শিরোনাম

মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - বন্ধ হচ্ছে উইকিপিডিয়ার ডেটা ছাড়া তথ্যসেবা | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - বাজারে এলো সিউ কম্প্যাক্ট ডেস্কটপ নেটওয়ার্ক লেবেল প্রিন্টার | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - জুতা পরে হাঁটলেই চার্জ হবে ফোন | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - নতুন সংস্করণে আসুসের গেইমিং ল্যাপটপ | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - টাটা নিয়ে আসছে ড্রাইভারলেস গাড়ি | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - চার মোবাইল অপারেটর পেল ফোরজি লাইসেন্স | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - স্যামসাংয়ের ক্ষতির কারন আইফোন ১০ | সোমবার, ফেব্রুয়ারী 19, 2018 - নতুন কনফিগারেশনে আসছে নোকিয়া ৬ | সোমবার, ফেব্রুয়ারী 19, 2018 - স্যামসাং গ্যালাক্সি জে২ এলো ফোর-জি রূপে | সোমবার, ফেব্রুয়ারী 19, 2018 - এখনই ফোরজি সেবা পাবেনা টেলিটক গ্রাহকরা |
প্রথম পাতা / সাইবার ক্রাইম / বিশ্বের দুই-তৃতীয়াংশ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী সাইবার অপরাধের শিকার

বিশ্বের দুই-তৃতীয়াংশ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী সাইবার অপরাধের শিকার

বিশ্বে প্রতিদিনই যেমন কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ছে, তার সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সাইবার অপরাধও। সম্প্রতি কম্পিউটার নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান সিম্যানটেক জানিয়েছে, পৃথিবীর দুই তৃতীয়াংশ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীই কোন না কোনভাবে সাইবার অপরাধের শিকার হন। আর এর মধ্যে স্বল্পসংখ্যক ব্যবহারকারীই কেবল মনে করেন যে, এই আপদ থেকে একদিন তাদের মুক্তি ঘটবে। দেশের হিসেব করলে পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশী সাইবার অপরাধীদের শিকারে পরিণত হন চীনের মানুষ-জন। সেখানে একশো জনে প্রায় ৮৩ জনই কোন না কোনভাবে কম্পিউটার ভাইরাসের শিকার। তারা যেসমস্ত সমস্যায় পড়েন তার মধ্যে আরো রয়েছে পরিচয় চুরি কিম্বা পাসওয়ার্ড চুরি। রয়েছে আরো নানান বিচিত্র ধরণের সাইবার যন্¿ণা। নর্টনের এক সাইবার অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, চীনের ঠিক পেছনেই ৭৬ শতাংশ নম্বর পেয়ে জোড়া বেঁধে রয়েছে ব্রাজিল আর ভারত. আর তাদের পেছনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেদেশের ১০০ জনে ৭৩ জন মানুষই সাইবার অপরাধের শিকার হন। কে চায় এই যন্¿ণা পোহাতে! কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এর প্রতিকারের বিষয়টি বেশ জটিল। জানা গেছে, দু-একজনের অভিযোগ হলে বিষয়টি পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কর্মীরা একেবারে কানেই তোলে না। যদি ঢালাও ভাবে অনেকের অভিযোগ একসাথে পুলিশের কাছে আসে, কেবল তখনই তাদের টনক নড়তে দেখা যায়। নর্টনের সাইবার অপরাধ বিষয়ক উপদেষ্টা অ্যাডাম পামারের বরাতে জানা গেছে, এই সাইবার অপরাধীরা এক দারুণ চালু গোছের জিনিস! তারা নিজেদের আড়াল করতে একেবারে দাঁও মারার বদলে সারাক্ষণই ছোটখাট টুকিটাকি অপরাধ করে বেড়ায়। ফলে তাদের সহজে ধরা ছোঁয়া যায় না। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, সাইবার অপরাধের এই বিন্দু বিন্দু জলই একসাথে জড়ো করলে পর অপরাধের সাগর সৃষ্টি হয়। এই সংকট এখন পৃথিবীময় সব কম্পিউটার ব্যবহারকারীর জন্যই এক ভয়াবহ মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু ঘটনা হচ্ছে, অধিকাংশ কম্পিউটার ব্যবহারকারীই এসব সাইবার অপরাধ ঠেকানোর জন্য কোনকিছু করা বেশ ঝামেলা বলেই মনে করেন। এক্ষেত্রে তাদের এসম্পর্কে পুরোপুরি ধারণা না থাকাটাও এসব সাইবার অপরাধীদের বাড় বেড়ে যাওয়ার একটি অন্যতম কারণ। জানা গেছে, কানেক্টসেফলি-ডট-অর্গ নামের একটি মার্কিন সংস্থা সম্প্রতি নর্টনের সঙ্গে মিলে এক গবেষণা চালিয়েছিল। তাদের ভাষ্য হচ্ছে, সাইবার অপরাধ ঠেকানোর বিষয়টি সম্পর্কে যদি মানুষ-জনের মধ্যে খানিক সচেতনতা বাড়ে, সেক্ষেত্রে এইসব ছিঁচকে সাইবার চোরের চুরি ঠেকানোটা কোন বিষয়ই নয়! ফু দিলেই উড়ে যাবে তারা। এর জন্য কেবল প্রত্যেকের কম্পিউটারে জায়গামতন নিরাপত্তার বিষয়টি রাখতে হবে আর সেটিকে সময়ানুগ ও সচল রাখতে হবে। কথায় আছে না সময়ের এক ফোঁড় আর অসময়ের দশ ফোঁড়!

তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বায়নের যুগে প্রযুক্তির সেবা মানুষের দ্বারগোড়ায় পৌঁছে দিতে প্রধানতম একটি মাধ্যম হচ্ছে ইন্টারনেট। বর্তমানে শিক্ষা, গবেষণা, ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনোদন, যোগাযোগ, গণমাধ্যম, ব্যক্তিগত যোগাযোগ, চিকিত্সাসহ আমাদের সমাজ জীবনের এমন কোন ক্ষেত্র নেই যেখানে ইন্টারনেটের ব্যবহার অনুপস্থিত। ইন্টারনেট ব্যবস্থার ফলে গোটা বিশ্ব এখন মানুষের হাতের মুঠোয়। ‘গ্লোবাল ভিলেজ’ খ্যাত যে ধারণা আমরা পোষণ করে থাকি তা সম্ভব হয়েছে ইন্টারনেট সুবিধার ফলে। বিশ্বে বর্তমানে ইন্টারনেট প্রযুক্তির জয়জয়কার অবস্থা। ইন্টারনেটে প্রাপ্ত সুযোগ-সুবিধা এবং এর বহুমুখী ব্যবহারের ফলে প্রতিনিয়তই বাড়ছে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা। বিশ্ব নেতৃবৃন্দ যেখানে তথ্যপ্রযুক্তিকে দিনবদলের অন্যতম অনুষঙ্গ হিসেবে বিবেচনা করছেন সেখানেও ইন্টারনেটের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। যেকোন প্রযুক্তির ব্যবহার উপযোগীতাই তার চাহিদা তৈরি করে। এক্ষেত্রে ইন্টারনেটের নানারকম ব্যবহারিক সুবিধার ফলে সর্বত্রই এর চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। দৈনন্দিন জীবনে তথ্যপ্রযুক্তি ও ইন্টারনেট নির্ভরশীলতা বাড়ার সাথে সাথে ইন্টারনেট ব্যবহারের ভাল ও মন্দ দুটো দিকই সমাজে লক্ষ্যনীয়। বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তিকে কেন্দ  করে বিশ্বব্যাপী আলোচিত একটি ইস্যু হচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের নিরাপত্তা। বিশ্বব্যাপী সাইবার অপরাধ বেড়ে যাওয়ায় তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা আইটি ভিত্তিক নিরাপত্তা জোরদার করতে নানারকম উদ্যোগ ও আপনার তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর জীবনকে নিরাপদ করতে বিভিন্ন টিপস্ প্রদান করছেন। ইন্টারনেটের কোটি কোটি ব্যবহারকারীর মধ্যে চ্যাট, গেম, মিউজিক ডাউনলোড, গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্যের সমাবেশ, ব্যক্তিগত যোগাযোগ, শিক্ষা-গবেষণা, বাণিজ্যসহ নানা কার্যক্রমের সমন্বয়ে বর্তমানে ইন্টারনেট শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে বিশ্ব স্বীকৃত। সবদিক বিবেচনায় ইন্টারনেট বর্তমানে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। যদিও ইন্টারনেট খুবই উপকারী একটি মাধ্যম হিসেবে সর্বজনবিদিত পাশাপাশি কম্পিউটার ও ইন্টারনেটে রক্ষিত ব্যক্তিগত ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহও রয়েছে সর্বদা হুমকির মুখে। তাই কম্পিউটার-ইন্টারনেটকে কেন্দ  করে সাইবার নিরপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচিত হচ্ছে। ইন্টারনেট সংযুক্ত কম্পিউটারে ঝুঁকির মাত্রা রয়েছে অধিক। তবে ঝুঁকির মাত্রা সাধারণত সুরক্ষিত ইন্টারনেট ব্যবস্থা ও নিরাপদ ইন্টারনেট ব্রাউজিং-এর উপর অনেকটাই নির্ভর করে থাকে। ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর কিছু কলাকৌশল জানলে আপনি যেমন সাইবার ঝুঁকির থেকে অনেক বেশি নিরাপদ থাকবেন তেমনি ব্রাউজিং এর খুঁটিনাটি বিষয়গুলো সম্পর্কে অজ্ঞতার ফলে আপনি প্রতিনিয়তই ঝুঁকির মধ্যে সামিল হবেন। আপনি মানে আপনার কম্পিউটার, কম্পিউটারে রক্ষিত বিভিন্ন তথ্য সর্বোপরি আপনার অনলাইন নিরাপত্তা। নিরাপদ ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর কলাকৌশল না জেনে অজ্ঞতা নিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করলে ম্যালওয়ার আক্রমণে আপনার সিস্টেম ঝুঁকির মধ্যে পড়বে এবং খুব সহজেই তা হ্যাকারের টার্গেটে পরিণত হতে পারে।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top