শিরোনাম

বুধবার, ডিসেম্বর 13, 2017 - পোক ফিচারটি ফিরিয়ে আনছে ফেসবুক | বুধবার, ডিসেম্বর 13, 2017 - গ্রামীণফোনের প্যানেল আলোচনায় ডিজিটাল চট্টগ্রামের রূপরেখা | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - দেশের সবচেয়ে বড় গেমিং প্লাটফর্ম ‘মাইপ্লে’ চালু করলো রবি | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - রাজধানীতে টেকনোর আরও নতুন দুইটি ব্র্যান্ড শপের শুভ উদ্বোধন | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - বৃহস্পতিবার থেকে রাজধানীতে ল্যাপটপ মেলা | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - মোবাইল ইন্টারনেট গতিতে বাংলাদেশের অবস্থান ১২০তম | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - জরুরি সেবা ৯৯৯ এর উদ্বোধন করলেন জয় | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - নতুন অ্যাপ ‘ফাইলস গো’ চালু করেছে গুগল | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - বাজারে এলো শাওমির নতুন দুই ফোন | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - বিশ্ব বিখ্যাত পাঁচ রাঁধুনি রোবট |
ট্যাবলেট মেনিয়া

ট্যাবলেট মেনিয়া

তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে খুব দ্রুত বদলে যাচ্ছে কম্পিউটিং এর ধরন। এককালের চিরচেনা ডেস্কটপ পিসি’র যে রাজত্ব ছিলো প্রযুক্তি পণ্যের বাজারে, তার থেকে এখন প্রযুক্তি বাজার এখন সরে এসেছে বহনযোগ্য ডিভাইসে।

64-asia-teblet-pc

ল্যাপটপ, নোটবুক নেটবুক এর পর প্রযুক্তি বিশ্বে এখন রাজত্ব চলছে ট্যাবলেট পিসি’র। বলতে গেলে ট্যাবলেট পিসিই দখল করতে যাচ্ছে আগামী দিনের কম্পিউটিং এর সবকিছু। আর সে উদ্দেশ্যেই এখন টেক জাযান্টদের মনোযোগ ট্যাবলেট পিসি’র দিকে। অ্যাপলের আইপ্যাডের পর তারা ইতোমধ্যেই বাজারে নিয়ে এসেছে আইপ্যাডের দ্বিতীয় সংস্করণ আইপ্যাড ২। পাশাপাশি স্যামসাং, রিম, মটোরোলা মোবাইল, এমনকি মাইক্রোসফটের নজরও রয়েছে ট্যাবলেট পিসি’র দিকেই। সবমিলিয়ে বাজার দখল করতে এখন চলে আসছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ট্যাবলেটে। ট্যাবলেট পিসি’র সাতকাহন নিয়ে এই প্রতিবেদন।

ট্যাবলেট পিসি কী?
ট্যাবলেট পারসোনাল কম্পিউটার বলতে বুঝায় পোর্টেবল পারসোনাল কম্পিউটার যেটি টাচস্ক্রিন সমৃদ্ধ এবং এটি একটি ইনপুট ডিভাইস যা সাধারণত ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার হয়। এই জনপ্রিয় ধারণাটি ২০০১ সালে মাইক্রোসফট করপোরেশন মানুষের সামনে তুলে ধরেন। কিন্তু ট্যাবলেট পিসি বর্তমানে যে কোন সাইজের কম্পিউটার উপহার দিচ্ছে। এমনকি এটি মধ্যে উইন্ডোজ ব্যবহার না হলেও অন্যান্য পিসি অপারেটিং সিস্টেম প্রদান করছে। ট্যাবলেট পিসিতে ভারচুয়্যাল কী-বোর্ড ও হাতে লেখার ফাংশন সমৃদ্ধ। যেটি টাচ স্ক্রিন দ্বারা সম্ভব।
সকল ট্যাবলেট পারসোনাল কম্পিউটার এ আছে তারবিহীন এডাপ্টার ইন্টারনেটের জন্য এবং লোকাল নেটওয়ার্ক কানেকশন। ট্যাবলেট পিসির প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারগুলো এর মধ্যে দেওয়া থাকে। যেমন অফিস সুটস্, ওয়েব ব্রাউজার, গেম এবং অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারগুলো। তাছাড়া পোর্টেবল কম্পিউটার এর হার্ডওয়্যার ডিভাইসগুলো কম শক্তি সম্পন্ন হয়। এদের পিসি অ্যাপলিকেশনগুলো আদর্শবান ব্যবহার প্রদান করতে ততটা সামর্থ্য নয়।
বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান আইডিসি এবং পিপার জাফারে মনে করেন এবছর ৫০ মিলিয়ন ট্যাবলেট পিসি বিক্রি হবে। এদের মধ্যে অ্যাপল আইপ্যাড মার্কেটের সিংহভাগে রয়েছে। কিন্তু অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বিরাও একই পথে চলছে। আশা করা হচ্ছে তথ্যবহুল ট্যাবলেটগুলো বছরের শেষ দিকে বেশী চলবে। ব্যবসা গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইডিসি দৃঢ়ভাবে জানায়, এ বছর ৫০ মিলিয়ন ট্যাবলেট পিসি বাজারে যাবে। যেটা ২০১০ সালে ছিলো মাত্র ১৮ মিলিয়ন। আশা করা হচ্ছে ২০১২ সালে এর লক্ষ্যমাত্রা ৭৫ মিলিয়নে গিয়ে দাঁড়াবে। আইপ্যাড খুবই জনপ্রিয় কিন্তু প্রতিযোগীতার বাজারে অতুলনীয়। বছরের প্রথমার্ধে আইডিসি ধারণা দিয়েছিলো ১০.১ মিলিয়ন মিডিয়া ট্যাবলেট বিক্রির ব্যাপারে। কিন্তু ৪.৫ মিলিয়ন তারা বিক্রি করতে সক্ষম হয়। ট্যাবলেট মার্কেটের শতকরা ৭৩ভাগ বছরের চমুর্থাংশে বিক্রি হয়ে যায়। স্যামসাং সম্প্রতি মার্কেটে গ্যালাক্সি ট্যাব বিক্রি শুরু করেছে যেটি বর্তমানে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে। এটি মার্কেটের ১৭ শতাংশ বিক্রি হয়েছে।

গ্লোবাল নাম্বারস
টেলকো অপারেটরস এর হিসাব মতে, ১৪ শতাংশ মিডিয়া ট্যাবলেট বিক্রি হয়েছে ২০১০ সালের শেষার্ধে। গত বছর আমেরিকা বিশ্বের বৃহদাংশ ট্যাবলেট মার্কেটে বিক্রি করে। পশ্চিম ইউরোপ এবং এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে বিশেষ করে জাপানে দ্বিগুন হারে এর ব্যবহার শুরু হয়। ‘২০১০ সালে আমেরিকাতে ৪৭ শতাংশ বিক্রি বৃদ্ধি পায়। আর পশ্চিম ইউরোপে বৃদ্ধি পায় ৩০ শতাংশ। এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে ১৩ শতাংশ এর বাইরে জাপানে ১০ শতাংশ, কানাডা, ল্যাটিন আমেরিকাতে একই হারে পরিলক্ষিত হয়।’- মন্তব্য করেন আইডিপির ভাইস প্রেসিডেন্ট লরেন লভার্দে। তিনি আরো বলেন, আমরা আমাদের এই অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করতে নব উদ্যমে প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছ্ িকিন্তু আমরা সাধারণভাবে আশা করছি ২০১১ সালে ৫০ মিলিয়ন এবং ২০১২ সালে ৭৫ মিলিয়ন ট্যাবলেটের লক্ষ্যমাত্রা। যেটির আমেরিকার হিসাব মতে ৩৮ শতাংশ এবং ৩০ শতাংশ।

শক্তিশালী আইপ্যাড ২ চাহিদা:
মূল আইপ্যাড থেকে চিকন আইপ্যাড হলো এই আইপ্যঅড ২ যেটি দ্রুততর টিপস এবং ফ্রন্ট ও রেয়ার ক্যামেরা সমৃদ্ধ। এটি আমেরিকাতে সম্প্রতি রিলিজ হয়েছে। ২৫টি বিদেশী মার্কেটে ২৫ শে মার্চ ছাড়া হবে। বাকীগুলো বছরের শেষ দিকে প্রসার ঘটানো হবে। আইডিসি আশা ব্যবহার করছে। আর মিডিয়া ট্যাবলেট মোবাইল এর বিকল্প হিসাবেও কাজ করছে।

ট্যাবলেট কম্পিউটারস
অ্যাপলের দ্বিতীয় আবিস্কার হলো এই আইপ্যাড ট্যাবলেট কম্পিউটার। ৬০টি আলাদা মেনুফ্যাকচারিং কোম্পানী থেকে ১০০টিরও বেশী ট্যাবলেট ডিভাইস বের করা হয়। আর এ জন্য এক বছরের মধ্যে মূল আইপ্যাড মার্কেট থেকে শেষ হয়ে যায়। কোন সন্দেহ নেই যে, গত ১২ মাসে অ্যাপল ১৭ মিলিয়ন আইপ্যাড বিক্রি করেছে। আইপ্যাড ২ ঘোষণা করেছে গত ২ মার্চ। আর এটি মার্কেটে বিক্রি শুরু হয় ১১ মার্চ। গার্টনার একটি প্রবুভি গবেষণা ্রতিষ্ঠান ঘোষণা করেছে, ল্যাপটপের বিক্রি ২৫ শতাংশ থেকে কমে ১৫ শতাংশে দাঁড়াবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বিভিন্ন সাইজে ২০১১ সালে ৫০ মিলিয়ন ট্যাবলেট কম্পিউটার বিক্রি হবে। সর্বপ্রথম শুধুমাত্র ডেস্কটপ কম্পিউটার ছিলো। এরপর এলো ল্যাপটপ। পরের ভার্স হলো স্লিমার নোটবুক। অতিসম্প্রতি কম ওজনের নেটবুক মার্কেটে চলমান। আধুনিক ইন্টেল চিপস বর্তমানে অতিরিক্ত সার্কিট সুবিদা প্রদান করে যেটির কারণে সফটওয়্যারগুলো ব্যবহার সহজ হয়। সুতরাং ফলাফল হলো পোর্টেবল ডিভাইস গুলোর ব্যাটারীর জীবন খুবই ছোট হয়ে থাকে। শুধুমাত্র প্রোসেসর দ্বারা ট্যাবলেট পিসির গুণগত মান নির্ণয় করা যায় না। এক্ষেত্রে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের চাহিদানুযায়ী ট্যাবলেট কম্পিউটার এর অর্ডার দেয়। যে কারণে বর্তমানে এ পর্যায়ে আসতে সক্ষম হয়েছে। বর্তমানে মটোরোলা জুম আইপ্যাড ১০ইঞ্চি ডিসপ্লে দিচ্ছে এর দাম সাধারণত ৬৫ ডলার। পক্ষান্তরে ৫০ ডলার দাম ধরা হয়েছে ৭ ইঞ্চি ট্যাবলেট কম্পিউটারের জন্য। অধিকাংশ ট্যাবলেট কম্পিউটারে গুগলের ফ্রি অ্রানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। আর এক চতুর্থাংশ লাইসেন্স করা অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ফোন ৭ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। যেটি মাইক্রোসফট থেকে অনুমোদন নেওয়া। অ্যাপল তার মডেলগুলোতে প্রায় ৬০,০০০ প্রোগ্রাম সম্পৃক্ত করেছে। প্রত্যেককে বিশ্বাস করতে হবে যে, ট্যাবলেট কম্পিউটার ইতিহাস সৃষ্টি করতে চলেছে। সর্বমেষ তথ্যানুযায়ী জানা যায়, ৭ ইঞ্চি অ্যানড্রয়েড ট্যাবলেট কম্পিউটার সাধারণ ইলেকট্রনিক মার্কেটে ১৩৯ ডলারে বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতা এ দামে ক্রয় করতে রাগান্বিত হচ্ছে। আরো কিছু মডেল বাজারে আসছে যেগুলোর দাম আরো কম হবে। এ ধরনের কাস্টমারের মনের আশা হচ্ছে চীন যেন আইপ্যাডের ক্লোন তৈরি করে।

সেরা সব ট্যাবলেট পিসি – আইপ্যাডের প্রতিদ্বন্দ্বী
এটা হলো একটি সর্বোত্তম সময় ট্যাবলেট পিসির জন্য। এ বছর টাচ স্ক্রিন ট্যাবলেট এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময়। আইপ্যাড বর্তমানে ট্যাবলেট পিসির অন্যতম উপাদান। কিন্তু সবগুলো ব্যবহারকারীর জন্য ব্যবহার উপযোগী নয়। এদের মধ্যে অন্যতম ২০টি মডেলের বিবরণ প্রদান করা হলো।
১. স্যামসাং গ্যালাক্সি ট্যাব জিটি- পি-১০০০
রিভিউ: অ্রানড্রয়েড ২.২, ১ গিগাহার্জ/৩২গিগাহার্জ ৭ইঞ্চি ক্যাপাসিটি এলসিডি ১০২৪ বাই ৬০০, ৩.২ মেগাপিক্সেল রেয়ার ফেসিং ক্যামেরা, ১.৩ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা, ফোন কল ফ্রেন্ডলি থ্রিজি, ৩৮০ গ্রাম।

২. ভিউসনিক- ভিউপ্যাড ৭
রিভিউ: অ্যানড্রয়েড ২.২, কুয়ালকর এমএমএম ৭২২৭ ৬০০ মেগাহার্টজ সিপিইউ, ৫১২ এমবি র‌্যাম, ৫১২এমবি স্টোরেজ, ৭” ক্যাপাসিটিভ এলসিডি ৮০০বাই৪৮০, ৩ মেগাপিক্সেল রেয়ার ফেসিং ক্যামেরা, ভিজিএ ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা, ফোন কল ফ্রেন্ডলি থ্রিজি, ৩৭৫ গ্রাম।

৩. অ্যাডভেন্ট ভেগা
রিভিউ: অ্যানড্রয়েড ২.২, ১গিগাহার্জ এনভিডিয়া টেগরা সিপিইউ, ৫১২ এমবি র‌্যাম, ৫১২ এমবি স্টোরেজ, ক্যাপাসিটিভ এলসিডি ১০২৪বাই ৬০০, ১.৩ মেগাপিক্সেল রেয়ার ফেসিং ক্যামেরা, থ্রিজি নাই, ৭০০গ্রাম।

৪. এক্সোপিসি স্লেট
রিভিউ: ইন্টেল এপম এন ৪৫০, ১.৬৬ গিগাহার্জ সিপিইউ, ২জিবি র‌্যাম, ২৩জিবি/৬৫জিবি, ১১.৬ইঞ্চি ক্যাপাসিটিভ এলসিডি ১৩৬৬ বাই ৭৬৮, ১.৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা, ৯৫০ গ্রাম।

৫. ব্ল্যাকব্যারী প্লে-বুক
রিভিউ: ব্ল্যাকবেরী ট্যাবলেট ওএস (কিউএনএক্স), ১গিগাহার্জ কোরটেক্স এ৯ ডুয়েল কোর সিপিইউ, ১জিবি র‌্যাম, ৭ইঞ্চি ক্যাপাসিটিভ এলসিডি ১০২৪ বাই ৬০০, ৩ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা, ৫ মেগাপিক্সেল রেয়ার ফেসিং ক্যামেরা, ৪০০ গ্রাম।

৬. মটোরোলা জুম
রিভিউ: অ্যানড্রয়েড ৩.০, এনভিডিএ টেগরা ২ ডুয়েল কোর সিপিইউ, ১জিবি র‌্যাম, ৩২ জিবি ফ্ল্যাশ স্টোরেজ ১০.১ ইঞ্চি ক্যাপাসিটিভ এলসিডি ১২৮০ বাই ৮০০, প্রোক্সিমিটি সেন্সর, অ্রামবিয়েন্ট লাইট সেন্সর, ব্যারোমিটার, গেয়োমকোপ ৫ মেগাপিক্সেল রেয়ার ফেসিং ক্যামেরা, ২ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা, থ্রিজি, ৭৩০ গ্রাম।

৭. এইচপিসি ফ্ল্যায়ার
রিভিউ: অ্রানড্রয়েড ২.৩, ১.৫ মেগাহার্জ, সিঙ্গেলকোর ø্যাপড্রাগন, ১জিবি র‌্যাম, ৩২জিবি মেমোরী, ৭” ক্যাপাসিটিভ এলসিডি ১০২৪ বাই ৬০০, ৫ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা, ৩মেগাপিক্সেল ক্যামেরা, ফোন কল ফ্রেন্ডলি থ্রিজি, ৪১৫ গ্রাম।

৮. এলজি অপটিমাস প্যাড
রিভিউ: অ্যানড্রয়েড ৩.০, ১ গিগাহার্জ টেগরা ২ সিপিইউ ১ জিবি র‌্যাম, ৩২ জিবি স্টোরেজ, ৮.৯ইঞ্চি ক্যাপাসিটিভ স্ক্রিন ১০২৪ বাই ৭৬৪, ৫ মেগাপিক্সেল রেয়ার ফেসিং ক্যামেরা থ্রিডি ক্যাপচার, ২ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা, বন্ধুসুলভ থ্রিজি ফোন, ৬৩০ গ্রাম।

৯. স্যামসাং গ্যালাক্সি ট্যাব ১০.১ পি ৭১০০
রিভিউ: অ্যানড্রয়েড ৩.০, ১ গিগাহার্জ ডুয়েল কোর, সিপিইউ, ১ জিবি র‌্যাম, ১৬জিবি/৩২জিবি স্টোরেজ, ১০.১ ইঞ্চি ক্যাপাসিটি স্ক্রিন ১২৮০ বাই ৮০০ (ডব্লিউএক্সজিএ), ৮মেগাপিক্সেল রেয়ার ফেসিং ক্যামেরা এলইডি ফ্ল্যাশ, ২ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা, থ্রিজি, ৫৯৯গ্রাম।

১০. এইচপি টাচ প্যাড
রিভিউ: ওয়েব অপারেটিং সিস্টেম, ৩.০, ১.২গিগাহার্জ ডুয়েল কোর ø্যাপড্রাগন সিপিইউ, ১জিবি র‌্যাম, ১৬ জিবি/৩২জিবি স্টোরেজ, ৯.৭ইঞ্চি ক্যঅপাসিটিভ স্ক্রিন ১০২৪ বাই ৭৬৮, ১.৩ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা, ৭৪০ গ্রাম।

১১. নোশন ইনক অ্যাডাম ট্যাবলেট
রিভিউ: অ্রানড্রয়েড ২.৩, এনভিডিয়া টেগরা ২৫০ এমএলসি, ১০.১ইঞ্চি ক্যাপাসিটিভ ডিসপ্লে ১০২৪ বাই ৬০০ অতিরিক্ত কিউআই ডিসপ্লে, ৩.২ মেগাপিক্সেল, সুইডেন ক্যামেরা, থ্রিজি, ২টি ইউএসবি, অ্রামবিয়েন্ট লাইট সেন্সর, কম্প্যাস ৭২৬গ্রাম।

১২. আসুস ই-প্যাড মেমো
রিভিউ: অ্যানড্রয়েড ৩.০ কুয়ালকম ø্যাপড্রাগন ১.২ গিগাহার্জ সিপিইউ, ৫১২ মেগাবাইট র‌্যাম, ৭ইঞ্চি কঅপাসিটিভ ডিসপ্লে, ৬৪ জিবি ফ্ল্যাশ স্টোরেজ, রেয়ার ফেসিং ক্যামেরা, ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা, মিনি এইচডিএমআই আউট।

১৩. আসুস ই-প্যাড স্লাইডার
রিভিউ: অ্যানড্রয়েড ৩.০ এনভিডিয়া টেগরা ২ ডুয়েল কোর সিপিইউ, স্লাইড আউট কী-বোর্ড, ১০.১ইঞ্চি ক্যাপাসিটিভ ডিসপ্লে ১২৮০ বাই ৮০০, কার্ড রিডার, এইচডিএমআই আউট, রেয়ার ফেসিং ক্যামেরা, ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা।

১৪. আসুস ইপ্যাড ট্রান্সফর্মার
রিভিউ: অ্রানড্রয়েড ৩.০, এনভিডিয়া টেগরা ২ ডুয়েল কোর সিপিইউ, ১০.১ ইঞ্চি ক্যাপাসিটিভ ডিসপ্লে ১২৮০ বাই ৮০০, ফুল সাইজ কী-বোর্ড ডক, কার্ড রিডার, এইচডিএমআই আউট, রেয়ার ফেসিং ক্যামেরা, ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা।

১৫. এসার আইকোনিয়া ট্যাব এ ৫০০
রিভিউ: অ্যানড্রয়েড ৩.০ এনভিডিয়া টেগরা- ২, ডুয়েল কোর সিপিইউ, ১জিবি র‌্যাম, ১০.১ ক্যাপাসিটিভ স্ক্রিন, ৫ মেগাপিক্সেল রেয়ার ফেসিং ক্যামেরা, থ্রিজি।

১৬. এসার আইকোনিয়া ট্যাব এ১০০

রিভিউ: অ্যানড্রয়েড ৩.০, এনভিডিয়া টেগরা ২, ৫ মেগাপিক্সেল রেয়ার ফেসিং ক্যামেরা, ২ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা, থ্রিজি।

১৭. ভিউসনিক- ভিউপ্যাড ১০এম
রিভিউ: অ্যানড্রয়েড ২.২, এনভিডিয়া টেগরা ২, করটেক্স এন, ৫১২ মেগাবাইট র‌্যাম, ১৬ জিবি ফ্ল্যাশ মেমোরী, ১০.১ ইঞ্চি ক্যাপাসিটিভ এলসিডি ১০২৪ বাই ৬০০।

১৮. ডেল স্ট্রিক ৭, ডেল স্ট্রিক ১০
রিভিউ: অ্যানড্রয়েড ২.২, ৭ইঞ্চি ক্যাপাসিটিভ ডিসপ্লে, ১.৩মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা, ১৬ জিবি স্টোরেজ।

সবশেষ বলা বাহুল্য যে, প্রযুক্তির অন্যতম আশীর্বাদ এই ট্যাবলেট কম্পিউটার মানুষের নানাবিধ কাজে ব্যবহার হবে। বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রায় মানুষ এর দ্বারা প্রভূত উপকার পাবে। এটির ব্যঅপক প্রচার ও পসারের মাধ্যমে মানুষ এ সংক্রান্ত জ্ঞান অর্জন করতে সক্ষম হবে।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top