শিরোনাম

বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - রবি ও ট্রমা ইনস্টিটিউটের মধ্যে কর্পোরেট চুক্তি সই | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - দেশের বাজারে হুইনের তারবিহীন কিউ১১কে গ্রাফিক্স ট্যাবলেট উন্মোচন | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটির তথ্যপ্রযুক্তি সম্পর্কিত ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে ফক্সকন | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - স্মার্ট টেকনোলজি ও সিভিল এভিয়েশনের চুক্তি সই | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - ফিরে আসছে সিটিসেল | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - আসছে স্মার্ট রিং | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - মহাকাশযানে লেটুস চাষ | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - ফেসবুকের আয় প্রত্যাশা ছাড়িয়ে | বুধবার, জুলাই 26, 2017 - শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক এর ঋণ সহায়তা পাবেন বেসিস সদস্যরা |
প্রথম পাতা / অর্থনীতি / ১ জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ই-বিআইএন
১ জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ই-বিআইএন

১ জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ই-বিআইএন

vatআগামী ১ জুলাই থেকে বাস্তবায়ন হতে যাওয়া মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর আওতায় ই-বিআইএন (ইলেকট্রনিক বিজনেস আইডেনটিফিকেশন নম্বর) ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান আমদানি-রফতানিসহ অন্যান্য ব্যবসায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না। অনলাইনে সেবা নেওয়ার জন্য ভ্যাট নিবন্ধন বা ই-বিআইএন নেওয়ার বিষয়টি অনেকটা অনলাইনে কর শনাক্তকরণ নম্বর বা ই-টিআইএনের মতো।

এরই মধ্যে যেসব প্রতিষ্ঠানের সনাতনী পদ্ধতিতে নিবন্ধন নেওয়া আছে, সেসব প্রতিষ্ঠানকে এখন নতুন করে অনলাইনে পুনঃনিবন্ধন নিতে হবে। বছরে ৩৬ লাখ টাকার কম লেনদেন হয় এমন প্রতিষ্ঠান এর বাইরে থাকবে। বার্ষিক লেনদেন ৩৬ লাখ টাকার বেশি হলেই কেবল অনলাইনে নিবন্ধন নিতে হবে। এ বিষয়ে অনলাইন প্রকল্পের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, সম্পূর্ণ হয়রানিমুক্ত পরিবেশে ব্যবসায়ীরা যাতে সহজ পদ্ধতিতে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন, এজন্য অনলাইনে ভ্যাট নিবন্ধন দেওয়া হচ্ছে।

বকেয়া ভ্যাট পরিশোধ, মিথ্যা ঘোষণা, চোরাচালান বা যেকোনো অস্বাভাবিক লেনদেনের অপরাধের কারণে হুট করেই লক (বন্ধ) হতে পারে প্রতিষ্ঠানের বিআইএন। এরপর অভিযোগ বা বকেয়া পরিশোধ করার আগে কোনোভাবেই সেই বিআইএন আনলক  হচ্ছে না।

এমনকি বিআইএন লক থাকার কারণে অনলাইনে ভ্যাট রেজিস্ট্রেশনও নিতে পারছেন না। তবে এই হয়রানি থেকে মুক্তি মিলতে পারে ভ্যাট নিবন্ধন মেলায় ‘ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন’ নিয়ে। অনলাইনে ভ্যাট রেজিস্ট্রেশনে ব্যবসায়ীদের করদাতাদের উৎসাহী করতে এমন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

ব্যবসায়ীদের হয়রানি কমাতে আমদানি-রপ্তানি কিংবা টেন্ডারসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে পুরনো ১১ ডিজিটের বিআইএন ব্যবহারের সুযোগ থাকছে ৩০ জুন পর্যন্ত। ফলে যেসব ব্যবসায়ী ৯ ডিজিটের ই-বিআইএন গ্রহণ করেছেন ব্যবসায়ীক স্বার্থে তারাও ১১ ডিজিটের পুরনো বিআইএন নম্বর ব্যবহার করতে পারবেন।

এনবিআর থেকে জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ২০১৭ সালের ১ জুলাই থেকে কার্য্কর হতে যাচ্ছে নুতন অনলাইন ভ্যাট আইন। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত ১৫ মার্চ থেকে অনলাইন নিবন্ধন কার্য্ক্রম শুরু হয়েছে। যেখানে ১১ ডিজিটের পরিবর্তে ৯ ডিজিটের নতুন ই-বিআইএন দেওয়া হয় নিবন্ধনকৃত ব্যবসায়ীদের। চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে বর্তমান ১১ ডিজিটের মূসক নিবন্ধন নম্বর স্বয়ংক্রিয়ভাবে অকার্যকর হয়ে পড়বে।

আমদানি-রপ্তানিসহ সব কার্যক্রমে অনলাইনে ইস্যুকৃত নতুন ই-বিআইএন ব্যবহৃত হবে। এ অবস্থায় ১৯৯১ সালের মূসক আইনের আওতায় যারা নিবন্ধন নিয়েছেন তাদেরকেও নতুন ই-বিআইএন নিবন্ধন গ্রহণ করতে হবে। তবে বর্তমানে কোনো ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান পুনর্নিবন্ধনের মাধ্যমে নতুন ই-বিআইএন গ্রহণ করলেও ৩০ জুন পর্যন্ত পুরনো ১১ ডিজিটের বিআইএন দ্বারাই অন্যান্য সব কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।

উল্লেখ্য, অনলাইনে ভ্যাট নিবন্ধন ব্যবস্থা চালুর পর গত তিন মাসে মোট ৩২ হাজার ৩৫৫টি প্রতিষ্ঠান ই-বিআইএন গ্রহণ করেছে। ভ্যাট রাজস্বের ৯০ শতাংশেরও বেশি আসে অনলাইনে ই-বিআইএন গ্রহণ করা এসব প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে। ভ্যাট অনলাইন প্রকল্প সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, ১৫ মার্চ থেকে অনলাইন নিবন্ধন পদ্ধতি চালু হওয়ার পর গত বুধবার পর্যন্ত ৩২ হাজার ৩৫৫টি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ই-বিআইএন নম্বর গ্রহণ করেছে। জানা গেছে, প্রথম দিকে অনলাইনে নিবন্ধন গ্রহণের সংখ্যা খুব কম ছিল। তবে ধীরে ধীরে এ অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। বর্তমানে দৈনিক ই-বিআইএন গ্রহণের সংখ্যা ২ হাজারেরও বেশি।

জানা গেছে, ভ্যাট আইন-১৯৯১-এর আওতায় বর্তমানে ৮ লাখ নিবন্ধন রয়েছে। তবে অনলাইনে নিবন্ধন পদ্ধতি চালু হওয়ায় এর সংখ্যা বিপুল পরিমাণ কমে আসবে। কারণ আগে একটি প্রতিষ্ঠানকে আলাদা আলাদাভাবে নিবন্ধন নিতে হতো। এখন একটি ই-বিআইএন নম্বরে চলবে।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top