শিরোনাম

শুক্রবার, জুলাই 28, 2017 - ভিসি ও ডিন্স সার্টিফিকেট পেলেন গ্রিন ইউনিভার্সিটির ২৪০শিক্ষার্থী | শুক্রবার, জুলাই 28, 2017 - দারাজের গ্রোসারি পণ্যে ৩৫% পর্যন্ত ছাড়! | শুক্রবার, জুলাই 28, 2017 - মনিটর কিনলেই পাচ্ছেন আর্কষনীয় টি-শার্ট  | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - রবি ও ট্রমা ইনস্টিটিউটের মধ্যে কর্পোরেট চুক্তি সই | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - দেশের বাজারে হুইনের তারবিহীন কিউ১১কে গ্রাফিক্স ট্যাবলেট উন্মোচন | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটির তথ্যপ্রযুক্তি সম্পর্কিত ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে ফক্সকন | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - স্মার্ট টেকনোলজি ও সিভিল এভিয়েশনের চুক্তি সই | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - ফিরে আসছে সিটিসেল | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - আসছে স্মার্ট রিং |
প্রথম পাতা / অর্থনীতি / উদ্যোগ / শ্রমিক থেকে ঘড়ি কোম্পানির মালিক
শ্রমিক থেকে ঘড়ি কোম্পানির মালিক

শ্রমিক থেকে ঘড়ি কোম্পানির মালিক

mtবিশ্বে প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হচ্ছে প্রযুক্তি। আর এরই সঙ্গে পাল্টে যাচ্ছে মানুষের ধ্যান ধারণা। নিত্যু নতুন প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে মানুষ এগিয়ে যাচ্ছে সামনে। বেশির ভাগ সময়ই এসব প্রযুক্তিকে বেছে নিচ্ছে তরুণরা বা উদ্যোক্তারা। ফলে বাড়ছে প্রযুক্তিভিত্তিক স্টার্টআপ কোম্পানিগুলোর সংখ্যাও।

প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যাওয়া সফল উদ্যোক্তাদের মধ্যে একজন লাকি ডি. এরিয়া। তিনি ইন্দোনেশিয়ান ঘড়ি প্রস্তুতকারক কোম্পানি ‘মাতোয়া’ (Matoa) এর প্রতিষ্ঠাতা। কোম্পানিটি সাধারণত কাঠ দিয়ে ঘড়ি প্রস্তুত করে থাকে এবং যা ইউরোপ, জাপান, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর এবং যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করে থাকে। সম্প্রতি জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল তার একটি সাক্ষাতকার প্রকাশ করেছে। তা প্রিয়.কম’র পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

স্বপ্নবাজ এই তরুণ উদ্যোক্তার শুরুর পথটি খুব একটি মসৃণ ছিল না। অনেকটি ভঙ্গুর পথ অতিক্রম করে তাকে এ পর্যায়ে আসতে হয়েছে। ‘তার চলার পথটি কেমন ছিল?’, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি গুগলকে বলেন-

‘সাত বছর আগে আমি একটি কুকি কোম্পানিতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতাম। সেই সময়ে আমার মাসিক বেতন ছিল ৭৫ ডলার (বাংলাদেশি অর্থে প্রায় ৬হাজার টাকা)। তবে রমজানের সময় আমার কিছু বাড়তি আয় হতো। আমি সেই অর্থগুলো জমাতাম। এরপর আমি আমার কোম্পানি খোলার সিদ্ধান্ত নিলাম। আমি জানতাম আমার সিদ্ধান্তটি খুব ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। আমার চেনা পরিচিতরা আমার চাকরি ছাড়ার বিপক্ষে ছিল। কিন্তু আমি জানতাম আমি সফল হব।’

‘মাতোয়া কোম্পানিটি খুললেন কীভাবে?’, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি শুরু আগে আমি অনেক বিষয় পর্যবেক্ষণ করেছি। আমি চাইছিলাম না, আমি যা তৈরি করবো তা আমার ক্রেতারা কিনবে; বরং আমি চাইছিলাম মানুষ যা কিনতে চায় আমি তা বানাব। অনেক পর্যবেক্ষণের পর আমি দেখলাম আলাদা ধরনের ঘড়ি তৈরিই হতে পারে আমার প্রকৃত স্থান। এরপর আমি গ্রাহকের পছন্দগুলো নিয়ে পর্যবেক্ষণ শুরু করলাম। এসব পর্যবেক্ষণের পর আমি আমার মূলধন সংগ্রহে নেমে পড়লাম। এর জন্য আমি আমার আত্মীয়-স্বজন এবং বন্ধুবান্ধবের দারস্থ হলাম। কারণ আমাকে আমার পরিবারের মূলধন দেওয়ার মতো সামর্থ্য ছিল না। এরপর থেকে শুরু হলো আমার স্বপ্নযাত্রা।

watch২০১১ সালে আমি যখন আমার তৈরি প্রথম ঘড়িটি বিক্রি করি তখন অনেক খুশি হয়েছিলাম। ততদিনে আমি আমার চাকরিটি ছেড়েও দিয়েছিলাম। এই থেকে আমার কোম্পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ‘প্রযুক্তির সঙ্গে আপনার ব্যবসার কীভাবে সমন্বয় করলেন?’, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, প্রযুক্তি আমাদের জীবন যাত্রাকে পরিবর্তন করেছে। এভাবেই আমরা ব্যবসা করি। এখন আমি আমার প্রস্তুতকৃত পণ্য বিশ্বের যেকোনো স্থানে বিক্রি করতে পারি। ইন্দোনেশিয়ার বাইরে আমার অনেক পরিবেশক রয়েছে। তাদের সঙ্গে আমার কখোনই সরাসরি দেখা হয়নি। কিন্তু অনলাইনের যুগে আমরা যোগাযোগ করে থাকি। আমি বিশ্বাস করি প্রত্যেক কোম্পানি ইন্টারনেট বা প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে দ্রুত এগিয়ে যেতে পারে।

তিনি বলেন, গুগলের অ্যাডওয়ার্ড এর কারণে ২০১৫-১৬ সালে ইন্দোনেশিয়ায় আমাদের ব্যবসা বেড়েছে ১৬০ শতাংশ। গুগলের অ্যাডওয়ার্ড সুবিধাটি ব্যবহারে আগে আমার ব্যবসা বৃদ্ধির জন্য অনেক কষ্ট করতে হয়েছে, এমনকি ইন্দোনেশিয়াতেও। এরিয়া বলেন, এখন আমার এবং আমার পরিবার আর্থিক স্বচ্ছলতার মুখ দেখেছে। আমার নিজের একটি বাড়ি হয়েছে। আমার ছোট প্রতিষ্ঠানে কাজ করে ৪০ জন কর্মী যা আরো বাড়ানোর চিন্তাভাবনা করছি আমি।

নতুন উদ্যোক্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনি যদি কোনো পণ্য তৈরি করতে চান তবে প্রথমেই নিজেকে প্রশ্ন করুন ‘কেন’। অর্থ্যাৎ খুঁজে বের করতে হবে,  কেনো আপনার পণ্যটি একজন মানুষ কিনবে? যদি আপনি এর সঠিক উত্তর পান তবে এগিয়ে যান।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top