শিরোনাম

বুধবার, সেপ্টেম্বর 20, 2017 - ৩ দিন বন্ধ থাকবে প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল | বুধবার, সেপ্টেম্বর 20, 2017 - ডিসেম্বরের মধ্যে ফোর-জি চালু:তারানা হালিম | বুধবার, সেপ্টেম্বর 20, 2017 - ভিসা কার্ড ব্যবহারকারীদের জন্য বাগডুম ডটকম নিয়ে এলো দারুণ অফার | বুধবার, সেপ্টেম্বর 20, 2017 - দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারী ব্যাকআপ দিবে আইটেল পি ১১ স্মার্টফোন | বুধবার, সেপ্টেম্বর 20, 2017 - ভিসা এবং এসএসএলকমার্জ শুরু করলো অনলাইন ধামাকার দ্বিতীয় রাউন্ড | মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর 19, 2017 - প্রতিশ্রুতিশীল প্রযুক্তি বিষয়ক স্টার্টআপের খোঁজে সিডস্টারস ওয়ার্ল্ড | মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর 19, 2017 - ফেইসবুকে কাউকে বন্ধু করার ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা জরুরি | মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর 19, 2017 - ম্যার্শম্যালো এখনো শীর্ষে | মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর 19, 2017 - দীর্ঘক্ষণ ব্যাটারি ব্যাকআপ দেবে ওয়ালটনের নতুন ফোন | মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর 19, 2017 - হ্যাকারের হানায় ঝুঁকিতে সিক্লিনার ব্যবহারকারীদের ডিভাইস |
প্রথম পাতা / সাম্প্রতিক খবর / জাপানে চাকরি ও শিক্ষা অর্জনের সুযোগ
জাপানে চাকরি ও শিক্ষা অর্জনের সুযোগ

জাপানে চাকরি ও শিক্ষা অর্জনের সুযোগ

japanউচ্চ শিক্ষা ও জাপান

বিশ্ব অর্থনীতিতে জাপানের অবস্থান তৃতীয়।চলমান পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে জাপান সরকার উদ্যোগ নিয়েছে তৃতীয় বিশ্বের দেশ গুলো থেকে  সম্ভাবনাময় জনশক্তিকে জাপানে চাকরি ও শিক্ষা অর্জনে উৎসাহিত করতে।এই দেশগুলোর তালিকার মধ্যে রয়েছে ভিয়েতনাম, বাংলাদেশ, ভারত, মালয়েশিয়া, নেপাল ও ফিলিপাইন।এসব দেশের দক্ষ জনশক্তিকে তুলনামূলক প্রতিযোগিতামূলক বেতন দিয়ে জাপানিজ কোম্পানিগুলো চাকরি দেয়ার জন্য নিয়ে যাচ্ছে জাপানে,পিছিয়ে নেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।প্রতি বছর এদেশ থেকে উল্ল্যেখযোগ্য সংখ্যক ছাত্রছাত্রী উচ্চ শিক্ষার জন্য পাড়িজমাচ্ছে জাপানে।জাপানের গ্লোবাল ৩০ ভিশন অনুযায়ী, জাপান বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় তিন লক্ষ শিক্ষার্থী নেবে।এজন্য এগিয়ে এসেছে জাপানের বিভিন্ন ল্যাংগুয়েজ (ভাষাশিক্ষার) ইনস্টিটিউটগুলো।পড়াশোনার পাশাপাশি ইনস্টিটিউটগুলোর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় মিলছে খণ্ডকালীন চাকুরীর সুযোগ।এমনকি নিজের পড়াশোনার খরচ মিটিয়ে দেশে টাকা পাঠাচ্ছেন অনেকে।এই চলমান পরিস্থিতি সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে বাংলাদেশের জন্য।

জাপানে শিক্ষার সুযোগ-সুবিধা

জাপানে পড়াশোনা ও চাকরি বিষয়ে সহায়তা করার জন্য বাংলাদেশে ২০১৩ সাল থেকে কাজ করছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।২০১৩ সাল থেকে আইটি, সিএসসি, ইলেকট্রিক্যাল ও অন্যান্য ইঞ্জিনিয়ারদের চাহিদা থাকা রকারণে প্রতিষ্ঠানগুলো জাভা, পিএইচপি, ওয়েবডেভেলপমেন্ট কোর্সে প্রশিক্ষন দিচ্ছে।এর মাধ্যমে দেশের ইঞ্জিনিয়ারগন হয়ে উঠছেন আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা সম্পন্ন।তাদের প্রশিক্ষন শেষে প্রতিষ্ঠানগুলো আয়োজন করছে বিভিন্ন জাপানিজ কোম্পানির জন্য ইন্টারভিউ সেশন।এই প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশিক্ষন সেশন থেকে (ট্রেনিংনিয়ে) অনেকেই পাড়ি জমিয়েছেন জাপানে,বিভিন্ন উচ্চমানের কোম্পানিতে।

উধাহরন স্বরুপ বলা যায়,এজেন্সিগুলো (প্রতিষ্ঠান)থেকে আইটি কোর্স ও জাপানিজ ভাষার কোর্স (প্রশিক্ষন)সম্পূর্ণ করেই মধ্যে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা পাড়ি জমিয়েছেন জাপানে।এছাড়া যেসব জাপানিজ কোম্পানি ইতোমধ্যে বাংলাদেশে কাজ শুরু করেছে সেসব কোম্পানিতে ও তাদের কাজ করার সুযোগ রয়েছে।জাপানিজ ভাষা শেখার জন্য চালু করেছে বিশেষ জাপানিজ ল্যাংগুয়েজ কোর্স।এসব কোর্সের ক্লাস নেন জাপানিজ ও বাংলাদেশী শিক্ষকরা।এখান থেকে ভাষা শিখে অনেকেই উচ্চশিার জন্য জাপানের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করছেন।জাপান সরকার ভিসাপ্রক্রিয়ার প্রশাসনিক জটিলতা শিথিল করায় বাংলাদেশের ছাত্রছাত্রীদের জন্য অপার সম্ভাবনার পথ উন্মোচিত  হয়েছে।

সঠিক পরিকল্পনা ও জাপানে শিক্ষার প্রক্রিয়া

জাপানে উচ্চ শিক্ষার চারটি ভিন্ন ভিন্ন সেশন যথাক্রমে জানুয়ারী,এপ্রিল,জুলাই ও অক্টোবর শিক্ষার্থীরা যেতে পারবেন।তারা জাপানের টোকিও,নাগয়া,গুম্মা,কফু,ফুজি,নাগোয়া,সাইতামা,হূতসুমা সহ বিভিন্ন শহরে পড়াশোনা করতে যেতে পারেন।জাপানে পড়াশোনা ও খণ্ডকালীন চাকরির জন্য জাপানিজ ভাষা জানা আবশ্যক।সাধারণত বাংলাদেশ থেকে জাপানিজ ভাষার প্রাথমিক ধাপটা শিখে জাপানে বাকিটা শিখতে হয়।তিন থেকে চারমাস লাগে এই ভাষা শিখতে।এর পর জাপানে গিয়ে এক বছর তিন মাস থেকে দুইবছর লাগবে বাকি ভাষা শিক্ষা শেষ করতে।জাপানিজ ভাষা কোর্স শেষেই উনিভার্সিটিতে  পড়াশোনা করতেহয়।অবশ্য  ছাত্রছাত্রীরা শুরু থেকেই অর্থাৎ ভাষা শেখা অবস্থাতেই খণ্ডকালীন চাকরি করতে পারবেন।খণ্ডকালীন চাকরি পেতে ছাত্রছাত্রীদের তেমন একটা বেগ পেতে হয় না।

জাপানের শিক্ষার মান আন্তর্জাতিক মানের।

প্রায় সাড়ে ৭০০বিশ্ববিদ্যালয়ে তুলনামুলক ভাবে অনেক কম খরচে পড়াশোনা করার সুযোগ রয়েছে ছাত্রছাত্রীদের।পড়াশোনার পাশাপাশি সাপ্তাহিক ২৮ ঘণ্টাখণ্ডকালীন চাকরির সুযোগ দিচ্ছে জাপান সরকার যা ইউরোপ বা আমেরিকার কোন উন্নত দেশে নেই।তাছাড়া বার্ষিক অবকাশ কালে খণ্ডকালীন চাকরির সময় নিয়ে কোন বাধ্যবাধকতা নেই।জাপানে ঘণ্টায় খণ্ডকালীন চাকরির বেতন সর্বনিম্ন ৮০০ জাপানিজ ইয়েন।কাজ ও ভাষার দক্ষতা বাড়ার সঙ্গেসঙ্গে এই বেতনও বাড়ে।

 শিক্ষা ও যোগ্যতা, বিষয়ভিত্তিক পড়াশোনার সুযোগ

এই চএসসি,ডিপ্লোমা,স্নাতক ও স্নাতকোত্তর বা সমমানের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।পাশাপাশি জাপানিজ ভাষায় দক্ষতা প্রয়োজন।শুরুতে জাপানিজ ল্যাংগুয়েজ ইন্সটিটিউট গুলোতে ইন্টারভিউ দিতে হবে।ইন্টারভিউতে পাশ করলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জাপান ইমিগ্রেশনে জমা দিতে হবে।ইমিগ্রেশন থেকে ইলিজিবিলিটি (সিওই) লেটারইস্যু করার পর এক বছরের টিউশন ফি জমা দিতে হবে।এর পর বাংলাদেশের জাপান এমব্যাসিতে প্রয়োজনিয় কাগজপত্র জমা দিয়ে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।

জাপানে প্রায় সকল বিষয়ে উচ্চ শিক্ষাগ্রহনের ব্যাবস্থা আছে,আছে ডিপ্লোমা পড়াশোনা ব্যাবস্থা।তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য- হিউম্যানস্টাডিজ, লিঙ্গুগুয়িস্টিকস্টাডিজ, হিস্টোরিক্যালস্টাডিজ, হিউম্যানসায়েন্স, এডুকেশনালসায়েন্স, লএন্ডসোসাইটি, পাবলিকলএন্ডপলিসি, ইকোনমিক্স, ম্যানেজমেন্ট, একাউন্ট্যান্সি, ফিজিক্স, এস্ট্রোনমি, জিওফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, আর্থসায়েন্স, মেডিকেলসায়েন্স, ডিজএবিলিটিসায়েন্স, ডেন্টিস্ট্রি, ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি, বায়োফার্মাসিউটিক্যাল সায়েন্স, লাইফসায়েন্স, কম্পিউটারসায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং, মেকানিক্যাল সিস্টেম এন্ড ডিজাইন, ন্যানোমেকানিক্স, এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং, কোয়ান্টাম সায়েন্স এন্ড এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং, ইত্যাদি।

প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি

কোর্সের মেয়াদ, ল্যাঙ্গুয়েজ এন্ড কালচারাল কোর্স ১ বছর ৩ মাস থেকে ২বছর মেয়াদি।ব্যাচেলর্স ডিগ্রি বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়েই চার বছর মেয়াদি।মাস্টার্স ডিগ্রি ২ বছর মেয়াদি।ভর্তির যোগ্যতা, এইচএসসি/ ডিপ্লোমা/ স্নাতক, স্নাতকোত্তর বা সমমানের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।পাশাপাশি জাপানি ভাষায় দক্ষতা প্রয়োজন।যেভাবে যাবেন জাপান, শুরুতে জাপানি ল্যাঙ্গুয়েজ ইনস্টিটিউটগুলোতে ইন্টারভিউ দিতে হবে।পাশ করলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জাপান ইমিগ্রেশনে জমা দিতে হবে।ইমিগ্রেশন থেকে ইলিজিবিলিটিলেটার ইস্যু করার পর ১ বছরের টিউশন ফি জমা দিতে হবে।এর পর বাংলাদেশের জাপান দূতাবাসে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র জমা দিয়ে ভিসার আবেদন করতে হবে।দূতাবাস সব কিছু দেখে ভিসা ইস্যু করবে।

বিভিন্ন দেশ থেকে জাপানে পড়াশোনা করতে যাওয়া ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।কয়েক বছর ধরে অনেক বাংলাদেশি ছাত্রছাত্রী ও উচ্চশিক্ষার জন্য জাপানে পাড়ি জমিয়েছেন।কিন্তু গত একদশক ধরে ক্রমাগত হারে জনসংখ্যার নিম্নগতি জাপানের অর্থনীতির জন্য মারাত্মক হুমকি হিসেবে দাঁড়িয়েছে।বিশ্ব জনসংখ্যা রিভিউয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী,২০১০ সালে জাপানের জনসংখ্যা ছিল১২কোটি ৭৫লাখ,যা২০১৫সালের আগস্টে দাঁড়িয়েছে ১২কোটি ৬৫ লাখে। গত ৫ বছরেই কমে গেছে প্রায় ১০লাখ লোক।এই পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে,কতটা মারাত্মক হয়ে দাঁড়িয়েছে এই জনসংখ্যা  হ্রাস সমস্যা।চলমান এ পরিস্থিতিকে মোকাবেলা করতে জাপান সরকার উদ্যেগ নিয়েছে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো থেকে সম্ভাবনাময় দক্ষ জনশক্তিকে জাপানে চাকরি ও শিক্ষা অর্জনে উৎসাহিত করতে।এদেশগুলোর তালিকায় রয়েছে ভিয়েতনাম,বাংলাদেশ,ভারত,মালয়েশিয়া,নেপাল,ফিলিপাইন।

শান্তি প্রিয় দেশ হিসেবে জাপানের খ্যাতি আছে,তেমন বসবাসের পরিবেশ উন্নত।বাংলাদেশীদের জন্যে বর্তমানে এই প্রক্রিয়াটি কার্যকর।পরবর্তীতে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত মানুষের সংখ্যা বেড়ে গেলে সীমিত সংখ্যক সুযোগ থাকবে।তাই এখনি সঠিক সময়।আপনার জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষে জাপানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতে আপনাকে স্বাগতম।

ড্যাফোডিল জাপান আইটি

জাপানে পরাশুনা ও চাকরির বিষয়ে সহায়তার করার জন্য বাংলাদেশে ২০১৩  সাল থেকে কাজ করছে ড্যাফোডিল জাপান আইটি নামের প্রতিষ্ঠানটি।২০১৩ সাল থেকে বিবিপি জাপান এবং ড্যাফোডিল গ্রুপের যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করেছে।আইটি, সিএসসি, ইলেক্ট্রিক্যাল ও অন্য ইঞ্জিনিয়ারদের প্রচুর চাহিদা থাকার কারনে প্রতিষ্ঠানটি জাভা, পিএইচপি, অ্যানড্রয়েড, ওয়েবডেভেলপমেন্ট কোর্সে ট্রেনিং দিচ্ছে।এর মাধ্যমেদেশের ইঞ্জিনিয়াররা হয়ে উঠছেন আন্তর্জাতিক মানের।তাদের ট্রেনিং শেসে ড্যাফোডিল জাপান আইটি আয়োজন করছে বিভিন্ন জাপানিস কম্পানির জন্য ইন্টার্ভিউ সেশন।তাদের এ ট্রেনিং সেশন থেকে ট্রেনিং নিয়ে অনেকেই পারি জমাচ্ছেন জাপানের বড় বড় কোম্পানিতে।

এজন্য ড্যাফোডিল জাপান আইটি এর রয়েছে স্পেশাল জাপানিজ ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্স।এসব কোর্সে ক্লাস নেন জাপানি ও বাংলাদেশি শিক্ষকরা।এখান থেকে ভাষা শিখে অনেকই উচ্চ শিক্ষার জন্য জাপানের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশুনা করছে।জাপানে মানসম্মত শিক্ষার পাশাপাশি পার্টটাইম জবের প্রচুর সুযোগ রয়েছে।জাপানী এম বা সিশিথিল করেছে প্রশাশনিক জটিলতাকেও।এটি বাংলাদেশের ছাত্রছাত্রিদের জন্য অপার সম্ভাবনার পথ উন্মোচন করেছে।

উচ্চশিক্ষা বিষয়ক সেমিনার ১৬ ও ১৭সেপ্টেম্বর২০১৭ , সময় বিকাল৪টা, সেমিনার  সকলের জন্যে উন্মুক্ত।সেমিনারে ফ্রী রেজিস্ট্রেশান করতে; djit.ac/japan_reg

স্থানঃ Daffodil Japan IT Limited, Union Heights, level 8, 55-2, West Panthapath, Dhaka.(Beside Square Hospital) সরাসরি ফোন দিয়ে তথ্য জানতে পারেন  জাপানের উচ্চশিক্ষা বিষয়েঃ

☎ 01847140110, 01847140111, 01847140107, 01713493282।

 

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top