শিরোনাম

বুধবার, ডিসেম্বর 7, 2016 - বিয়ে উপলক্ষে স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স পণ্যে অফার | বুধবার, ডিসেম্বর 7, 2016 - স্টিভ জবসের নামে নামকরণ ও কর ফাঁকির অভিযোগ | বুধবার, ডিসেম্বর 7, 2016 - মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বগাথা নিয়ে গ্রামীণফোনের ডিজিটাল ভিডিও তথ্যভান্ডার | বুধবার, ডিসেম্বর 7, 2016 - বাগডুম ডটকম এর গ্রাহকদের মোবাইল পেমেন্ট সুবিধা দিবে শিওরক্যাশ   | বুধবার, ডিসেম্বর 7, 2016 - ২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আওয়ার অফ কোড | বুধবার, ডিসেম্বর 7, 2016 - প্রথম বারের মত অ্যাপিকটা মেরিট অ্যাওয়ার্ড-২০১৬ সম্মাননা পেল বাংলাদেশ | বুধবার, ডিসেম্বর 7, 2016 - ব্র্যানোতে শুরু হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের বই মেলা এবং কুইজ প্রতিযোগিতা | বুধবার, ডিসেম্বর 7, 2016 - রবি ও এটুআই’র মধ্যে সমঝোতা চুক্তি সই | বুধবার, ডিসেম্বর 7, 2016 - ২০১৭ সালে বাংলাদেশেই অনুষ্ঠিত হবে অ্যাপিকটা অ্যাওয়ার্ড | বুধবার, ডিসেম্বর 7, 2016 - দেশের বাজারে নতুন স্মার্টফোন ইনফিনিক্স এর যাত্রা শুরু |
প্রথম পাতা / টেলিকম / ডিজিটাল অর্থনীতির অগ্রযাত্রায় প্রয়োজন ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্কের দ্রুত বিস্তৃতি
ডিজিটাল অর্থনীতির অগ্রযাত্রায় প্রয়োজন ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্কের দ্রুত বিস্তৃতি

ডিজিটাল অর্থনীতির অগ্রযাত্রায় প্রয়োজন ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্কের দ্রুত বিস্তৃতি

broad
সম্প্রতি ব্যাংককে আইটিইউ টেলিকম ওয়ার্ল্ড ২০১৬-তে ব্রডব্যান্ড সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নে ‘এশিয়া প্যাসিফিক এক্সচেঞ্জ অন ব্রডব্যান্ড রেগুলেশন এ্যান্ড পলিসি শীর্ষক এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম যৌথভাবে আয়োজন করেছে হুয়াওয়ে এবং ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশনস ইউনিয়ন (আইটিইউ)।
উন্নয়ন ও দ্রুত গতির ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যে দরকার বিস্তৃত ব্রডব্যান্ড নীতিমালা, এমনটি জানালেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা।
দ্রত গতির ব্রডব্যান্ড সংযোগ সবখানে ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য ‘ওয়াইট পেপার অন ব্রডব্যান্ড রেগুলেশন এ্যান্ড পলিসি ইন এশিয়া-প্যাসিফিক রিজিওন: ফ্যাসিলিটেটিং ফাস্টার ব্রডব্যান্ড ডিপ্লয়মেন্ট’অবমুক্ত করে সেশনে অংশ্রগ্রহণকারীরা।
এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন আইটিইউ-এর সাধারণ সম্পাদক হউলিন ঝাও। এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে আইটিইউ-এর সহযোগি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করার জন্য এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা অনুযায়ী আইটিইউ-এর সদস্য হিসেবে সহযোগিতা করে আসার জন্য হুয়াওয়েকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন তিনি।
তিনি আরো উল্লেখ করেন, একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্কের অবকাঠামোতে গুরুত্ব দেয়া। ব্রডব্যান্ড এখন মানুষের মৌলিক চাহিদায় পরিণত হয়েছে। ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক ও অ্যাপ্লিকেশন ছাড়া একটি মুহূর্ত কল্পনা করা আমাদের জন্য অস্বাভাবিক হয়ে দাড়িয়েছে। আর তাই সরকারের উচিৎ ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্কের ব্যাপারে গঠনমূলত নীতিমালা প্রণয়ন করা।
এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে উন্নয়নের ধারা অনেকটাই অসামঞ্জস্য এবং এ অঞ্চলে ইন্টারনেট সংযোগের তারতম্য অনেক বেশি বলে জানালেন হুয়াওয়ের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট জিন ইউঝি।
বাংলাদেশ, মায়ানমার ও কম্বোডিয়ায় মোট জনসংখ্যার মাত্র ৫ শতাংশ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত। অবকাঠামোগত প্রবৃদ্ধি এবং বহির্বিশ্বের সঙ্গে ব্রডব্যান্ড সংযোগ বাড়ানো ক্ষেত্রে উক্ত দেশগুলোর সরকারের উপযুক্ত নীতিমালা গ্রহণ করতে হবে বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন বক্তারা।
জিন বলেন, `দেশের কৌশলগত পরিকল্পনায় ব্রডব্যান্ড একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হওয়া উচিৎ। সরকারের উচিৎ টেলিকম এবং অবকাঠামো যেমন- সাবমেরিন কেবল, ডাটা সেন্টার ও অন্যান্য নেটওয়ার্ক উন্নয়নে বিনিয়োগ করা।’
ডিজিটাল অর্থনীতি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় দেশব্যাপি ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে দেয়া অপরিহার্য বলে জানিয়েছেন বক্তারা।
পর্তুগাল, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, ভারত, সিঙ্গাপুর এবং মালয়েশিয়ার নিয়ন্ত্রক কর্তপক্ষগণ নিজ নিজ দেশের ব্রডব্যান্ড উন্নয়ন, প্রতিবন্ধকতা এবং সমাধান যেগুলো তারা ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন করেছেন সেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক উন্নয়নে আরো বেশি আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মনে করেন সবাই। বিভিন্ন খাতের জন্য গঠনমূলক নীতিমালা এবং তথ্য-প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্কের উন্নয়ন সম্ভব হবে।
আয়োজনটির পৃষ্ঠপোষকদের ভাষ্যমতে, আন্তর্জাতিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) সল্যুশনসের ক্ষেত্রে হুয়াওয়ে শীর্ষস্থানীয় একটি প্রতিষ্ঠান। তথ্য-প্রযুক্তি খাত সংক্রান্ত উপদেষ্টা, দীর্ঘ সময়ের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সফল ব্রডব্যান্ড সল্যুশনসের ব্যাপারে বিশদ ও সুক্ষ্ম অভিজ্ঞতা আছে প্রতিষ্ঠানটির এবং পাশাপাশি বিশ্বব্যাপি টেলিযোগাযোগ সিস্টেম পরিচালনা ও প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রেও হুয়াওয়ের আছে গঠনমূলক কর্মদক্ষতা। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক বিস্তৃতকরণে হুয়াওয়ে সকলের সঙ্গে মিলে কাজ করতে আগ্রহী।
উল্লেখ্য, উক্ত এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের সরকারি কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট খাতের নেতা এবং তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষজ্ঞ মিলে প্রায় ২০০জন অংশ নিয়েছেন। এটি ছিল টেলিযোগাযোগ এক্সপোর ক্ষেত্রে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনের মধ্যে একটি। চলতি বছরের আইটিইউ টেলিকম ওয়ার্ল্ড-এর প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে ‘বেটার সুনার। অ্যাক্সিলারেট আইসিটি ইনোভেশন টু ইমপ্রুভ লাইভস ফাস্টার।’

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top