শিরোনাম

বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 23, 2017 - বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাংকিং নিয়ে ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির সংবাদ সম্মেলন | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 23, 2017 - বাংলাদেশে ডেলইএমসি এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার চালু | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 23, 2017 - চীনে স্কাইপ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 23, 2017 - আসছে দুই সিমের আইফোন | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 23, 2017 - অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলের জন্য অসাধারণ অ্যাপ ফেসবুক-এর | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 23, 2017 - ইয়োন্ডার মিউজিক বাংলাদেশের এক নম্বর মিউজিক অ্যাপ | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 23, 2017 - উদিয়মান ব্রান্ড হিসেবে লিনেক্স পেল ‘গ্লোবাল ব্রান্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০১৭’ | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 23, 2017 - ইউনিক বিজনেস সিস্টেমস লিমিটেড ডিলার সেলিব্রেশন ২০১৭ | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 23, 2017 - এলো ডেলের নতুন ইন্সপাইরন এন৭৩৭০ ল্যাপটপ | বুধবার, নভেম্বর 22, 2017 - আবার স্মার্টফোনে ফিরছে ইন্টেল |
প্রথম পাতা / অফবিট / উন্মোচন হতে যাচ্ছে ৩২০০ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা
উন্মোচন হতে যাচ্ছে ৩২০০ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা

উন্মোচন হতে যাচ্ছে ৩২০০ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা

camera-corporate৩২০০ মেগাপিক্সেলের এক ডিজিটাল ক্যামেরার উন্মোচন হতে যাচ্ছে খুব শিগগিরই। মহাকাশ গবেষণায় এ ক্যামেরাটি ব্যবহৃত হবে বলে জানা গেছে। মহাকাশ নিয়ে যারা গবেষণা করেন, তাদের মধ্যে ‘ডার্ক এনার্জি’ একটি রোমাঞ্চকর বিষয়। এই রহস্যময় মহাকর্ষ বল ছড়িয়ে রয়েছে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডজুড়ে। ১৯৯৮ সালে বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন যে, আমাদের ব্রহ্মাণ্ডের বিস্তৃতি ঘটছে খুব দ্রুত। আর বিজ্ঞানীদের আগ্রহ সেখানেই।

নতুন একটি টেলিস্কোপ বানানোর জন্য বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মহাকাশ বিজ্ঞানীরা একজোট হয়েছেন। জানা গেছে, এই প্রজেক্টে ২৩টি দেশের বিজ্ঞানীরা আছেন। এই ক্যামেরাটি অসীম মহাকাশে ‘ডার্ক এনার্জি’র খোঁজ করবে। এটার নাম দেওয়া হয়েছে লার্জ সিনোপ্টিক সার্ভে টেরিস্কোপ (এলএসএসটি)।এই দানবীয় ডিজিটাল ক্যামেরাটি বসানো হবে পৃথিবীতে। এটি লাখ লাখ আলোকবর্ষ দূরের বিভিন্ন গ্যালাক্সির ছবি তুলবে।

cameraঅ্যাটলাস অবস্কিউরকে ব্রুকহ্যাভেন ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির এক সিনিয়র গবেষক পল ও’কনর জানান, আসলে ডার্ক এনার্জি আবিষ্কারের আগে যত শক্তিশালী ক্যামেরা বানানো হয়েছিল। আশা করা হচ্ছে নতুন এই ক্যামেরাটি মহাকাশে লুকানো ডার্ক ম্যাটাররগুলো খুঁজে বের করবে।

ও’কনর এই প্রজেক্টটি নিয়ে ১০ বছর ধরে কাজ করে আসছেন। তিনি মনে করেন, বিশ্বব্রহ্মাণ্ড নিয়ে এত দিনের ধ্যান-ধারণার আমূল পরিবর্তন ঘটবে।

এই ক্যামেরার সেন্সর দেওয়া হয়েছে ৩২০০ মেগাপিক্সেল। কাজেই খোলা চোখে আমরা আকাশের কোনো তারকাকে যেমনটা দেখতে পাই, ওই ক্যামেরা তার চেয়ে ১০০ মিলিয়ন গুন পরিষ্কারভাবে দেখাবে।

ক্যামেরাটি ৩ মিটার লম্বা। উচ্চতা ১.৬৫ মিটার। এর ওজন ২৮০০ কেজি। মহাকাশের গবেষণায় এর চেয়ে বৃহৎ ক্যামেরা আর বানানো হয়নি। এর মাধ্যমে অতিবেগুনী রশ্মি কিংবা ইনফ্রারেড রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের কাছাকাছি আলো ধরা যাবে। ২০১৯ সাল থেকে এটি কাজ শুরু করবে।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top