শিরোনাম

সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - রংতা ব্র্যান্ডের নতুন পিওএস প্রিন্টার | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - নারীর নিরাপত্তা ও শরনার্থীদের শিক্ষা বিষয়ক ধারণা যাচ্ছে ওসলোর টেলিনর ইয়ুথ ফোরামে | রবিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2017 - উদ্বোধনের অপেক্ষায় শেখ হাসিনা সফটওয়্যার পার্ক | রবিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2017 - আপনারই কিছু ভুল হয়তো অজান্তে ফোনের পারফরম্যান্স খারাপ করছে | রবিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2017 - খুলনায় দুইদিনের বেসিক আরডুইনো কর্মশালা অনুষ্ঠিত | রবিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2017 - ঢাকা মহিলা পলিটেকনিককে স্যামসাং এর পক্ষ থেকে অত্যাধুনিক ল্যাব হস্তান্তর  | রবিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2017 - সিডস্টারস ঢাকায় দেশের সেরা স্টার্টআপ সিমেড হেলথ | রবিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2017 - অ্যান্ড্রয়েড ফোনকে মডেম হিসেবে ব্যবহারের উপায় | রবিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2017 - আসছে নকিয়ার আরও দুই ফোন | রবিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2017 - ফেসবুকের পাঁচ মজাদার অপশন যা জানেন না অনেকেই |
প্রথম পাতা / সাম্প্রতিক খবর / ফিচার পোস্ট / ১৮ জেলায় থ্রিজি দিতে তিন দফা সময় নিল টেলিটক!
১৮ জেলায় থ্রিজি দিতে তিন দফা সময় নিল টেলিটক!

১৮ জেলায় থ্রিজি দিতে তিন দফা সময় নিল টেলিটক!

দুইবার সময় বাড়িয়েও তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রিজি) সেবার কাজ শেষ করতে পারছে না সরকারি সংস্থা টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড। দেশের ১৮টি জেলায় চলতি মাসেই থ্রিজি সম্প্রসারণের কাজ শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু এই সময়ে কাজ শেষ করতে না পারার আশঙ্কায় পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কাছে আরো এক বছর সময় চেয়েছে সংস্থাটি। সার্বিক দিক বিবেচনা করে মন্ত্রণালয় সে প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে। গ্রাহকের কাছে থ্রিজি সেবা পৌঁছে দিতে এ নিয়ে তিনবার সময় বাড়ানো হলো। ফলে সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নও কিছুটা বিলম্ব হলো।

teletalk

টেলিটকের কর্মকর্তারা বলছেন, গত কয়েক মাস ধরে চলতে থাকা রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে বিভিন্ন জায়গায় বিটিএস, বিএসসিসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি স্থাপন করা যাচ্ছে না। টেলিযোগাযোগ টাওয়ার ও মোবাইল টাওয়ার নির্মাণ করা যাচ্ছে না। হরতাল-অবরোধে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কোথাও যেতে পারছে না। এসব কারণেই নির্ধারিত সময়ে থ্রিজি সেবার কাজ শেষ করা যায়নি বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে প্রকল্প পরিচালক গিয়াস উদ্দিন আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, প্রাথমিকভাবে ছয় জেলায় থ্রি জি সেবা পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে আরো ১২ জেলায় তা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তিনি বলেন, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দেরিতে চুক্তি হওয়ায় পদ্ধতিগত কারণে কাজ শুরু করতে এক বছর দেরি হয়েছে। এ কারণে কাজ পিছিয়ে যায়। তা ছাড়া গত এপ্রিলে সাভারের রানা প্লাজা ধসের পর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বাসার ছাদে মোবাইল টাওয়ার বসাতে অনেক মালিক অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন। এ কারণে আশানুরূপ স্থান লিজ নেওয়া সম্ভব হয়নি। এর সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ের সহিংসতায় কাজের গতি কমে গেছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে নির্ধারিত সময়ে সেবা পৌঁছে দিতে না পারায় প্রকল্পের ব্যয়ও বেড়ে গেছে। ২০১১ সালে প্রকল্পটি অনুমোদনের সময় এর ব্যয় ধরা হয়েছিল এক হাজার ৯০১ কোটি টাকা। দুই বছর পর এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৮০ কোটি টাকা। অর্থ্যাৎ এ সময়ে ব্যয় বেড়েছে ১৭৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে চীন সরকার ঋণ দিচ্ছে এক হাজার ৬৫৬ কোটি টাকা। বাকি ৪২৪ কোটি টাকা সরকারে নিজস্ব তহবিল থেকে জোগান দেওয়া হচ্ছে।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই এই প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক ছিল। কিন্তু চীনা ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান সিএমইসির সঙ্গে টেলিটকের বাণিজ্যিক চুক্তির পর নানা জটিলতার কারণে এক বছর ওই চুক্তি কার্যকর হয়নি। তাই ওই সময় প্রকল্পের কাজই শুরু করা যায়নি। এরপর দ্বিতীয়বার সময় বাড়িয়ে তা চলতি মাসের ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়। কিন্তু এ সময়েও কাজ শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই তৃতীয়বারের মতো ২০১৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়িয়ে নিয়েছে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড।

এদিকে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, থ্রিজি প্রযুক্তির চাহিদা নতুন প্রজন্মের কাছে অকল্পনীয় হারে বাড়ছে। কিন্তু চলতি অর্থবছর রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে ঠিকাদারদের বিভিন্ন স্থানে যাওয়া সীমিত হয়ে পড়ে। এ কারণে প্রকল্পের কিছু কাজকর্ম শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই এ প্রকল্পের মেয়াদ আরো এক বছর বাড়ানোর প্রস্তাব যৌক্তিক।

জনতার কাছে সহজলভ্য মোবাইল টেলিকম সেবা পৌঁছে দিতে এবং অন্যান্য অপারেটরদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে ২০১১ সালে থ্রিজি প্রযুক্তি চালুর সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। একই বছরের ৩ মে এ-সংক্রান্ত প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। এ প্রকল্পের আওতায় নতুন ১৮ লাখ থ্রিজি গ্রাহক বাড়ানো, অধিক দূরত্ব এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে নতুন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক স্থাপন এবং টেলিটকের দক্ষতা বৃদ্ধির কথা রয়েছে। একই সঙ্গে প্রকল্পের আওতায় উচ্চ গতিসম্পন্ন ডাটা অবকাঠামো তৈরি এবং অতিরিক্ত ৪৮ লাখ মোবাইল গ্রাহকের কাছে নতুন ২.৫ জি জিএসএম সেবা পৌঁছে দেওয়ার কথা। কিন্তু এখন পর্যন্ত মাত্র অর্ধেক কাজ শেষ হয়েছে বলে জানা গেছে।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top