ঢাকা | রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১ |
৩৩ °সে
|
বাংলা কনভার্টার
walton

কানাডায় কর্মসংস্থান বাড়ছে,চলবে ২০২৪ সাল পর্যন্ত

কানাডায় কর্মসংস্থান বাড়ছে,চলবে ২০২৪ সাল পর্যন্ত
কানাডায় কর্মসংস্থান বাড়ছে,চলবে ২০২৪ সাল পর্যন্ত

কানাডার অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাস ছিল, ডিসেম্বরে দেশটিতে পাঁচ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। শেষমেশ হয়েছে ৭০ হাজার। আর জানুয়ারিতে নতুন কর্মসংস্থান হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার। ব্লুমবার্গের জরিপের পূর্বাভাসের চেয়ে তা ১০ গুণ বেশি। অর্থাৎ দেশটিতে অর্থনীতি গতি পাচ্ছে। সেই সঙ্গে অভিবাসনের দরজা খুলে দিয়েছে দেশটি। গত বছর থেকে যা শুরু হয়েছে চলবে ২০২৪ সাল পর্যন্ত।

এদিকে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো আবারও বিদেশি শিক্ষার্থী, ঠিকা শ্রমিক ও অভিবাসীদের জন্য দেশের দরজা খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ইকোনমিক টাইমসের সংবাদে বলা হয়েছে, এতে দেশটিতে কর্মসংস্থানের হার বেড়েছে।

কানাডার পরিসংখ্যান মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুসারে, দেশটির বেকারত্বের হার রেকর্ড নিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে ৫ শতাংশে।

সব মিলিয়ে গত সেপ্টেম্বর থেকে কানাডায় ৩ লাখ ২৬ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। কানাডায় এখন কর্মরত মানুষের সংখ্যা এই প্রথম দুই কোটি ছাড়িয়েছে। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকও অর্থনীতি নিয়ে খারাপ খবর দিচ্ছে না।

অভিবাসীদের কারণে কানাডার জনসংখ্যা বাড়ছে। এক জরিপে দেখা গেছে, ছাত্র ও ঠিকা শ্রমিকেরাও ভালো কাজের সুযোগ পাচ্ছেন।

পণ্য উৎপাদন খাতে কর্মসংস্থান বেড়েছে ২৪ হাজার, তা–ও আবার মূলত নির্মাণ খাতে। সেবা খাতে নতুন কর্মসংস্থান হয়েছে ১ লাখ ২৪ হাজার ৭০০। খুচরা, পাইকারি, স্বাস্থ্য সেবা ও সামাজিক সহায়তা খাতে সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান হয়েছে।

কানাডা মূলত যুক্তরাষ্ট্রের পথে হাঁটছে। উভয় দেশই মন্দার আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছে। গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রে অকৃষি খাতে কর্মসংস্থান বেড়েছে ৫ লাখ ১৭ হাজার। বেকারত্বের হার ৩ দশমিক ৪ শতাংশে নেমে এসেছে, যা ১৯৬৯ সালের মে মাসের পর সর্বনিম্ন। ঘণ্টাপ্রতি গড় মজুরিও বেড়েছে।

জানুয়ারিতে কানাডার ঘণ্টাপ্রতি মজুরি বেড়েছে ৪ দশমিক ৫ শতাংশ। ডিসেম্বরে বেড়েছিল ৪ দশমিক ৮ শতাংশ।

কানাডিয়ান ইমিগ্রেশন নিউজ ওয়েবসাইট সিআইসি নিউজ জানিয়েছে, দেশটির বেবি বুমার প্রজন্মের ৯০ লাখ কর্মজীবী এই দশকে অবসরের বয়সে পৌঁছে যাবে। এ ছাড়া দেশটির প্রজনন হার ২০২০ সালে রেকর্ড পরিমাণে কমেছে। দেশটিতে নারীদের গড় প্রজনন হার ১ দশমিক ৪ শতাংশ। শ্রম শক্তি জরিপ অনুসারে, দেশটিতে কয়েক লাখ পদ শূন্য আছে।

এই পরিস্থিতিতে কানাডা স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে দেশের বাইরে থেকে ২০২২ সালে ৪ লাখ ৩০ হাজার মানুষকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। এ ছাড়া ২০২৪ সালে সাড়ে চার লাখের বেশি অভিবাসীকে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা আছে তাদের।

পণ্য উৎপাদন খাতে কর্মসংস্থান বেড়েছে ২৪ হাজার, তা–ও আবার মূলত নির্মাণ খাতে। সেবা খাতে নতুন কর্মসংস্থান হয়েছে ১ লাখ ২৪ হাজার ৭০০। খুচরা, পাইকারি, স্বাস্থ্য সেবা ও সামাজিক সহায়তা খাতে সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান হয়েছে।

কানাডা মূলত যুক্তরাষ্ট্রের পথে হাঁটছে। উভয় দেশই মন্দার আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছে। গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রে অকৃষি খাতে কর্মসংস্থান বেড়েছে ৫ লাখ ১৭ হাজার। বেকারত্বের হার ৩ দশমিক ৪ শতাংশে নেমে এসেছে, যা ১৯৬৯ সালের মে মাসের পর সর্বনিম্ন। ঘণ্টাপ্রতি গড় মজুরিও বেড়েছে।

জানুয়ারিতে কানাডার ঘণ্টাপ্রতি মজুরি বেড়েছে ৪ দশমিক ৫ শতাংশ। ডিসেম্বরে বেড়েছিল ৪ দশমিক ৮ শতাংশ।

কানাডিয়ান ইমিগ্রেশন নিউজ ওয়েবসাইট সিআইসি নিউজ জানিয়েছে, দেশটির বেবি বুমার প্রজন্মের ৯০ লাখ কর্মজীবী এই দশকে অবসরের বয়সে পৌঁছে যাবে। এ ছাড়া দেশটির প্রজনন হার ২০২০ সালে রেকর্ড পরিমাণে কমেছে। দেশটিতে নারীদের গড় প্রজনন হার ১ দশমিক ৪ শতাংশ। শ্রম শক্তি জরিপ অনুসারে, দেশটিতে কয়েক লাখ পদ শূন্য আছে।

এই পরিস্থিতিতে কানাডা স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে দেশের বাইরে থেকে ২০২২ সালে ৪ লাখ ৩০ হাজার মানুষকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। এ ছাড়া ২০২৪ সালে সাড়ে চার লাখের বেশি অভিবাসীকে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা আছে তাদের।

জানা গেছে, অর্থনীতি টিকিয়ে রাখতে দক্ষ কর্মীদের স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ দিচ্ছে কানাডা। কিন্তু এসব সুযোগের বেশির ভাগই চীন ও ভারতের মানুষেরা পেয়ে যাচ্ছেন। অভিযোগ আছে, আইইএলটিএস-এ উচ্চ নম্বরসহ বিভিন্ন কঠিন শর্তের কারণে বাংলাদেশিরা এই সুযোগ সহজে নিতে পারছেন না। তবে শিক্ষার্থী হিসেবে কানাডায় এলে স্থায়ীভাবে বসবাস করার অনুমতি পাওয়া তুলনামূলকভাবে সহজ।

শিক্ষার্থীরা দুই থেকে তিন বছরের জন্য কাজ করার অনুমতি পান। অন্যদিকে এক বছর কাজ করার পর অভিবাসীরা দক্ষ জনশক্তি হিসেবে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পান।

কানাডা,কর্মসংস্থান,২০২৪ সাল
আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Transcend