শিরোনাম

বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 18, 2018 - ওয়ান প্লাসের নতুন পাওয়ার ব্যাংক | বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 18, 2018 - স্প্যাম মেসেজ ঠেকাতে হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচার | বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 18, 2018 - যাত্রা শুরু করলো ওয়ালটনের কম্পিউটার কারখানা | বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 18, 2018 - নতুন স্মার্টফোন আনল হুয়াওয়ে অনার | বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 18, 2018 - স্বল্প মূল্যের গ্যালাক্সি সিরিজের ফোন ‘অন৭ প্রাইম’ | বুধবার, জানুয়ারী 17, 2018 - একত্রে কাজ করবে এটুআই এবং একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প | বুধবার, জানুয়ারী 17, 2018 - ল্যাপটপের সঙ্গে রাউটার ফ্রি! | বুধবার, জানুয়ারী 17, 2018 - ‘অপো এশিয়ায় সর্বাধিক বিক্রীত স্মার্টফোন’ | বুধবার, জানুয়ারী 17, 2018 - চীনে চালু হচ্ছে গুগলের এআই ল্যাব | বুধবার, জানুয়ারী 17, 2018 - বৈদ্যুতিক গাড়িতে ১১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগে ফোর্ডের আগ্রহ প্রকাশ |
প্রথম পাতা / ইন্টারভিউ / মেধা সত্ত্ব অস্বীকার করে ডিজিটাল বাংলাদেশ সম্ভব নয়!
মেধা সত্ত্ব অস্বীকার করে ডিজিটাল বাংলাদেশ সম্ভব নয়!

মেধা সত্ত্ব অস্বীকার করে ডিজিটাল বাংলাদেশ সম্ভব নয়!

fahimফাহিম তানভীর আহমেদ ;ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ক্রসওয়েস আইটি লিমিটেড
সফটওয়্যারের ব্যবহার মূলত দুই ধরনের। একটি পার্সোনাল ইউসেজ এবং অন্যটি এন্টারপ্রাইজ বা অর্গানাইজেশনাল ইউসেজ। এই দুটি ক্ষেত্রে গত ১০ বছরে ব্যাপকহারে পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার হচ্ছে। তবে ইআরপি সফটওয়্যার ব্যবহারের দিক থেকে এ দেশের কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো অনেক সচেতন হতে শুরু করেছে। এছাড়া ব্যাংক, ক্রেডিটকার্ড এবং অন্যান্য নিরাপত্তার প্রয়োজনে সফটওয়্যার ব্যবহারে সচেতনতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, পার্সোনাল ক¤িপউটিং এর ক্ষেত্রে এখনো পাইরেটেড সফটওয়্যার একরকম ন্যাচারাল চয়েস। ব্যাক্তি পর্যায়ে যেমনি ঠিক
তেমনি বাংলাদেশের বেশীর ভাগ এন্টারপ্রাইজ বা অর্গানাইজেশনের চিত্রও অনেকটা একই রকম সেটা ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান হোক বা হোক অন্য কোন প্রতিষ্ঠান। এদিকে পার্সোনাল ক¤িপউটারে লাইসেন্স সফটওয়্যার ব্যবহারের দুটি চ্যালেঞ্জ রয়েছে। একটি হচ্ছে, আমাদের একটি এমন মাইন্ডসেট যে ক¤িপউটার কিনলে এর সাথে সকল সফটওয়্যার এমনি এমনি থাকা উচিৎ। মেধা সত্ত্ব বলে যে একটি কনসেপ্ট আছে, সে স¤পর্কে জাতিগত ভাবেই আমাদের কোন ধারণা নেই । ফলে ৫০ ডলারের একটি বই যখন নীলক্ষেতে পাওয়া যায় তখন সেটার মূল্য হয়ে যায় ৫০ টাকা। কারণ এখানে ইচ্ছেমত কপিরাইট আইন ভঙ্গ করে অন্যের বই পাবলিশ করলেও আদতে তা নিয়ে কারও কোন মাথা ব্যথা হয় না। একইভাবে মাইক্রোসফটের সফটওয়্যার (সার্ভিস) আমরা ৫০ টাকার সিডিতে কিনতে অভ্যস্ত। এটা নিয়েও মাথা ব্যথা করার কেউ নেই। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশে এ ক্ষেত্রে আইন আছে কিন্তু তার সঠিক প্রয়োগ হচ্ছে না বলে আমরা চুরি করে পার পেয়ে যাচ্ছি। অথচ এটাকে আমরা অপরাধও মনে করছি না। ফলে আমরা নকলের জোয়ারে ভাসছি। খেতাব পাচ্ছি বিশ্বের সেরা চোরদের তালিকায়। পাইরেটেড সফটওয়্যারের ওপর আমাদের এই ভাসমান থাকার বিষয়টি পৃথিবীর মানুষ ভাল চোখে দেখছে না। পাইরেটেড সফটওয়্যারের ব্যাপারে ব্যবস্থা না নিলে আমাদের দেশের জন্যও তা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। আমরা কিছু উদ্ভাবন করলে তা নকল হবে কিন্তু এর জন্য কোন ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। বাংলাদেশের মানুষ এখন অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার টাকা দিয়ে কেনে। সে ক্ষেত্রে মাইক্রোসফটের সফটওয়্যার ২০০ টাকায় বিক্রি করলে মানুষ আর ৫০ টাকা দিয়ে পাইরেটেড সফটওয়্যার কিনবে না। মাইক্রোসফটকে ডেকে এ ব্যাপারে উদ্যোগ নিতে বলতে হবে এবং তাদেরকে বুঝাতে হবে হাইভ্যালু না রেখে ভলিউম বাড়াতে হবে। এরপর সরকার পলিসি মার্কেট প্রস্তুত করে দেবে এবং মাইক্রোসফট তা বাস্তবায়ন করবে। দেশ থেকে পাইরেটেড সফটওয়্যার মুক্ত করতে সরকারের উচিৎ হবে ইনসেন্টিভ ঘোষণা করা। ক্রেতাদের সচেতন করে তুলতে সফটওয়্যার কো¤পানি এবং সরকারকে ক্যা¤েপইন করতে হবে। একদিকে যেমন ইনসেন্টিভ দিতে হবে অন্যদিকে কেউ এর লঙ্ঘন করলে তার ব্যাপারে স্টিক হতে হবে। আমার মনে হয়, বাংলাদেশে এক সময় এসে পাইরেটেড সফটওয়্যার আর থাকবে না। যখনই কেউ তার সফটওয়্যার আপডেট দেবে তখনই আনঅথরাইজড হলে তাকে ব্লক করে দেবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান। তখন বিশেষ করে ব্যবসায়ীরা যত টাকাই প্রয়োজন হোক না কেন লাইসেন্স সফটওয়্যার নিতে বাধ্য হবে এবং কিনবে। এভাবেই সম্ভব আইটির মত মেধা ভিত্তিক একটি শিল্পের সত্যিকার প্রসার। মেধাসত্ত কে সম্মান না করা পর্যন্ত মেধাভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলা সম্ভব নয় ।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top