শিরোনাম

বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর 8, 2016 - কম্পিউটার সোর্সে রূপালী চাঁদের ডেল আল্ট্রাবুক | বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর 8, 2016 - বিসিএস কম্পিউটার সিটিতে আসুস উইন্টার ফেসটিভ্যাল | বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর 8, 2016 - দেশের মোবাইল বাজারে সিম্ফনির নতুন দুটি স্মার্টফোন | বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর 8, 2016 - ওয়াই-ফাইয়ের স্মার্ট বাড়ি সজাতে পারেন মনের মত | বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর 8, 2016 - বাংলালিংক এবং সিম্ফনি’র Roar E80 স্মার্টফোন সাথে ১৮জিবি ফ্রি ইন্টারনেট | বুধবার, ডিসেম্বর 7, 2016 - বিয়ে উপলক্ষে স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স পণ্যে অফার | বুধবার, ডিসেম্বর 7, 2016 - স্টিভ জবসের নামে নামকরণ ও কর ফাঁকির অভিযোগ | বুধবার, ডিসেম্বর 7, 2016 - মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বগাথা নিয়ে গ্রামীণফোনের ডিজিটাল ভিডিও তথ্যভান্ডার | বুধবার, ডিসেম্বর 7, 2016 - বাগডুম ডটকম এর গ্রাহকদের মোবাইল পেমেন্ট সুবিধা দিবে শিওরক্যাশ   | বুধবার, ডিসেম্বর 7, 2016 - ২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আওয়ার অফ কোড |
প্রথম পাতা / সাম্প্রতিক খবর / সাইবার নিরাপত্তায় প্রত্যেক নাগরিকের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ
সাইবার নিরাপত্তায় প্রত্যেক নাগরিকের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ

সাইবার নিরাপত্তায় প্রত্যেক নাগরিকের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ

cy-secপ্রতিদিন তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়ন হচ্ছে বিশ্বব্যাপী। ইন্টারনেট বা সাইবার জগতে মূলত কোনো সীমানা নেই। পুরো বিশ্ব এক। সুতরাং সাইবার অপরাধের ভয়াবহতাও অনেক। বিশ্বের যেকোনো জায়গা থেকে যেকোনো স্থানে আক্রমণ করা সম্ভব। বিশ্বের একমাত্র দেশ নিজেদের ডিজিটাল হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে এবং তা হলো বাংলাদেশে। কিন্তু বাংলাদেশ সে তুলনায় অনেক পিছিয়ে। দেশের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, বরং সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে প্রত্যেক নাগরিকের নিজ নিজ জায়গা থেকে ভূমিকা রাখা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

শনিবার রাজধানীতে সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক এক সেমিনারে এসব কথা বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। ‘সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস-২০১৬’ উপলক্ষে গুলশানের একটি ক্লাবে দিনব্যাপী এই সেমিনার হয়। ‘সাইবার নিরাপত্তা- পূর্বাভাস; প্রস্তুতি; সুরক্ষা’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে ইনফরমেশন সিস্টেমস অডিট অ্যান্ড কন্ট্রোল অ্যাসোসিয়েশনের (আই-সাকা) ঢাকা শাখা। এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা শাখার প্রথম সভাপতি আলী আশফাক।

আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ, আইসাকা ঢাকা শাখা সভাপতি তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ একেএম নজরুল হায়দার, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) আইন বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক ড. জুলফিকার আহমেদ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার বিভাগের প্রধান ড. তৌহিদ ভূইয়া, আইসাকা’র ঢাকা শাখা সেক্রেটারি ওমর ফারুক খন্দকার, গ্রামীনফোনের ইনফরমেশন সিকিউরিটি বিভাগের প্রধান শাহাদাত হোসাইন, ইনফরমেশন সিস্টেমস সাইবার অ্যাওয়ারনেসের বাংলাদেশ শাখার (আইএসএসএ) সভাপতি এমআর মারুফ আহমেদ ও ইস্টার্ন ব্যাংকের ইনফরমেশন সিকিউরিটি ম্যানেজার মো. আবুল কালাম আজাদ ।

বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, গত মাসের হিসাব অনুযায়ী দেশে বর্তমানে ইন্টারনেটের গ্রাহক সংখ্যা ৬ কোটি ৩২ লাখ। দেশের তথ্যপ্রযুক্তির সেবা সংক্রান্ত বিষয়গুলোর বেশিরভাগই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত। সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু সরকারেরই কাজ নয়, বরং নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশের প্রত্যেক নাগরিকের এ ব্যাপারে ভূমিকা রাখা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, মূলত ইন্টারনেট জগতের কোনো বর্ডার (সীমানা) নেই এবং এখানে কারো একক মালিকানাও নেই। পুরো পৃথিবী এক। সুতরাং বিশ্বব্যাপী সাইবার অপরাধের ভয়াবহতা ব্যাপক। পৃথিবীর যেকোনো স্থান থেকে আক্রমণ করা সম্ভব। তাই সাইবার অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি খুব গুরুত্বপূর্ণ।

আইসাকা ঢাকা শাখার প্রথম সভাপতি আলী আশফাক বলেন, আইসাকা একটি অলাভজনক সংগঠন। সব ধরনের মানুষের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি সংক্রান্ত জ্ঞান বিতরণ করা আইসাকার মূল উদ্দেশ্য। সাইবার স্পেসে কোনো দেশের জন্য নির্দিষ্ট কোনো এলাকা নেই। পুরো পৃথিবী এক। সবাই সাইবার ঝুঁকির মধ্যে। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে অক্টোবর মাসকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস হিসেবে পালন করে আসছে। তারই অংশ হিসেবে ঢাকায় আজকের সেমিনারের আয়োজন করা হলো। সাইবার নিরাপত্তার জন্য সবাইকে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে সচেতন হবার আহ্বান জানান তিনি।

আইসাকা ঢাকা শাখা সভাপতি একেএম নজরুল হায়দার বলেন, বিশ্বে প্রথম একটি মাত্র দেশ নিজেদের ডিজিটাল হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে ২০০৮ সালে এবং সেটি হলো বাংলাদেশ। অন্যদিকে ভারত সরকার ডিজিটাল ইন্ডিয়া ঘোষণা দিয়েছে ২০১৫ সালে। ২০০৮ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশের ঘোষণা দিয়েও মূলত সে তুলনায় আমরা সাইবার নিরাপত্তায় বেশি দূর এগুতে পারিনি।

তিনি বলেন, শুধু ইন্টারনেট ব্যবহারকারী নয়। প্রত্যেক মানুষই সাইবার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। যেমন: একজন কৃষক মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন। তার মোবাইলে একজন সাইবার অপরাধী কোনো ক্ষুদেবার্তা পাঠানোর মাধ্যমে ফাঁদ পাতলো এবং ওই কৃষক অসচেতনতার কারণে সেই ফাঁদে পা দেয়ার মাধ্যমে তার অ্যাকাউন্টের সব টাকা চলে যেতে পারে।

নজরুল হায়দার বলেন, সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে সচেতনতা খুব জরুরি। সাইবার নিরাপত্তা অনেক ব্যাপক বিষয়। পাশের দেশগুলোর তুলনায় এখনো আমাদের অনেক কাজ বাকি রয়েছে। বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তা শক্তিশালী করতে সবাই সম্মিলিতভাবে সামনে অনেক কাজ করতে হবে।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সাল থেকে আমেরিকা, ২০১১ থেকে নরওয়ে এবং ২০১২ থেকে ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশ অক্টোবরকে ‘সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস’ হিসেবে পালন করে আসছে। সাইবার দস্যুতা থেকে নিরাপদে থাকতে মাসব্যাপী নানা কর্মসূচি নেওয়া হয় এ মাসে।

বিকেলে সেমিনার শেষে আইসাকার বিভিন্ন পর্যায়ের কোর্স সম্পন্নকারী ৩৫ জন সদস্যের হাতে সনদ তুলে দেয়া হয়।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top