শিরোনাম

সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - রোহিঙ্গাদের কাছে মোবাইল বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে সরকার | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - ডাটা খরচ কমাতে আসছে টুইটারের নতুন সংস্করণ | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - লন্ডনে লাইসেন্স বাঁচানোর চেষ্টায় উবার | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - ড্রোন যখন কৃষকের বন্ধু | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - আইফোন ৮ এর ভেতরে যা দেখা গেল | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - ডি-লিংক এর স্পেশাল অফার | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - রংতা ব্র্যান্ডের নতুন পিওএস প্রিন্টার | সোমবার, সেপ্টেম্বর 25, 2017 - নারীর নিরাপত্তা ও শরনার্থীদের শিক্ষা বিষয়ক ধারণা যাচ্ছে ওসলোর টেলিনর ইয়ুথ ফোরামে | রবিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2017 - উদ্বোধনের অপেক্ষায় শেখ হাসিনা সফটওয়্যার পার্ক | রবিবার, সেপ্টেম্বর 24, 2017 - আপনারই কিছু ভুল হয়তো অজান্তে ফোনের পারফরম্যান্স খারাপ করছে |
প্রথম পাতা / অর্থনীতি / দেশের ৪ শতাংশ মানুষ মোবাইলে লেনদেন করে
দেশের ৪ শতাংশ মানুষ মোবাইলে লেনদেন করে

দেশের ৪ শতাংশ মানুষ মোবাইলে লেনদেন করে

দিন দিন দেশে মোবাইলে লেনদেনে আগ্রহ বাড়ছে। বাড়ছে এম-কমার্সের (মোবাইল কমার্স)  ব্যবহার। বর্তমানে বাংলাদেশের ৯৭ ভাগ মানুষই এই মাধ্যমটিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের মধ্যে প্রায় ৩৪ শতাংশ মানুষ ইতিমধ্যেই এই মাধ্যমে টাকা গ্রহণ ও প্রদান করছেন। আর দেশের মোট জনসংখ্যার ৪ শতাংশ মানুষ এখন মোবাইলে কেনাবেচা সম্পন্ন করছেন।erricson-mcommerce


বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামে জরিপ চালিয়ে এই তথ্য প্রকাশ করেছে এরিকসন কনজিউমার ল্যাব। ল্যাব গবেষণায় প্রতিষ্ঠানটি দেখেছে, বর্তমানে ইন্দোনেশিয়ার ৫৪ শতাংশ জনসংখ্যা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে টাকা গ্রহণ ও পাঠানো সেবা ব্যবহার করছে যা ভিয়েতনামে ৪৫ এবং বাংলাদেশে প্রায় ৩৪ শতাংশ। এই গবেষণার সবচেয়ে অগ্রসরমান অর্থনীতির দেশ হলো ইন্দোনেশিয়া।

গবেষণায় প্রতিবেদন বলছে, নগরায়ণ উঠতি বা উন্নয়নশীল এশিয়ায় এম-কমার্স (মোবাইল কমার্স) সেবাগুলোর প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়িয়ে তুলছে। যেখানে অসংখ্য মানুষকে চাকরির সন্ধানে শহরমুখী হচ্ছেন সেখানে দ্রুত এবং সহজে টাকা পাঠানোর প্রতি আগ্রহী হয়ে তারা এই মাধ্যমটি বেছে নিচ্ছেন।   
যখন আর্থিক বিষয়গুলো আসে তখন পরিবার পরিজন বন্ধুরা, পরিচিত বিশ্বাসযোগ্য গণ্ডিগুলো আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং একজন কীভাবে মোবাইলফোনভিত্তিক আর্থিক সেবাগুলোর সঙ্গে কতটুকু মানিয়ে নেবে তার উপর তাদের একটা প্রভাব থাকে। নিরাপত্তা ইস্যু এবং সুবিধাগুলোই টাকাবিহীন লেনদেন এবং এম কমার্স সেবাগুলোকে দ্রুত গ্রহণ করতে উৎসাহিত করছে।

এরিকসন কনজিউমার ল্যাবের গবেষণা প্রতিবেদনে উঠতি বা উন্নয়নশীল এশিয়ার দেশগুলোতে এম-কমার্স সেবা ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ার ইঙ্গিত রয়েছে। গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর মধ্য ছিল বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনাম।

এরিকসন কনজিউমার ল্যাব-এর জ্যেষ্ঠ পরামর্শক প্যাট্রিক হেডলান্ড বলেন, “এর কারণ হচ্ছে যখন পরিবারের কিছু সদস্য শহরে চলে যায় এবং পরিবারের অনেকেই গ্রামে কিংবা আশেপাশে থাকে তারা শহরে যাওয়া লোকগুলোর উপর নির্ভরশীল থাকে। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে যেখানে আয় অনেক কম, সেখানে দ্রুত টাকা পাঠানো এবং পাওয়া একটা প্রয়োজনীয় বিষয়। গবেষণায় আরও দেখা গেছে, এখনও একটা বড় অংশ ক্যাশ ইকোনোমি বা দৈনিক লেনদেনের জন্য নগদ অর্থ ব্যবহার করে। এরিকসন ল্যাব দেখেছে, এই ইকোনমির লোকজন যেমন পরিবারের সদস্য, বন্ধু কিংবা পড়শী সবাই মিলে টাকা জমায় এবং কারও প্রয়োজনে সেখান থেকে ধার দেওয়া হয়।”

নগদ অর্থভিত্তিক সমাজে নিরাপত্তা বিষয়ে বেশকিছু উদ্বেগ কাজ করে।  ভাংতি ও জাল টাকারও ভয়, সহজলভ্যতার অভাবও একটা বড় অসুবিধা, টাকা পাঠানো থেকে পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা, নির্দিষ্ট সময়ে বাড়িতে টাকা না পাওয়া ইত্যাদি কিংবা অন্যান্য মানি ট্রান্সফার পদ্ধতির ক্ষেত্রেও একটা নির্দিষ্ট সময়ে অফিস খোলা থাকা সাপেক্ষে টাকা পাওয়া ইত্যাদি প্রতিবন্ধকতার কারণে এম কমার্স জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।
 
যার ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশের ৭৮ এবং ইন্দোনেশিয়ার জনসংখ্যার ৭৫ শতাংশ বিভিন্ন সেবা বিল প্রদানের ক্ষেত্রে মোবাইল পেমেন্ট ব্যবহার করে। ভিয়েতনামে এই সংখ্যা ৩৭ শতাংশ।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top