শিরোনাম

শনিবার, নভেম্বর 18, 2017 - এখন হোয়্যাটসঅ্যাপে ডিলিট হয়ে যাওয়া মেসেজও পড়তে পারবেন | শনিবার, নভেম্বর 18, 2017 - বাজারে এসেছে গুগল এর পিক্সেল ২এক্সএল | শনিবার, নভেম্বর 18, 2017 - উন্মুক্ত হলো ওয়ানপ্লাস ৫টি | শনিবার, নভেম্বর 18, 2017 - আইটি প্রশিক্ষণে আয় করে ফি পরিশোধের সুযোগ | শনিবার, নভেম্বর 18, 2017 - চার দেশের মাইক্রোসফটের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পেলেন সোনিয়া বশির | শনিবার, নভেম্বর 18, 2017 - “বাংলালিংক নেক্সট টিউবার”-এর গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত | শনিবার, নভেম্বর 18, 2017 - স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে একত্রে কাজ করবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও এটুআই | শনিবার, নভেম্বর 18, 2017 - চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে রবি’র ক্যারিয়ার কার্নিভাল | শনিবার, নভেম্বর 18, 2017 - ‘শান্তি’র জন্য প্রযুক্তি পরিচয়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত | শনিবার, নভেম্বর 18, 2017 - নতুন ফিচার নিয়ে ফুডপান্ডা |
প্রথম পাতা / সাম্প্রতিক খবর / ফিচার পোস্ট / কলঙ্ক ঘুচাতে “সেনগুপ্ত টেলিকম” এখন “ক্রস ওয়ার্ল্ড টেলিকম”!
কলঙ্ক ঘুচাতে “সেনগুপ্ত টেলিকম” এখন “ক্রস ওয়ার্ল্ড টেলিকম”!

কলঙ্ক ঘুচাতে “সেনগুপ্ত টেলিকম” এখন “ক্রস ওয়ার্ল্ড টেলিকম”!

গত বছর রেলের অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনায় সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে নিয়ে সৃষ্ট বিতর্কের জের ধরে উঠে আসে সেনগুপ্ত টেলিকমের নাম। প্রতিষ্ঠানটির বিনিয়োগকৃত অর্থের উত্স জানতে দরফতরবিহীনমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের ছেলে সৌমেন সেনগুপ্তকে দুদকে ডেকে পাঠানো হয়। এরপর রাজনৈতিক বিবেচনায় ছাড় পেয়ে যান সৌমেন সেনগুপ্ত। এবার কলঙ্ক ঘুচাতে সেই ইন্টারকানেকশন এক্সচেঞ্জ (আইসিএক্স) সেনগুপ্ত টেলিকমের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে “ক্রস ওয়ার্ল্ড টেলিকম লিমিটেড”।

ইতোমধ্যে সৌমেন সেনগুপ্তের লিংকডইন আইডিতে তার প্রতিষ্ঠানের নাম ও পদবী লিখেছেন, “২০১১ সালের নভেম্বর থেকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ক্রশ ওয়ার্ল্ড টেলিকম লিমিটেড”।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নাম বদলের সঙ্গে নতুন করে কয়েকজন সহযোগীকেও সেনগুপ্ত টেলিকমের সঙ্গে যুক্ত করেছেন সৌমেন। একই সময়ে একজন শেয়ারহোল্ডারও কোম্পানি ছেড়েছেন বলে জানা গেছে। সম্প্রতি নাম ও শেয়ারহোল্ডার পরিবর্তনের এসব ঘটনা ঘটেছে।

গত বছর তৎকালীন রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের এপিএস ৭৮ লাখ টাকাসহ ধরাপড়ার পর সেনগুপ্ত টেলিকম নিয়ে নানা কথাবার্তা শুরু হয়। গত বছর আড়াই কোটি টাকার এ লাইসেন্স কিভাবে পেয়েছেন সৌমেন তা নিয়েও নানা সমালোচনা হয়।

এদিকে গত বছর অক্টোবরে রেলওয়ের দুর্নীতির টাকা সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের ছেলের টেলিকম ব্যবসায় দেওয়া হয়েছে বলে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আরটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়ে ছিলেন এপিএস ওমর ফারুকের আলোচিত গাড়ি চালক আজম খান।

সুরঞ্জিতের ছেলে সৌমেন সম্পর্কে জানা গেছে, তিনি ২০১১ সালের মে মাস থেকে একই বছরের অক্টোবর মাস পর্যন্ত ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান অগ্নিসিস্টেম লিমিটেডে আইটি এক্সপার্ট হিসেবে কাজ করতেন। সৌমেন অগ্নিসিস্টেমের কাজ করার আগে আরও দুটি আইটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন।

২০১১ সালের ২০ অক্টোবর বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি আইজিডব্লিউ, আইআইজি, আইসিএক্সসহ বিভিন্ন লাইসেন্সের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করে। ওই সময় সৌমেন চাকরি ছেড়ে দিয়ে ‘সেনগুপ্ত টেলিকমিউনিকেশন’ গঠন করেন। ওই প্রতিষ্ঠানটি বিটিআরসিতে একটি ‘আইসিএক্স’ লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেন। নতুন এ লাইসেন্স নেয়ার জন্য তাকে বিটিআরসিতে ফি বাবদ জমা দিতে হয় ৫ কোটি টাকা।

সেনগুপ্ত টেলিকমিউনিকেশনের নামে অত্যন্ত লোভনীয় এ লাইসেন্স ইস্যু করা হয়। এর ফি বাবদ পরিশোধিত টাকার উৎস নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। তৎকালীন অনেকেই প্রশ্ন করেন, সাধারণ চাকরিজীবী সৌমেন এতো টাকা কোথায় পেলেন? কিভাবে পরিশোধ করলেন আইসিএক্স লাইসেন্স ফি’র ৫ কোটি টাকা?

তাছাড়া আইসিএক্স অবকাঠামো তৈরিতে আরও অন্তত ৩০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করর কথা। ওই লাইসেন্স এবং টাকার উৎস নিয়েই মূলত আলোচনা সমালোচনা হয়।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সেনগুপ্ত টেলিকমের নাম দেশের গণমাধ্যমে নেতিবাচক প্রচার পায়। ফলে প্রতিষ্ঠানটির ব্র্যান্ড ইমেজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ কারণেই সেনগুপ্ত টেলিকমিউনিকেশন প্রাইভেট লিমিটেডের পরিবর্তে ক্রস ওয়ার্ল্ড টেলিকম লিমিটেড নামে সেবা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এরই মধ্যে বিটিআরসি থেকে নাম পরিবর্তনের বিষয়টিতে অনাপত্তি প্রদানের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। বিটিআরসি সূত্র জানায়, গত বছরের ২ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠানটির নাম পরিবর্তনের আবেদন করা হয়। কোনো রকম শেয়ার হস্তান্তর না করে প্রতিষ্ঠানটিকে নাম পরিবর্তনের অনাপত্তি প্রদানে কমিশনের বৈঠকে প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। তবে টেলিযোগাযোগ আইন অনুযায়ী কোনো লাইসেন্সের আওতায় অর্জিত স্বত্ব সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে হস্তান্তরযোগ্য নয়।

এর আগে রবি বা বাংলালিংকের মালিকানার অংশবিশেষ পরিবর্তন হলেও এখনো আগের নামেই লাইসেন্স বহাল রয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলোর।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন ২০০১-এর ধারা ৩৭ (অনুচ্ছেদ ১) এবং ২০১০ সালে এ আইনের সংশোধনীর ধারা ৩৭ (অনুচ্ছেদ ৩) অনুযায়ী, সরকারের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো লাইসেন্সের স্বত্ব সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে হস্তান্তরযোগ্য নয়।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top