শিরোনাম

সোমবার, মে 22, 2017 - সিটিও ফোরাম বাংলাদেশের নির্বাচন | সোমবার, মে 22, 2017 - বেসিসের সদস্য কোম্পানির জন্য  ইউএসডি মাস্টারকার্ড | সোমবার, মে 22, 2017 - লাভা ও মাইক্রোম্যাক্সের সাথে সাশ্রয়ী স্মার্টফোন নিয়ে এলো গ্রামীণফোন | সোমবার, মে 22, 2017 - ১০ হাজার ফ্রিল্যান্সার তৈরির উদ্যোগ কোডার্সট্রাস্টের | রবিবার, মে 21, 2017 - নিজল ক্রিয়েটিভের ৫ম বর্ষপূর্তি উদযাপন | রবিবার, মে 21, 2017 - বগুড়ায় দ্বিতীয় আইইটিএফ আউটরিচ প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত | রবিবার, মে 21, 2017 - স্যামসাং ও গ্রামীণফোনের আকর্ষণীয় অফার | রবিবার, মে 21, 2017 - সাইবার নিরাপত্তা বিধানে গণসচেতনতা অত্যাবশ্যকীয় | রবিবার, মে 21, 2017 - শেষ হলো ন্যাশনাল গার্লস প্রোগ্রামিং ক্যাম্প | রবিবার, মে 21, 2017 - ‘রি ডটকন’ চালু করল রবি |
প্রথম পাতা / টেলিকম / ৪জি সার্ভিসের লাইসেন্স প্রদানে কমিটি গঠন করছে বিটিআরসি
৪জি সার্ভিসের লাইসেন্স প্রদানে কমিটি গঠন করছে বিটিআরসি

৪জি সার্ভিসের লাইসেন্স প্রদানে কমিটি গঠন করছে বিটিআরসি

4g-internet-corporate

বাংলাদেশের মোবাইল অপারেটরগুলোকে ৪জি সার্ভিসের লাইসেন্স প্রদানের ব্যাপারে গভীরভাবে বিশ্লেষণের জন্য আন্তঃবিভাগীয় কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিটিআরসি । সম্প্রতি টেলিকম রেগুলেটরের নিয়মিত আলোচনা সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। মোবাইল ফোন অপারেটর রবি এ বছরের এপ্রিল মাসে বিটিআরসিকে এ ব্যাপারে তলব করার পরই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হলো।

এ ব্যাপারে বিটিআরসি’র জ্যৈষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘বিটিআরসি এবং কমিশন ব্যাপারটি গভীরভাবে বিশ্লেষণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগেই আমরা ব্যাপারটি তুলেছিলাম। সুতরাং বিষয়টি বিশ্লেষণের জন্য আন্তঃবিভাগীয় কমিটি গঠন করব আমরা।’ তিনি জানান, ব্যাপারটি জটিল কেননা বর্তমানে থ্রিজি সার্ভিসে ২১০০ মেগাহার্টজ তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়। এটি ৪জি সার্ভিসে ব্যবহার করা যেতে পারে তবে তার জন্য নতুন লাইসেন্স গাইডলাইন লাগবে। কর্মকর্তা বলেন, ‘থ্রিজি সার্ভিস থেকে ৪জি সার্ভিসে ভিন্ন প্যারামিটার থাকবে। সুতরাং, ৪জি সার্ভিস মোড নির্ধারণ করতে সেখানে নতুন গাইডলাইন থাকা উচিত।’

দীর্ঘ মেয়াদী বিবর্তন প্রযুক্তি নামে খ্যাত ৪জি থ্রিজি থেকে অনেক দ্রুত ডাটা সরবরাহ করে থাকে। বাংলাদেশ সরকার ২০১৩ সালে থ্রিজি সার্ভিসের জন্য নিলামের মাধ্যমে ২১০০ মেগাহার্টজ তরঙ্গ বিক্রি করেছিল। সেখানে শর্ত ছিল, তরঙ্গগুলো ৪জি সার্ভিসের জন্য ব্যবহার করা যাবে।

একই তরঙ্গ নিয়ে ৪জি সার্ভিস চালু করতে আলাদা লাইসেন্স লাগবে কিনা তা বিটিআরসি’র কাছে জানতে চেয়েছিল রবি। বর্তমানে মোবাইল ফোন তরঙ্গগুলো প্রযুক্তি নিরপেক্ষ না, অর্থাৎ, যেকোন সার্ভিসে এগুলো সঠিকভাবে কাজ করে না যদিও মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো অনেক আগে থেকেই এটা চালুর দাবি করে আসছিল। আইন অনুযায়ী, মোবাইল ফোন অপারেটররা ২জি সার্ভিসের জন্য ১৮০০ এবং ৯০০ মেগাহার্টজ ব্যবহার করতে পারবেন। আর থ্রিজি সার্ভিসের জন্য শুধুমাত্র ২১০০ মেগাহার্টজ ব্যবহার করতে পারবেন।

রবি বর্তমানে এয়ারটেলের সাথে একীভূত হওয়ার প্রকিয়ায় রয়েছে। একীভূত হওয়ার পর রবি নামের টেলিকম অপারেটরটি ভিন্ন ভিন্ন ব্যান্ডে ৩৯.৮ মেগাহার্টজ তরঙ্গ নিয়ে দেশের সর্ববৃহৎ ইন্টারনেট স্পেকট্রামের মালিক হবে। বর্তমানে ভিন্ন ভিন্ন ব্যান্ডে ৩২ মেগাহার্টজ তরঙ্গ নিয়ে শীর্ষ অবস্থানে আছে গ্রামীণফোন।

সরকার বর্তমানে টেলিকম সেক্টরে প্রযুক্তি নিরপেক্ষতার ব্যাপারটি বিবেচনা করছে যাতে অপারেটররা বিভিন্ন টেলিকম সার্ভিসে তরঙ্গ ব্যবহার করতে পারে। সরকার বাকি ২জি এবং থ্রিজি স্পেকট্রাম বিক্রির জন্য এ বছরে নিলাম ডাকার পরিকল্পনা করছে। গাইডলাইন অনুযায়ী, ২জি অথবা ১৮০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের নিলামের জন্য দুই ব্লকে ১০.৬০ মেগাহার্টজ তরঙ্গ অবশিষ্ট রয়েছে। অন্যদিকে থ্রিজি তথাপি ২১০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের জন্য ১৫ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম আছে।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top