শিরোনাম

বুধবার, ডিসেম্বর 7, 2016 - বিয়ে উপলক্ষে স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স পণ্যে অফার | বুধবার, ডিসেম্বর 7, 2016 - স্টিভ জবসের নামে নামকরণ ও কর ফাঁকির অভিযোগ | বুধবার, ডিসেম্বর 7, 2016 - মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বগাথা নিয়ে গ্রামীণফোনের ডিজিটাল ভিডিও তথ্যভান্ডার | বুধবার, ডিসেম্বর 7, 2016 - বাগডুম ডটকম এর গ্রাহকদের মোবাইল পেমেন্ট সুবিধা দিবে শিওরক্যাশ   | বুধবার, ডিসেম্বর 7, 2016 - ২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আওয়ার অফ কোড | বুধবার, ডিসেম্বর 7, 2016 - প্রথম বারের মত অ্যাপিকটা মেরিট অ্যাওয়ার্ড-২০১৬ সম্মাননা পেল বাংলাদেশ | বুধবার, ডিসেম্বর 7, 2016 - ব্র্যানোতে শুরু হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের বই মেলা এবং কুইজ প্রতিযোগিতা | বুধবার, ডিসেম্বর 7, 2016 - রবি ও এটুআই’র মধ্যে সমঝোতা চুক্তি সই | বুধবার, ডিসেম্বর 7, 2016 - ২০১৭ সালে বাংলাদেশেই অনুষ্ঠিত হবে অ্যাপিকটা অ্যাওয়ার্ড | বুধবার, ডিসেম্বর 7, 2016 - দেশের বাজারে নতুন স্মার্টফোন ইনফিনিক্স এর যাত্রা শুরু |
প্রথম পাতা / অর্থনীতি / ভোগ্যপণ্যের হিসেবে পরবর্তী উদীয়মান বাজার বাংলাদেশ
ভোগ্যপণ্যের হিসেবে পরবর্তী উদীয়মান বাজার বাংলাদেশ

ভোগ্যপণ্যের হিসেবে পরবর্তী উদীয়মান বাজার বাংলাদেশ

bcg-sdasia

‘বাংলাদেশ: দ্য সার্জিং কনজ্যুমার মার্কেট নোবডি স’ কামিং’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল বোস্টন কনসাল্টিং গ্রুপের (বিসিজি) সেন্টার ফর কাস্টমার ইনসাইট। গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে গার্ডেনিয়া গ্র্যান্ড হলে এক অনুষ্ঠানে এ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে বিসিজি। বিসিজি বিজনেস স্ট্র্যাটেজির ওপর বিশ্বের নেতৃস্থানীয় কনসালট্যান্সি ফার্ম। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে এসডি এশিয়া।

বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দেশ যেখানে ব্যবসার সুযোগ ক্রমবর্ধমান হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখানে ভোক্তার সংখ্যাও বেড়ে যাচ্ছে সমানতালে। বাংলাদেশে প্রতিবছর ২০ লাখ মানুষ মধ্যম আয়ে উত্তীর্ণ হচ্ছে ও ধনী ভোক্তার সংখ্যা বাড়ছে। যারা ভবিষ্যতের ব্যাপারে খুবই আশাবাদী, বিদেশি ব্র্যান্ডকে মূল্য দেয় ও প্রযুক্তিগত সব সুবিধা পাওয়ার ব্যাপারে ইচ্ছুক।

বিসিজি’র সেন্টার ফর কাস্টমার ইনসাইট ২ হাজারের বেশি বাংলাদেশি ভোক্তার ওপর জরিপ করে এবং তাদের ভোগের ধরণ সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ ও গবেষণা করে এ গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

বিসিজি’র সহযোগী ও এ গবেষণা প্রতিবেদনের সহ রচয়িতা জারিফ মুনির বলেন, বাংলাদেশের বাজার এশিয়ার অন্যান্য দেশের বাজারগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রবাহশীল। কিন্তু এ বাজার এখন পর্যন্ত বেশিরভাগ ভোগ্যপণ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর নজরে আসেনি। তিনি আরও বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠান এ বাজারে অবস্থান নিতে আসবে তারা একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রতিযোগিতামূলক বাজার সৃষ্টির সুযোগ পাবেন।

গবেষণা প্রতিবেদনটি বাংলাদেশের মধ্য ও উচ্চবিত্তের ওপর পরিচালিত। বিসিজি’র তথ্য অনুযায়ী যাদের বার্ষিক পারিবারিক আয় ৫ হাজার বা তারও বেশি ইউএস ডলার তাদেরকেই মধ্য ও উচ্চবিত্ত হিসেবে ধরা হয়েছে। তার মানে এ ভোক্তা শ্রেণির স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ও আরামদায়ক পণ্য ক্রয়ের সামর্থ রয়েছে। যেমন এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে- শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, আমদানিকৃত শ্যাম্পু ও অন্যান্য প্রসাধন সামগ্রী।

যদিও বাংলাদেশের মোট ১৬ কোটি জনসংখ্যার শতকরা মাত্র ৭ ভাগ মানুষ উচ্চ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণিতে বিদ্যমান। কিন্তু এক দশকের স্থিতিশীল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কারণে এ সংখ্যা প্রতিনিয়তই বাড়ছে। জনসংখ্যার মধ্যে কর্মজীবী মানুষের সংখ্যা বাড়ছে যা অর্থনীতিকে শক্তিশালী, ঊর্ধ্বমুখী ও গতিশীল করছে। ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশের মধ্য ও উচ্চবিত্ত মানুষের সংখ্যা তিনগুণ হয়ে ৩৪ মিলিয়ন হবে

বিসিজি’র সহযোগী ও এ গবেষণা প্রতিবেদনের আরেক সহ রচয়িতা অলিভিয়ের মিউয়েল স্টাইন বলেন, বিসিজি’র এই গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশি ক্রমবর্ধমান ভোক্তা শ্রেণি দামী ব্র্যান্ডের পণ্য ও সেবা নিতে ইচ্ছুক কিন্তু একইসাথে তারা বাজেট নিয়ে সচেতন। বাংলাদেশি ভোক্তাদের মন জয়ের জন্য ভোগ্যপণ্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে টাকার বিপরীতে পণ্য সেবা শক্তিশালী করতে হবে।

এছাড়াও বিসিজি’র এই গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশের বাজারে সফল হতে হলে তাদের এ দেশের নিজস্ব স্বাতন্ত্র্য ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় রাখতে হবে। বাংলাদেশিরা এশিয়ার সম্প্রসারণশীল ও বৃহৎ অন্যান্য বাজারের তুলনায় নিত্য প্রয়োজনীয় গৃহস্থালি পণ্যের ওপর জোর দেয়। উদাহরণস্বরূপ- গৃহস্থালি পণ্য কেনার ক্ষেত্রে আধুনিক মাধ্যম যেমন- সুপার মার্কেট ও চেইন শপ থেকে কেনার চেয়ে প্রথাগত পদ্ধতিতে তারা নগদ অর্থ ব্যয় করে ।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top