শিরোনাম

বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 19, 2017 - বাংলাদেশেই তৈরি হবে সকল ডিজিটাল ডিভাইস : মোস্তাফা জব্বার | বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 19, 2017 - যে কারণে অনলাইন অ্যাকাউন্টে কঠিন পাসওয়ার্ড দিবেন | বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 19, 2017 - ফিশিং জালিয়াতির শিকার হচ্ছেন জিমেইল ব্যবহারকারীরা | বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 19, 2017 - দেশের বাজারে লেনোভোর এইচডি ডিসপ্লের ল্যাপটপ | বুধবার, জানুয়ারী 18, 2017 - হিটাচি প্রজেক্টরে ম্যাজিক অফার | বুধবার, জানুয়ারী 18, 2017 - বাংলাদেশে ডি-লিংক কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের অংশীদার কম্পিউটার সোর্স | বুধবার, জানুয়ারী 18, 2017 - অপ্পোর নতুন ২ স্মার্টফোনে গ্রামীণফোনের ফ্রি ইন্টারনেট | বুধবার, জানুয়ারী 18, 2017 - ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল এর পার্টনার মিট | বুধবার, জানুয়ারী 18, 2017 - ইউটিউবের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে পর্নগ্রাফি ভিডিও | বুধবার, জানুয়ারী 18, 2017 - আসছে স্বল্প মূল্যের অ্যান্ড্রয়েড ওয়ান ফোন |
প্রথম পাতা / সাম্প্রতিক খবর / ফিচার পোস্ট / দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল সংযোগের কাজ বন্ধ নভেম্বর পর্যন্ত
দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল সংযোগের কাজ বন্ধ নভেম্বর পর্যন্ত

দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল সংযোগের কাজ বন্ধ নভেম্বর পর্যন্ত

মে মাসের পর থেকে দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল সংযোগ স্থাপনের কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে আছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাগরে অনেক স্রোত থাকার কারণেই কাজ বন্ধ করা হয়েছে। আগামী নভেম্বর মাস পর্যন্ত তা বন্ধ থাকবে।

বাংলাদেশ দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার কাজটি করছে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল)।

কাজ বন্ধ থাকার কথা স্বীকার করেছেন বিএসসিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মনোয়ার হোসেনও।2nd-submarine-cableদ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল ল্যান্ডিং স্টেশন হবে পটুয়াখালীর কুয়াকাটায়। আর মে মাস শুরু হতে না হতেই সাগরে ভীষণ স্রোত হয়। সে কারণে কুয়াকাটার দশ কিলোমিটারের মধ্যে কেবল চলে আসলেও বাকি কাজ শেষ করা যাচ্ছে না, বলছেন মনোয়ার হোসেন।

সাউথ ইস্ট এশিয়া-মিডল ইস্ট-ওয়েস্টার্ন ইউরোপ-৫ (এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৫) নামের দ্বিতীয় এ সাবমেরিন কেবলে সাগরের নিচ দিয়ে সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলংকা ও মায়ানমার হয়ে বাংলাদেশ পর্যন্ত ২৫ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ কেবল স্থাপন করা হচ্ছে।

প্রাথমিক পরিকল্পনা হিসেবে এ বছরের মধ্যেই এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৫ কেবলের সঙ্গে বাংলাদেশের সংযুক্ত হওয়ার কথা ছিল বলে জানান মনোয়ার হোসেন।

তবে এখন সেটি আগামী বছরের প্রথম প্রান্তিকে চলে যাচ্ছে, বলেন মনোয়ার। এদিকে গত জুনে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। আরো একবছরের জন্যে মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

৬৬০ কোটি ৬৪ লাখ টাকার প্রকল্পটিতে সরকার দিচ্ছে ১৬৬ কোটি টাকা। বাস্তবায়নকারী সংস্থা বিএসসিসিএল ১৪৪ কোটি টাকা এবং বাকি ৩৫২ কোটি টাকা প্রকল্প সাহায্য থেকে জোগান দেওয়া হবে। কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এসব অর্থ সংস্থানের কাজেও ধীরগতি এসেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

১৪ দেশের ১৬ কোম্পানি নিয়ে গঠিত আন্তর্জাতিক একটি কনসোর্টিয়ামের অধীনে এ সাবমেরিন কেবল সিস্টেম পরিচালিত হয়, যার মধ্যে রয়েছে ফ্রান্স, ইতালি, আলজেরিয়া, তিউনিশিয়া, মিসর, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমরিাত, পাকিস্তান, ভারত, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও মায়ানমার।

প্রকল্পের আওতায় কনসোর্টিয়ামের পক্ষ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত কেবল সংযোগ স্থাপন করে দেওয়ার পর সেখান থেকে বাড়তি ৩০০ কিলোমিটার কেবলের মাধ্যমে কুয়াকাটা ল্যান্ডিং স্টেশন পর্যন্ত সংযোগ নিয়ে যাওয়া হবে।

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার কুয়াকাটায় ১০ একর জমিতে এ স্টেশন স্থাপনসহ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বিএসসিসিএল।

এর আগে ২০০৫ সালে একই কনসোর্টিয়ামের অধীনে এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৪ নামে প্রথম সাবমেরিন কেবলের সঙ্গে যুক্ত হয় বাংলাদেশ। ২০ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ প্রথম সাবমেরিন কেবলের ল্যান্ডিং স্টেশন কক্সবাজারের ঝিলংজাতে।

কোনো কারণে প্রথম সাবমেরিন কেবল সংযোগ বিচ্ছিন্ন বা অকার্যকর হলে দ্বিতীয়টি বিকল্প হিসেবে বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশকে নিরবিচ্ছিন্নভাবে সংযুক্ত রাখবে। আর এখান থেকে মোট ব্যান্ডউইথ পাওয়া যাবে ১,৩০০ জিবিপিএস, যা আশপাশের দেশগুলোতে রপ্তানি করেও অনেক টাকা আয় করা সম্ভব হবে।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top