শিরোনাম

মঙ্গলবার, অক্টোবর 17, 2017 - ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের ডিজিটাল পেমেন্ট সার্ভিস ইউপের যাত্রা শুরু | মঙ্গলবার, অক্টোবর 17, 2017 - হুয়াওয়ে মেট ১০ এ যা আছে | মঙ্গলবার, অক্টোবর 17, 2017 - শাওমির নতুন ফোন রেডমি ৫এ | মঙ্গলবার, অক্টোবর 17, 2017 - ফাঁস হয়ে গেল নোকিয়া ৯ এর গোপন সমস্ত তথ্য | মঙ্গলবার, অক্টোবর 17, 2017 - হ্যাকারদের লক্ষ্য বাংলাদেশসহ অন্যান্য এশিয়ার দেশগুলোর ব্যাংকগুলো | মঙ্গলবার, অক্টোবর 17, 2017 - এডিএন ইডু সার্ভিসেস এর উদ্দেগে এজাইল বিষয়ক কর্মশলা অনুষ্ঠিত | মঙ্গলবার, অক্টোবর 17, 2017 - প্রথম ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডসে গ্রামীণফোনের ব্যাপক সাফল্য | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - গুগলের এই এয়ারপড হেডফোন যখন ট্রান্সলেটর | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - কম্পিউটার গেমের আসক্তিতে হতে পারে ভয়াবহ পরিণতি | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - ওটিসি ড্রাগ বিষয়ে সচেতনতা জরুরি |
প্রথম পাতা / ইন্টারভিউ / সাইবার ক্রাইম মোকাবেলায় দরকার একঝাঁক পেশাদার ইন্টেলিজেন্স কর্মী 
সাইবার ক্রাইম মোকাবেলায় দরকার একঝাঁক পেশাদার ইন্টেলিজেন্স কর্মী 

সাইবার ক্রাইম মোকাবেলায় দরকার একঝাঁক পেশাদার ইন্টেলিজেন্স কর্মী 

tapan

বর্তমানে বিশ্বে সাইবার অপরাধের পরিমাণ দিন দিন বেড়েই চলেছে। বর্তমান সময়ের নিরিখে প্রযুক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গী থেকে বিষয়টির উপর বিশেষভাবে আলোকপাত করেছেন সিটিও ফোরাম বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট তপন কান্তি সরকার। লিখেছেন মাহবুব শরীফ
সব ধরণের সাইবার ক্রাইম মোকাবেলায় সরকারি এবং বেসরকারি পর্যায়ে জোর প্রস্তুতি প্রয়োজন। সেই সঙ্গে জনমনে আস্থা যা কিনা ব্যাপক গণসচেতনতার মাধ্যমেই আনা সম্ভব। গোটা ব্যাংকিং ব্যাবস্থা এখন আইসিটি নির্ভর। তাই ব্যাংকিং সেক্টরে আইসিটি নীতিমালা যুগোপযোগী করা প্রয়োজন। দুই-তিন বছর আগের কোনো প্রযুক্তি প্রস্তাবনা হয়তো আজকের বাস্তবতায় অচল বা অকেজো হয়ে আছে।
tapan3এমনিতেই প্রায় প্রতিদিনই প্রযুক্তিনির্ভর প্রতারণার নিত্যনতুন কৌশল বের হচ্ছে। এ সময়ে প্রযুক্তিনির্ভর প্রতারণা থেকে রক্ষা পেতে গণসচেতনতা সবচেয়ে বেশি দরকার। এর পাশাপাশি – প্রযুক্তিনির্ভর প্রতারণা এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধ বিষয়ে আইসিটি আইন ২০০৯-এর বিভিন্ন ধারা সম্পর্কে ধারণা দিতে হবে আইনটির যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমান যুগ সাইবার সন্ত্রাসের যুগ। ওয়ার্ল্ড ইনভেস্টিগেশন অব ওয়েব পোর্টালের রিপোর্ট অনুযায়ী, এশিয়ার উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বেড়ে চলেছে সাইবার ক্রাইম। আর বাংলাদেশ হ্যাকিং অন্যতম একটি টার্গেট দেশ।
‘সাইবার অপরাধ’ বলতে মূলত ইন্টারনেট এবং কম্পিউটার ব্যবহারের মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধকে বুঝায়। সাইবার নিরাপত্তা আইন ২০১৫ সালের খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে কিন্তু তাও দেশের ব্যবহারকারীদের অনেকেরই জানা নেই। অনেকে মনে করেন, বাংলাদেশে সাইবার ক্রাইমের পরিধি বা এ সংক্রান্ত অপরাধ দমনের জন্য সংশ্লিষ্ট আইনটি অনেকেরই অজানা। আইনটি পর্যাপ্ত নয়। সাইবার অপরাধের প্রকারভেদে এ অপরাধ দমনের বিষয়টি জরুরি। বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের প্রযুক্তি সম্পর্কে জ্ঞান কম। তাদের বিপদে পড়ার সম্ভাবনাই বেশি।
tapan-2 সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রান্তিক পর্যায় থেকে কাজ শুরু করেছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ ভিশন ২০২১, এখন ২০৪১-এর লক্ষ্যে কাজ করছে। জনজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে জীবনমানে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনার অঙ্গীকার এটি। বাংলাদেশ যতই ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ যতই ২০২১ এর মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবার স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে, ততই ‘সাইবার সিকিউরিটি থ্রেট’ প্রকট আকার ধারন করছে।
প্রযুক্তিনির্ভর প্রতারণা এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধ বিষয়ে আইসিটি আইন ২০০৯ (দ) ধারায় হ্যাকিংয়ের শাস্তি হলো ‘কোনো ব্যক্তি যদি (ক) ও (খ) ধারায় কোনো অপরাধ সংঘটিত করেন তাহলে হ্যাকিংয়ের শাস্তি হিসেবে ‘তিনি অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ডে বা অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।’ হ্যাকাররা কখনোই প্রচলিত আইনের তোয়াক্কা করে না।বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তারা থাকে ধরাছোঁয়ার বাইরে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রযুক্তির সাহায্য নিয়েই অদৃশ্য শক্তির মোকাবেলা করতে হয়।
হ্যাকাররা অনেক ক্ষেত্রেই আণ্ডারওয়ার্ল্ডের শক্ত সংগঠন হয়ে থাকে। মেধাবী শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী ক্ষমতাকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে প্রফেশনালদের সাথে নিয়ে ‘আরঅ্যান্ডডি’ অ্যাকশনেবল ইন্টেলিজেন্স ল্যাব গঠন করে দেশে এক ঝাঁক প্রফেশনাল বুদ্ধিমত্তার জন্ম দিতে হবে যারা পারবে হ্যাকিংয়ের বিরুদ্ধে পাল্টা প্রতিরক্ষা গড়ে তুলতে।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top