শিরোনাম

মঙ্গলবার, অক্টোবর 17, 2017 - ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের ডিজিটাল পেমেন্ট সার্ভিস ইউপের যাত্রা শুরু | মঙ্গলবার, অক্টোবর 17, 2017 - হুয়াওয়ে মেট ১০ এ যা আছে | মঙ্গলবার, অক্টোবর 17, 2017 - শাওমির নতুন ফোন রেডমি ৫এ | মঙ্গলবার, অক্টোবর 17, 2017 - ফাঁস হয়ে গেল নোকিয়া ৯ এর গোপন সমস্ত তথ্য | মঙ্গলবার, অক্টোবর 17, 2017 - হ্যাকারদের লক্ষ্য বাংলাদেশসহ অন্যান্য এশিয়ার দেশগুলোর ব্যাংকগুলো | মঙ্গলবার, অক্টোবর 17, 2017 - এডিএন ইডু সার্ভিসেস এর উদ্দেগে এজাইল বিষয়ক কর্মশলা অনুষ্ঠিত | মঙ্গলবার, অক্টোবর 17, 2017 - প্রথম ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডসে গ্রামীণফোনের ব্যাপক সাফল্য | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - গুগলের এই এয়ারপড হেডফোন যখন ট্রান্সলেটর | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - কম্পিউটার গেমের আসক্তিতে হতে পারে ভয়াবহ পরিণতি | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - ওটিসি ড্রাগ বিষয়ে সচেতনতা জরুরি |
প্রথম পাতা / অর্থনীতি / সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ শিক্ষা ও প্রযুক্তিতে
সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ শিক্ষা ও প্রযুক্তিতে

সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ শিক্ষা ও প্রযুক্তিতে

bazed২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে; যা মোট বাজেটের ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ।১ জুন বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে নতুন অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনা পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

গত বছর শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে জাতীয় বাজেটের ১৫ দশমিক ৬ শতাংশ বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। সেই হিসেবে পরপর দুবছর বাজেটের বেশি বরাদ্দ জায়গা শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাত দখলে রাখল।শিক্ষাখাতে সবচেয়ে জনপ্রিয় কর্মসূচি নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি। এই খাতে গতবছরের চেয়ে বরাদ্দ বাড়েনি বলে জানা গেছে। গত বছরের তুলনায় এবার টাকা এবং শতাংশের অংকে বরাদ্দ বাড়া সত্ত্বেও এমপিও খাতে ৩১ কোটি টাকা রাখা হয়েছে।

শিক্ষা খাতে আরেকটি জনপ্রিয় কর্মসূচি হচ্ছে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধা পরিশোধ। প্রায় ৬৫ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী তাদের পাওনার জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।এ সব শিক্ষকের দেনা পরিশোধে সরকার এবার এই খাতে বাড়তি দুইশ’ কোটি টাকা এককালীন বরাদ্দ প্রস্তাব করেছে। গত বছর এই খাতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল দেড়শ’ কোটি টাকা।

এ ছাড়া অবসর বোর্ডের অনুকূলে গতবছর পাঁচশ’ কোটি টাকা সিডমানি দেয়া হয়েছিল। ওই অর্থের সুদ থেকেও শিক্ষকদের অবসর সুবিধা দেয়া হচ্ছে।প্রস্তাবিত বাজেটে দেখা যায়, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বরাদ্দ ৬৫ হাজার ৪৫০ কোটি টাকার মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ২৩ হাজার ১৪৭ কোটি ৯৫ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

এর মধ্যে অনুন্নয়ন ব্যয় ১৬ হাজার ৯৮৩ কোটি টাকা ২৯ লাখ ও উন্নয়ন ব্যয় ৬ হাজার ১৬৪ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। গত অর্থবছরে সংশোধিত বাজেট ২১ হাজার ৭০৯ কোটি ৬৮ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।এ বছর প্রাথমিক স্তরে এবার মোট ২২ হাজার ২৩ কোটি ২৮ লাখ ১৯ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়। এর মধ্যে অনুন্নয়ন ব্যয় ১৩ হাজার ২৭১ কোটি ৪০ লাখ ১৯ হাজার টাকা, উন্নয়ন ব্যয় আট হাজার ৭৫১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।গত অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট দেখা যায় ১৭ হাজার ৭৯৮ কোটি ১৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ করা হয়েছে ১১ হাজার ৩৮ কোটি টাকা। এই মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে চার হাজার ২১৩ কোটি টাকা বরাদ্দ দেখা যায়। সেই হিসাবে বরাদ্দ দ্বিগুণের অনেক বেশি।

এ ছাড়া তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অনুকূলে চার হাজার ৯৭৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। বিদায়ী অর্থবছরে এই বিভাগের অধীনে এক হাজার ৮১৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেখা যায়। এ ক্ষেত্রেও বরাদ্দ দ্বিগুণ হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তৃতায় বলেন, ‘টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন আমাদের লক্ষ্য। এরজন্য মানব সম্পদ উন্নয়নের বিকল্প নেই। তাই শিক্ষা খাতের বিনিয়োগকে আমরা সবসময় অগ্রাধিকার দিয়ে থাকি।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষা নিয়ে গড়ব দেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ- এ স্লোগানকে সামনে রেখে আমরা সার্বিক শিক্ষাখাতের উন্নয়নে আমাদের কার্যক্রম গ্রহণ করছি।’

মুহিত বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষায় সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং গুণগত উৎকর্ষতা সাধনে ৫০৩টি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তথ্য-প্রযুক্তিভিত্তিক ইন্টারঅ্যাকটিভ শ্রেণিকক্ষ তৈরির পরিকল্পনা আমরা গ্রহণ করেছি। বিদ্যমান ও জাতীয়করণকৃত বিদ্যালয়সমূহের উন্নয়নে ১৪ হাজার ৮৬৪ কোটি টাকা ব্যয়ে দুইটি প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।’

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top