার সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে পদক্ষেপ নিলেও এখনো বেসরকারি পর্যায় থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বলেন,‘বর্তমান সময়ে সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আবশ্যক হয়ে গেছে।ডিজিটাল প্রসার হলেও এখনো জনগণের প্রযুক্তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়নি।সরকারিভাবে সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে সিকিউরিটি অপারেশন সেন্টার (সক) স্থাপন করা হয়েছে।এর মাধ্যমে আমরা জানতে পারবে কারা কোথা থেকে কোথায় সাইবার আক্রমণ করছে।প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের জন্য কিছু সচেতনতামূলক নির্দেশনাও আমরা দিয়েছি।সরকার সাইবার সিকিউরিটি নিশ্চিতে এগিয়ে আসলেও আমাদের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো পিছিয়ে আছে, এগিয়ে আসছেনা।’

সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ড. আদর্শ সোয়াইকা,ডেপুটি হাই কমিশনার,ভারত,ওসার্ক সিসিআই এর চেয়ারম্যান শাফকাত হায়দার।

সামিটের শেষ দিনে আইওটি, ক্লাউড, রিস্কম্যানেজমেন্ট সহ অনন্যা বিষয়ে মোট ৬ টি সেমিনার অনুষ্টিত হয়।সেমিনারে বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন দেশ বিদেশের তথ্য প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞগণ।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top