ঢাকা | সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ |
২৯ °সে
|
বাংলা কনভার্টার
walton

চাকরির আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়া থেকে আটকাতে ৫ বিষয়

চাকরির আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়া থেকে আটকাতে ৫ বিষয়
চাকরির আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়া থেকে আটকাতে ৫ বিষয়

অনেকেই অভিযোগ করেন যোগ্যতা থাকা স্বত্বেও পাচ্ছেন না কাঙ্ক্ষিত চাকরি। এতে করে চাকরিপ্রার্থী হতাশ হয়ে যান। হাল ছেড়ে দেন। আপনিও যদি এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হন তবে জানুন কিছু কৌশল।

ঝুলিতে রয়েছে উচ্চ মানের শিক্ষাগত যোগ্যতা। কাজের অভিজ্ঞতাও কম নয়। এদিকে পড়াশোনা শেষ করে দিয়েই চলেছেন একের পর এক চাকরির ইন্টারভিউ। অথচ খুলছে না কাজের ভাগ্য। লিখিত পরীক্ষায় পাশ করলেও ইন্টারভিউতেই যেন সব তাল হারাচ্ছে। এমন পরিস্থিতি প্রায়শই অনেকের হয়ে থাকে। কিন্তু কেন? সব দিক ঠিক থাকলেও কোথায়ই বা ভুল থেকে যাচ্ছে।

আসলে অনেক সময়ই পঠনপাঠনের বিষয় নিয়ে জ্ঞান থাকলেও চাকরিপ্রার্থীদের ইন্টারভিউতে জিজ্ঞেস করা সাধারণ প্রশ্নের সঠিক উত্তরের প্রস্তুতি থাকেন না।

ইন্টারভিউয়ের সহজ কিছু প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে দিতে না পারায় ফসকে যায় চাকরির অফার লেটার। তবে কী সেটাই পিছিয়ে পড়ার কারণ? আসুন তাহলে ইন্টারভিউ পাশ করতে কোন কোন প্রশ্নের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করবেন জানা যাক।

নিজের সম্পর্কে বলা

বেশিরভাগ ইন্টারভিউতে প্রথমেই যে খুব সাধারণ এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় তা হল 'নিজের সম্পর্কে কিছু বলা'। বেশিরভাগ চাকরিপ্রার্থী এক্ষেত্রে নিজের ব্যক্তিগত জীবন বা আগে কী কী করেছেন, সেইসব কিছু নিয়ে কথা বলতে থাকেন। কিন্তু ইন্টারভিউ টেবিলের ওপারে বসে মানুষটির দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য অন্য কিছুও বলেও শুরু করতে পারেন। যেমন আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা কিংবা কাজের অভিজ্ঞতার বায়োডাটার বাইরে কর্মক্ষেত্রে নিজের বিশেষ কোনো গুণ দিয়েও কথোপকথন শুরু করতে পারেন।

আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে উত্তর

প্রতিটি প্রশ্ন জানা থাকুক বা না থাকুক আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে উত্তর দেওয়া জরুরি। সেক্ষেত্রে যদি কোনো প্রশ্নের উত্তর জানা না থাকে, তাহলেও বিশেষ কৌশলের মাধ্যমে সেটি জানানো যেতে পারে। অর্থাৎ যিনি ইন্টারভিউ নিচ্ছেন তিনি শুধু সঠিক উত্তর নয়, একইসঙ্গে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে আপনার বলার ভঙ্গিমাতেও নজর দেবেন। তবে সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করা যেমন ভালো, তেমনই অথযা অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসও বিপদের কারণ হতে পারে।

নির্দিষ্ট কেরিয়ার বাছার কারণ অনেক ইন্টারভিউতেই এইচআর এই ধরনের প্রশ্ন করে থাকেন। আসলে এই প্রশ্নের মানে হল সংশ্লিষ্ট কোম্পানি জানতে চাইছে যে আপনি সত্যি এই চাকরির জন্য আগ্রহী কিনা। তাই আগে থেকে নির্দিষ্ট কাজের বিষয়ে আপনার আগ্রহ নিয়ে দুইচার কথা প্রস্তুত করে রাখা ভালো। অর্থাৎ নির্দিষ্ট পেশা বাছার ক্ষেত্রে আপনার ব্যক্তিগত কারণ। একইসঙ্গে সেই পেশায় নিজেকে প্রমাণ করার জন্য আপনিই যে যথোপযোগী প্রার্থী তাও নিজের উত্তরের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিতে হবে।

কাজের চাপ কীভাবে সামলাবেন

যেকোনো কাজের চাপ এবং সেই চাপের মধ্যে কাজ করাই জীবনের একটি অংশ। কম-বেশি সকলকেই কাজের জগতে চাপ সামলাতে হয়। তাই ইন্টারভিউতে এইচআর এই ধরনের প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেন। আসলে তিনি শুধু আপনার কাছ থেকে জানতে চান, আপনি চাপের মধ্যে থেকেও কোম্পানির জন্য কাজ করতে পারবেন কিনা! আপনি যদি অভিজ্ঞ হন তাহলে কাজের জগতে নিজের পূর্ব অভিজ্ঞতাকে এক্ষেত্রে কাজে লাগাতে পারেন। কীভাবে আপনি কাজের চাপ সামলেচ্ছেন সেই বাস্তব অভিজ্ঞতা মনে করে উত্তর দিতে পারেন। তবে প্রেসারদের অবশ্য এই প্রশ্নের উত্তর আগে থেকে প্রস্তুত রাখা ভালো।

প্রত্যাশিত বেতন

সাধারণত ইন্টারভিউয়ের শেষের দিকে এই প্রশ্নটি করা হয়। অবশ্যই প্রথম দিকে ইন্টারভিউ ভালো হলেই প্রার্থীকে এই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়। সেক্ষেত্রে অভিজ্ঞরা নিজেদের প্রত্যাশিত বেতন উল্লেখ করলেও ফ্রেশারদের খুব সাবধানে এই প্রসঙ্গে উত্তর দেওয়া উচিত। তবে বেতনে আগের কর্মক্ষেত্রের থেকে বেশি প্রত্যাশা করা যেমন একদিকে স্বাভাবিক, তেমনই কাজের চাহিদা, কোম্পানির মান, প্রার্থীর যোগ্যতা এবং আরো বেশ কিছু বিষয় মনে রেখেই বেতনের কথা বলা উচিত।

চাকরির আবেদ,প্রত্যাখ্যাত,৫ বিষয়
আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Transcend