শিরোনাম

মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - বাজারে এলো শাওমির নতুন দুই ফোন | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - বিশ্ব বিখ্যাত পাঁচ রাঁধুনি রোবট | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - সনি’র দুর্দান্ত এক আপকামিং ফোনের তথ্য ফাঁস | সোমবার, ডিসেম্বর 11, 2017 - বিসিএস এর ২৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত | সোমবার, ডিসেম্বর 11, 2017 - ‘জিপি লাউঞ্জ’ উদ্বোধন করল গ্রামীণফোন | সোমবার, ডিসেম্বর 11, 2017 - ল্যাপটপ মেলায় আই লাইফের ফ্রী গিফট! | সোমবার, ডিসেম্বর 11, 2017 - শপ আপের নতুন অ্যাড প্ল্যাটফর্মের উদ্বোধন ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে | সোমবার, ডিসেম্বর 11, 2017 - গ্লোবাল ব্র্যান্ড নিয়ে এলো এস সিরিজের নতুন অষ্টম প্রজন্মের নোটবুক | সোমবার, ডিসেম্বর 11, 2017 - অ্যান্ড্রয়েডে আসছে আইফোনের জনপ্রিয় গেম | সোমবার, ডিসেম্বর 11, 2017 - জিপি ওয়াওবক্স ব্যবহারকারীদের জন্য বিশেষ সুবিধা আনল পাঠাও |
প্রথম পাতা / সাম্প্রতিক খবর / ফিচার পোস্ট / থমকে গেছে প্রযুক্তিপণ্যের আমদানি
থমকে গেছে প্রযুক্তিপণ্যের আমদানি

থমকে গেছে প্রযুক্তিপণ্যের আমদানি

টানা অবরোধের কারণে ঢাকার প্রযুক্তি বাজার এখন প্রায় ক্রেতাশূন্য, পাশাপাশি কম্পিউটার পণ্যের আমদানিও থমকে আছে। বিক্রেতারা জানান, টানা ছয় দিন অবরোধের পর গতকাল শনিবার থেকে আবার অবরোধ-হরতাল শুরু হওয়ায় বিকিকিনি নেই বললেই চলে। তবে শুক্রবার বেচাকেনা ভালো হয়েছে। এ চিত্র দেশের সবচেয়ে বড় কম্পিউটার বাজার বিসিএস কম্পিউটার সিটি, এলিফ্যান্ট রোড, মাল্টিপ্লান সেন্টার থেকে শুরু করে সব জায়গায় একই রকম।

bazar

গতকাল ঢাকার প্রযুক্তি বাজারগুলো ঘুরে দেখা গেছে, বেশির ভাগ দোকানই ফাঁকা, বিক্রেতারা অলস সময় কাটাচ্ছেন। বাজারের এ অবস্থা নিয়ে রায়ানস আইটি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ হাসান বলেন, হরতাল-অবরোধে বেচাকেনা হয় না, বিষয়টা পুরো ঠিক নয়। এই অবস্থায়ও ৫০-৬০ শতাংশ বেচাকেনা হচ্ছে। তবে শুক্রবার বেচাকেনা দ্বিগুণ হয়ে থাকে। চলমান অবস্থায় বেচাকেনা কম থাকায় অনেক বিক্রেতা তাঁদের পণ্য কেনা দামে বিক্রয় করে দিচ্ছেন বলে জানান তিনি।

বাজারের যখন এ অবস্থা, তখন থমকে আছে আমদানি-প্রক্রিয়া। বাংলাদেশের কম্পিউটার বাজার প্রায় পুরোটাই আমদানিনির্ভর। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবসা খাতের সংগঠন

টানা অবরোধের কারণে ঢাকার প্রযুক্তি বাজার এখন প্রায় ক্রেতাশূন্য, পাশাপাশি কম্পিউটার পণ্যের আমদানিও থমকে আছে। বিক্রেতারা জানান, টানা ছয় দিন অবরোধের পর গতকাল শনিবার থেকে আবার অবরোধ-হরতাল শুরু হওয়ায় বিকিকিনি নেই বললেই চলে। তবে শুক্রবার বেচাকেনা ভালো হয়েছে। এ চিত্র দেশের সবচেয়ে বড় কম্পিউটার বাজার বিসিএস কম্পিউটার সিটি, এলিফ্যান্ট রোড, মাল্টিপ্লান সেন্টার থেকে শুরু করে সব জায়গায় একই রকম।

গতকাল ঢাকার প্রযুক্তি বাজারগুলো ঘুরে দেখা গেছে, বেশির ভাগ দোকানই ফাঁকা, বিক্রেতারা অলস সময় কাটাচ্ছেন। বাজারের এ অবস্থা নিয়ে রায়ানস আইটি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ হাসান প্রথমআলোকে বলেন, হরতাল-অবরোধে বেচাকেনা হয় না, বিষয়টা পুরো ঠিক নয়। এই অবস্থায়ও ৫০-৬০ শতাংশ বেচাকেনা হচ্ছে। তবে শুক্রবার বেচাকেনা দ্বিগুণ হয়ে থাকে। চলমান অবস্থায় বেচাকেনা কম থাকায় অনেক বিক্রেতা তাঁদের পণ্য কেনা দামে বিক্রয় করে দিচ্ছেন বলে জানান তিনি।

 বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি মোস্তাফা জব্বার

বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি মোস্তাফা জব্বার

বাজারের যখন এ অবস্থা, তখন থমকে আছে আমদানি-প্রক্রিয়া। বাংলাদেশের কম্পিউটার বাজার প্রায় পুরোটাই আমদানিনির্ভর। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবসা খাতের সংগঠন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘গত চার মাসে ৮০ শতাংশ আমদানি কমেছে। আমরা এত দিনে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে যে উন্নতির একটি পথ তৈরি করেছিলাম, এ অবস্থা চলতে থাকলে সেটি টিকিয়ে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়বে।’ একই রকম কথা বলেন আমদানিকারক কম্পিউটার সোর্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এইচ এম মাহফুজল আরিফ। তিনি বলেন, ‘এই অবস্থায় আমদানি প্রায় ৫০ শতাংশ কমে গেছে। বাজারে ক্রেতা না থাকায় আমরা ঠিকভাবে আমদানি করতে পারছি না। তা ছাড়া এই অবস্থায় আমরা সাধারণ বা করপোরেট ক্রেতা, কাউকেই ঠিকভাবে সেবা দিতে পারছি না।’

আরেক আমদানিকারক গ্লোবাল ব্র্যান্ড (প্রা.) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আনোয়ার বলেন, ‘আসলে এই অবস্থা অনেক দিন ধরেই শুরু হয়েছে। আমরা যাঁরা আমদানি করি, তাঁদের প্রত্যেকেরই লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) করা থাকে, যার কারণে মালামাল আছেই। তবে আমরা ক্রেতাদের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে আমদানি করে থাকি। এই অবস্থায় প্রযুক্তি বাজারে বেচাকেনা কম থাকায় আমাদের পণ্যগুলো মজুত অবস্থায় পড়ে আছে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা যাঁরা আমদানি করে থাকি, তাঁদের প্রত্যেকেরই ব্যাংক থেকে ২০ থেকে ৫০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়া আছে। এমন অবস্থা থাকলে আমাদের দেউলিয়া হয়ে যেতে হবে।’ তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ধারাবাহিক অগ্রগতি টিকিয়ে রাখতে এ অবস্থার দ্রুত অবসান হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন প্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীরা।

Rafiqul Anwar, Managing Director, Global Brand Pvt. Ltd.

গ্লোবাল ব্র্যান্ড (প্রা.) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আনোয়ার

বলেন, ‘গত চার মাসে ৮০ শতাংশ আমদানি কমেছে। আমরা এত দিনে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে যে উন্নতির একটি পথ তৈরি করেছিলাম, এ অবস্থা চলতে থাকলে সেটি টিকিয়ে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়বে।’ একই রকম কথা বলেন আমদানিকারক কম্পিউটার সোর্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এইচ এম মাহফুজল আরিফ। তিনি বলেন, ‘এই অবস্থায় আমদানি প্রায় ৫০ শতাংশ কমে গেছে। বাজারে ক্রেতা না থাকায় আমরা ঠিকভাবে আমদানি করতে পারছি না। তা ছাড়া এই অবস্থায় আমরা সাধারণ বা করপোরেট ক্রেতা, কাউকেই ঠিকভাবে সেবা দিতে পারছি না।’

আরেক আমদানিকারক গ্লোবাল ব্র্যান্ড (প্রা.) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আনোয়ার বলেন, ‘আসলে এই অবস্থা অনেক দিন ধরেই শুরু হয়েছে। আমরা যাঁরা আমদানি করি, তাঁদের প্রত্যেকেরই লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) করা থাকে, যার কারণে মালামাল আছেই। তবে আমরা ক্রেতাদের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে আমদানি করে থাকি। এই অবস্থায় প্রযুক্তি বাজারে বেচাকেনা কম থাকায় আমাদের পণ্যগুলো মজুত অবস্থায় পড়ে আছে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা যাঁরা আমদানি করে থাকি, তাঁদের প্রত্যেকেরই ব্যাংক থেকে ২০ থেকে ৫০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়া আছে। এমন অবস্থা থাকলে আমাদের দেউলিয়া হয়ে যেতে হবে।’ তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ধারাবাহিক অগ্রগতি টিকিয়ে রাখতে এ অবস্থার দ্রুত অবসান হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন প্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীরা।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top