শিরোনাম

শুক্রবার, ডিসেম্বর 15, 2017 - শুরু হলো আসুস আরওজি জেফ্রাস গেমিং ল্যাপটপের প্রি-বুকিং | শুক্রবার, ডিসেম্বর 15, 2017 - বাজারে এলো স্বল্পবাজেটের এসার ল্যাপটপ | শুক্রবার, ডিসেম্বর 15, 2017 - ছুটির দিনের শুরুতেই ক্রেতা মুখর ল্যাপটপ মেলা ২০১৭ | শুক্রবার, ডিসেম্বর 15, 2017 - শোককে শক্তিতে রুপান্তর করে প্রযুক্তিতে আগাবে তরুণরা : ইয়াফেস ওসমান | শুক্রবার, ডিসেম্বর 15, 2017 - গুগলে সবচেয়ে বেশি খুঁজেছেন সাবিলা নূর,৩এ তাসকিন | শুক্রবার, ডিসেম্বর 15, 2017 - বৈদ্যুতিক কার চারজিং সেবা চালু করল সিঙ্গাপুর | বুধবার, ডিসেম্বর 13, 2017 - জেমসক্লিপ এবং অ্যাডকম লিমিটেড-এর সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর | বুধবার, ডিসেম্বর 13, 2017 - টানলেই ইলাস্টিকের মতো বাড়বে এই ব্যাটারি,দাবি গবেষকদের | বুধবার, ডিসেম্বর 13, 2017 - টাকার চিন্তায় ডুবে থাকা মানুষই ফেসবুকে বেশি অ্যাক্টিভ:গবেষণা | বুধবার, ডিসেম্বর 13, 2017 - হোয়াটস অ্যাপে নতুন ফিচার,গ্রুপ থেকেই ব্যক্তিগত মেসেজ |
প্রথম পাতা / টেলিকম / মোবাইল অ্যাপস / মাছ চাষিরাও এখন মোবাইল অ্যাপ করবে
মাছ চাষিরাও এখন মোবাইল অ্যাপ করবে

মাছ চাষিরাও এখন মোবাইল অ্যাপ করবে

mobile-app

পুকুরে মাছ চাষ সহজ করা, দ্রুত সেবা প্রদান, সময়মতো তথ্য-উপাত্ত সহায়তা এবং চাষিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করতে বানানো হয়েছে মোবাইল অ্যাপ।

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ কামরুল ইসলাম এই অ্যাপ তৈরি করেছেন।

উপকূলীয় অঞ্চলের মাছ চাষে পরিবর্তন আনতে এটি কার্যকরী এবং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি মনে করেন।

কলাপাড়া উপজেলায় প্রায় ২৪ হাজার মাছচাষি ও পুকুরমালিক রয়েছেন।

তবে আধুনিক পদ্ধতিতে মাছ চাষে পুকুরমালিকেরা সেভাবে এগিয়ে আসছেন না।

ইদানীং সব পুকুর সাধারণ মাছ চাষের আওতায় এলেও পাঙাশ, তেলাপিয়া, কই ইত্যাদি মাছের চাষ কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।

মৎস্য অধিদপ্তরের ক্ষুদ্র লোকবল নিয়ে এত বিশাল সংখ্যক চাষির দেখভাল করা, প্রশিক্ষণ, পরামর্শ প্রদান ও সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা প্রায় অসম্ভব।

প্রান্তিক চাষিরা মাছ চাষের প্রায়োগিক প্রশিক্ষণের সুযোগ পাচ্ছেন না।

স্থানীয় পর্যায় থেকে অনুপযোগী বা ভুল পরামর্শ নিয়েও অনেকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

আবার চাষিদের মাছ চাষের পরামর্শ গ্রহণের জন্য উপজেলা সদরে মৎস্য অফিসে যেতে হয়।

এই বাস্তবতার কথা ভেবেই প্রযুক্তিনির্ভর এ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।


কলাপাড়া উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম ২০১৬ সালে অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্পের আওতায় ‘পাবলিক সার্ভিস ইনোভেশন’ বিষয়ে বরিশালে পাঁচ দিনের প্রশিক্ষণে অংশ নেন। সেখানে তিনি ‘নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব মৎস্য চাষে পরামর্শ সেবা সহজীকরণ’ শীর্ষক একটি ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন।

প্রাথমিকভাবে কলাপাড়া উপজেলার চাকামাইয়া ইউনিয়নের উত্তর চাকামইয়া গ্রামে পুকুরমালিক বা চাষিদের তথ্য সংগ্রহ করে পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করা হয়।

প্রাথমিক পর্যায়ে ৪৬০ জন চাষিকে নিয়ে প্রকল্পের অগ্রযাত্রা শুরু হয়।

বর্তমানে কলাপাড়া উপজেলার চাকামইয়া, টিয়াখালী, নীলগঞ্জ এবং ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের ১৯৭৪ জন চাষির ডেটাবেইস সংগ্রহ করা হয়েছে।

এই পরামর্শ সেবার আওতায় বাকি চাষিদের তথ্যাদি সংগ্রহের কাজ চলমান রয়েছে।

ডেটাবেইসে চাষির পুকুরের তথ্যাদি অর্থাৎ পুকুরের আয়তন, সংখ্যা, চাষের প্রজাতি ও মুঠোফোন নম্বর সংগ্রহ করা হয়েছে। চাষিকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া বা নজরদারির জন্য তৈরি করা এ মোবাইল অ্যাপ দিয়ে ‘মাছ চাষে খুদে বার্তা’ (এসএমএস) পাঠানো হয়ে থাকে।

এর ফলে চাষিদের পরামর্শের জন্য মৎস্য অফিসে যেতে হয় না।

কোনো কোনো চাষি খুদে বার্তায় সন্তুষ্ট না হলেই সে ক্ষেত্রে অফিসে আসার প্রয়োজন দেখা দেয়।

খুদে বার্তার মাধ্যমে নানা পরামর্শ দেওয়ার ফলে অনিয়মিত চাষিদের মাঝেও মাছ চাষে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top