শিরোনাম

শুক্রবার, জানুয়ারী 19, 2018 - মোবাইল সেবার মাধ্যমে বাংলাদেশ অর্জন করবে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা | শুক্রবার, জানুয়ারী 19, 2018 - ক্যাসপারস্কি ল্যাবের আয়োজনে নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের সংবর্ধনা | শুক্রবার, জানুয়ারী 19, 2018 - হুয়াওয়ে নোভা টুআই এর সঙ্গে ২ বছরের ওয়ারেন্টি | শুক্রবার, জানুয়ারী 19, 2018 - এরা ইনফোটেক ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর | বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 18, 2018 - ওয়ান প্লাসের নতুন পাওয়ার ব্যাংক | বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 18, 2018 - স্প্যাম মেসেজ ঠেকাতে হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচার | বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 18, 2018 - যাত্রা শুরু করলো ওয়ালটনের কম্পিউটার কারখানা | বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 18, 2018 - নতুন স্মার্টফোন আনল হুয়াওয়ে অনার | বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 18, 2018 - স্বল্প মূল্যের গ্যালাক্সি সিরিজের ফোন ‘অন৭ প্রাইম’ | বুধবার, জানুয়ারী 17, 2018 - একত্রে কাজ করবে এটুআই এবং একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প |
প্রথম পাতা / ইন্টারভিউ / ইন্টেল সায়েন্স ট্যালেন্ট সার্চের সেমি ফাইনালে বাংলাদেশের সাবরিন
ইন্টেল সায়েন্স ট্যালেন্ট সার্চের সেমি ফাইনালে বাংলাদেশের সাবরিন

ইন্টেল সায়েন্স ট্যালেন্ট সার্চের সেমি ফাইনালে বাংলাদেশের সাবরিন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্কুল শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিভিন্ন বিজ্ঞানভিত্তিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়ে থাকে। তবে এর মধ্যে সবচেয়ে পুরনো আয়োজনটি করে থাকে যুক্তরাষ্ট্রের সোসাইটি ফর সায়েন্স। ‘জুনিয়রদের নোবেল পুরস্কার’ নামে পরিচিত ইন্টেল সায়েন্স ট্যালেন্ট সার্চ (ইন্টেল এসটিএস) নামের এই প্রতিযোগিতার ৭৫তম আসর বসেছে এ বছর। মূলত হাই স্কুল সিনিয়রদের জন্য এই প্রতিযোগিতাটি হয়ে থাকে। এবারের আয়োজনে এক হাজার ৮০০ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩০০ জন সুযোগ পেয়েছে সেমিফাইনালে। এর মধ্যে আছে বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত সাবরিন ভুঁইয়া। সে যুক্তরাষ্ট্রের হেরিকস হাই স্কুলের শিক্ষার্থী।
sabreen
সাবরিন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশী নাঈমা ভুঁইয়া এবং তৌফিকুল আলম ভুঁইয়ার সন্তান। যুক্তরাষ্ট্রের আলবার্টসনে বসবাসরত সাবরিন এই প্রতিযোগিতার জন্য তার গবেষণা সম্পন্ন করেছে দ্য ফেইনস্টন ইন্সটিটিউট থেকে। তার গবেষণা ভিত্তিক এই প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে ‘দ্য ইফেক্টস অব ম্যাগনেসিয়াম ডেফিসিয়েন্সি অন প্লাসেন্টাল সেল অক্সিডেটিভ স্ট্রেস’।
সায়েন্স ট্যালেন্ট সার্চ প্রতিযোগিতাটি যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে পুরনো এবং সম্মানজনক বিজ্ঞানভিত্তিক প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে যুক্তরাষ্ট্রের সোসাইটি ফর সায়েন্স অ্যান্ড দ্য পাবলিক। এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সারা দেশ থেকে খুঁজে বের করা হয় বিজ্ঞানের সেরা সব মেধাবীদের। ১৯৪২ সাল থেকে ওয়েস্টিংহাউজের পৃষ্ঠপোষকতায় এই প্রতিযোগিতা চলছে। ১৯৯৮ সালে প্রতিযোগিতাটির সাথে যুক্ত হয় ইন্টেল। বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা যেমন- রসায়ন, প্রাণরসায়ন, পদার্থ বিজ্ঞান, গণিত, প্রকৌশল, মেডিসিন এবং স্বাস্থ্য শাখায় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন গবেষণা প্রকল্পের মাধ্যমে অংশ নেয়।
১৯৪২ সালে শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত এসটিএস প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে প্রায় এক লাখ ৪৭ হাজার প্রতিযোগী। এদের মধ্যে অনেকেই পরবর্তী সময়ে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছে। এছাড়াও ফিল্ড মেডেল, ম্যাকআর্থার ফেলোশিপসহ অনেক সম্মানজনক পুরস্কার পেয়েছে এসটিএস-এ অংশগ্রহণকারীরা। এর মধ্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন আট জন।
প্রতি বছর প্রতিযোগিতায় প্রায় এক হাজার ৮০০ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে থাকে। এখানে অংশ নেয় দেশটির ৪৩টি অঙ্গরাজ্য, কলম্বিয়া, পুয়ের্তো রিকো এবং ছয়টি বিদেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। ১৬টি ভিন্ন ভিন্ন ক্যাটাগরিতে শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হয়ে থাকে।
প্রতিযোগিতার মোট অর্থ মূল্য ১.২৫ মিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে সেমি ফাইনালে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা পেয়ে থাকে ৬ লাখ ডলার। এই পর্বে অংশ নেওয়া প্রত্যেক শিক্ষার্থী এক হাজার ডলার করে পুরস্কার লাভ করে। এর পাশাপাশি আরও এক হাজার ডলার পায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ৪০ জন শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে ওয়াশিংটন ডিসিতে চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে আগামী মার্চে।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top