শিরোনাম

শনিবার, ফেব্রুয়ারী 24, 2018 - কুমিল্লায় আনুষ্ঠানিকভাবে ৪জি চালু করলো গ্রামীণফোন | শনিবার, ফেব্রুয়ারী 24, 2018 - ট্রাভেল বুকিং এ যুক্ত হলেন সাকিব আল হাসান | শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী 23, 2018 - অনলাইন পোর্টালের গুঞ্জনে ক্ষুব্ধ তাসকিন | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 22, 2018 - দর্শনার্থী নেই বেসিস সফটএক্সপোতে ! | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 22, 2018 - বিসিএস নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 22, 2018 - ২০১৭ সালে রবি’র লোকসান ২৮০ কোটি টাকা | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 22, 2018 - বাংলাদেশের গ্রাহকদের জন্য অপো স্মার্টফোনসমূহ ৪জি সেবা দিতে প্রস্তুত | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 22, 2018 - বিইউপিবিজিএ-এর বার্ষিক বনভোজন সম্পন্ন | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 22, 2018 - উদ্বোধন হলো বেসিস সফটএক্সপো ২০১৮’র | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 22, 2018 - এলো টোটেলিংক এর হাই স্পীড ওয়াইফাই রাউটার |
প্রথম পাতা / স্থানীয় খবর / দ্য টাও সূচকে-তথ্যপ্রযুক্তির বিস্তারে শীর্ষস্থানে বাংলাদেশ

দ্য টাও সূচকে-তথ্যপ্রযুক্তির বিস্তারে শীর্ষস্থানে বাংলাদেশ

বর্তমান সময়টাকে বলা যায় তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লবের যুগ। প্রযুক্তির উন্নয়নের সাথে সাথে তথ্যের অবাধ প্রবাহ পুরো বিশ্বকে এনে দিয়েছে হাতের মুঠোয়। ইন্টারনেটের কল্যাণে যে কোন তথ্য নিমেষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী। উন্নত দেশগুলোতে যেমন প্রযুক্তি পণ্যের প্রসারিত বাজার তৈরি হয়েছে, তেমনি পিছিয়ে নেই উন্নয়নশীল এবং তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোও। বরং কিছু কিছু দিক বিবেচনায় অনেক উন্নয়নশীল দেশ পেছনে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, জার্মানির মতো বড় বড় উন্নত দেশগুলোকে। এর মধ্যে বিশেষ করে বলতে হয় বাংলাদেশের কথা। জিডিপি’র শতকরা অংশ হিসেবে প্রযুক্তি খাতে ব্যায়, দেশের সামগ্রিক আয়ের বন্টন ইত্যাদি বিষয়গুলোকে মানদন্ড ধরে তৈরি করা টাও (ঞঅট) ইনডেক্সে সব দেশকে পেছনে ফেলে শীর্ষস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

প্রযুক্তি খাতে খরচ ঃ বিশ্ব র্যাংকিং

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিভিন্ন দেশের খরচ দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। উন্নত বিশ্ব থেকে শুরু করে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতেও এ খরচ বৃদ্ধি হার লক্ষণীয়। বিশ্ব ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত বিভিন্ন দেশের জিডিপি এবং আয়ের সাম্যতার তথ্য অনুযায়ী কয়েকটি ভাগে র্যাংকিং করা হয়েছে বিভিন্ন দেশগুলোকে। এই র্যাংকিংগুলো হচ্ছে-

ক. আইটি খাতে বার্ষিক ব্যায় : সমগ্র বছরে আইটি খাতে একটি দেশের মোট ব্যায়কে ভিত্তি ধরে এই র্যাংকিং করা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এই তালিকাতে রয়েছে উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর একচ্ছত্র আধিপত্য। ২০০৯ সালের হিসাব অনুযায়ী আইটি খাতে ১ ট্রিলিয়নেরও বেশি মার্কিন ডলার খরচ করে এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তার পরেই রয়েছে জাপান, চীন এবং জার্মানি; ২০০৯ সালে আইটি খাতে দেশগুলোর মোট ব্যায় যথাক্রমে ৩৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, ২৫৮ বিলিয়ন এবং ১৮১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এ তালিকার ১৩তম স্থানে রয়েছে ভারত। ২৫টি দেশের তালিকার সর্বশেষ স্থানটিতে রয়েছে অস্ট্রিয়া যাদের ২০০৯ সালে আইটি খাতে মোট ব্যয় ২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

খ. জনপ্রতি আইটি খাতে খরচ : প্রতিটি দেশে মাথাপিছু বার্ষিক আইটি খাতে খরচের হিসাবে এ তালিকাটি তৈরি করা হয়েছে। মাথাপিছু আইটি খাতে ৪,৬২৮ মার্কিন ডলার খরচের হিসাবে এ তালিকার সর্বাগ্রে রয়েছে সুইজারল্যান্ড। আর বছরের সবচেয়ে বেশি খরচ করেও মাথাপিছু হিসাবে ৩,৬৭৯ মার্কিন ডলারের খরচে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ২৫টি দেশের তালিকার সর্বশেষ স্থানটি গ্রীসের। যেখানে মাথাপিছু আইটি খাতে ব্যয় ১,৩৬১ মার্কিন ডলার। এ তালিকাতেও রয়েছে উন্নত বিশ্বের প্রাধান্য, তবে এখানে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক জনসংখ্যা। অধিক জনসনংখ্যার কারণেই আগের তালিকার শীর্ষ থেকে ছিটকে পড়েছে চীন, জাপান, জার্মানির মতো দেশ। আর উন্নত অর্থনীতি এবং স্বল্প জনসংখ্যা নিয়ে এ তালিকার শুরুর দিকেই স্থান পেয়েছে নরওয়ে, সুইডেন, নেদারল্যান্ড, হংকং-এর মতো দেশ। এমনকি চেক রিপাবলিকের মতো দেশও জনপ্রতি ব্যায়ের হিসেবে এই তালিকায় স্থান করে নিয়েছে।

গ. জিডিপি’র শতকরা অংশ হিসেবে আইটি খাতে খরচ : সারা বছরের আইটি খাতের ব্যায়কে দেশের মোট জিডিপি’র শতকরা অংশ হিসেবে প্রকাশ করে এ তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এই তালিকায় এসে উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর প্রাধান্য হ্রাস পেয়েছে অনেকাংশে এবং উন্নয়নশীল দেশগুলো ঢুকে পড়েছে সেই জায়গাগুলোতে। ২০০৯ সালের হিসাব অনুযায়ী এ তালিকার শীর্ষে রয়েছে মরক্কো। যার আইটি খাতে মোট ব্যয় ছিল জিডিপি’র ১৩.৮%। এ তালিকার পরবর্তী স্থানে মোট জিডিপি’র ১১.৭% ও ১০.৪% আইটি খাতে ব্যয় করে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে মালয়েশিয়া এবং সেনেগাল। এই তালিকার ৬ষ্ঠ স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। ২০০৯ সালে বাংলাদেশের মোট জিডিপি ছিল প্রায় ৯০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যার ৯.২% ব্যয় হয় আইটি খাতে যার পরিমাণ প্রায় ৮.২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আইটি পণ্যগুলোর মূল্য পৃথিবীব্যাপী খুব বেশি হেরফের না হওয়ায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর উপরে এর প্রভাবটা অনেক বেশি কাজ করে বলেই এ তালিকায় এসব দেশগুলোর প্রাধান্য অনেক বেশি। শীর্ষ ২৫টি দেশের এ তালিকায় আইটি খাতে সবচেয়ে বেশি ব্যয়কারী দেশ যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ১২তম (মোট জিডিপি’র ৭.৩%)। এছাড়াও রয়েছে যুক্তরাজ্য (১০ম), সুইজারল্যান্ড (১৩তম) এবং জাপান (১৬তম)।

টাও সূচক

এমআইটি’র অতিথি অধ্যাপক এবং আইটি বিশ্লেষক রজার স্ট্রাকহফ দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করে আসছেন বিশ্বব্যাপী আইটি পণ্যের বিস্তার এবং বিভিন্ন স্থানে এর প্রভাব নিয়ে। বিভিন্ন দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে আইটি পণ্যের প্রভাব, আইটি পণ্যের বাজার কতটা প্রসারিত এবং জীবনযাত্রার মানের সাথে আইটি পণ্যের ব্যয়ের হিসাবকে সমন্বয় করে বিভিন্ন দেশকে একটি র্যাংকিং-এ নিয়ে আসতে তিনি যে সূচকটি ব্যবহার করেছেন, সেটাই ‘টাও সূচক’। উন্নত দেশগুলোতে জীবনযাত্রার মান এবং প্রাপ্ত সুযোগ-সুবিধা উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে যোজন-যোজন দূরে। তাই শুধুমাত্র মোট ব্যায়ের হিসাবে আইটি পণ্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহারকারী দেশকে চিহ্নিত করা সহজ নয়। এর সাথে সাথে প্রয়োজন ওই দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা, জীবনযাত্রার মান, স্থানীয় মুদ্রায় জীবন-যাপনের গড় খরচ এবং জাতীয় আয়ের বন্টনের সাম্যতা প্রভৃতি বিষয়গুলোকে জানা। এসব কিছুকে সমন্বয় করেই তৈরি করা হয়েছে ‘টাও সূচক’ যা সার্বিক বিচারে একটি দেশে আইটি খাত কতটা প্রসারিত তা নির্দেশ করে।

যেসব তথ্য ব্যবহার করে টাও সূচক তৈরি করা হয়েছে, সেগুলো হলো-

* মাথাপিছু জিডিপি

* ক্রয় ক্ষমতার সাম্যতার ভিত্তিতে জিডিপি

* দেশের আয় বন্টনের সাম্যতা

টাও সূচকের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে ২টি তালিকা।

ক. সাংখ্যিক টাও সূচক : জাতীয় আয়ের বন্টনের ভিত্তিতে তৈরি এই সূচক। যে দেশের জাতীয় আয় যতটা বেশি সুষমভাবে বণ্টিত, সে দেশের আইটি ব্যবহারও তত বেশি প্রসারিত হওয়ার সুযোগ বেশি। এই তালিকাতে শীর্ষে রয়েছে মরক্কো। তারপর রয়েছে হাঙ্গেরী, চেক রিপাবলিক এবং ৪র্থ স্থানে বাংলাদেশ। এ তালিকায় জাপান, জার্মানি, সুইজারল্যান্ডের মতো দেশগুলোর স্থান বেশ পেছনে। আবার যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য রয়েছে ২৫ দেশের তালিকার বাইরে।

খ. চূড়ান্ত টাও সূচক : আয় বন্টনের সাথে সাথে জীবন যাত্রার মান, জনগণের ক্রয় ক্ষমতা প্রভৃতি বিষয়গুলোকে সমন্বিত করে তৈরি করা হয়েছে টাও সূচক। এ তালিকায় ৭.১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ। ২০০৯ সালের হিসাবে মোট জিডিপির ৯.২% আইটি খাতে ব্যায়িত হলেও সমন্বিত হিসাবে এর পরিমাণ ২৩.৮%। যা কিনা অন্য সব দেশের চেয়ে বেশি। এর অর্থ হচ্ছে, আমাদের সাধারণ জীবনে আইটি পণ্যের প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি। এ তালিকায় পরবর্তী স্থানগুলোতে রয়েছে ইউক্রেন, মরক্কো, মিশর ও হাঙ্গেরী। ৭৩টি দেশের এ তালিকায় সর্বশেষে রয়েছে উরুগুয়ে, জ্যামাইকা ও ভেনিজুয়েলা।

টাও সূচকের শীর্ষে বাংলাদেশ : বর্তমান পরিস্থিতি

কোন দেশে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার কতটা বিস্তার লাভ করছে এবং জনজীবনে তার প্রভাব কতটুকু সেটা নির্দেশের জন্যই টাও সূচক নির্ধারণ করা হয়েছে। টাও সূচকের শীর্ষে বাংলাদেশের অবস্থানের অর্থ হলো, বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তির বিস্তারের হার এবং জনজীবনে এর প্রভাব অন্যান্য দেশের চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি। বর্তমানে বাংলাদেশে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় সাড়ে ছয় কোটি। ২০০৯ সালে আইটি  খাতে দেশের মোট ব্যয় ছিল প্রায় ৮২৫ কোটি মার্কিন ডলার। ডিজিটাল বাংলাদেশের আওতায় কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সেবা ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে দেশব্যাপী। এর মধ্যে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো ফোনে স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি বিষয়ক পরামর্শসহ অন্যান্য ভ্যালু এ্যাডেড সার্ভিসগুলো চালু করেছে। পাশাপাশি মোবাইল ব্যাংকিং ও জনপ্রিয় হচ্ছে ধীরে ধীরে। আর প্রায় সব ব্যাংকেই এখন প্রচলিত আছে অনলাইন ব্যাংকিং। দেশের তথ্যপ্রযুক্তির সুবিধা ও সেবা ছড়িয়ে দিতে সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন প্রান্তীয় এলাকাতেও স্থাপন করা হচ্ছে ই-সেন্টার যেখানে জনগণকে প্রদান করা হবে বিভিন্ন সুবিধা। ইতোমধ্যেই শিক্ষাখাতে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করা হয়েছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে। মোবাইলে, ইন্টারনেটে পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা ছাড়াও এ বছর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি পরীক্ষার ফরপূরণ ও নিবন্ধনের সুযোগ উন্মুক্ত করা হয়েছে অনলাইনে। ইন্টারনেট এবং মোবাইলে মাধ্যমে এখন সহজেই এসব পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন ও ফরম পূরণের সুযোগ অনেক ধরনের জটিলতা দূর করেছে।

আগামী ছয় মাসের মধ্যে দেশে তৈরি হচ্ছে ১০,০০০ টাকা মূল্যের ল্যাপটপ যা তথ্যপ্রযুক্তির বিস্তারে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে। মোবাইলে ইন্টারনেট সহ ওয়াইম্যাক্সও এখন ছড়িয়ে পড়ছে দেশব্যাপী। ফলে সাধারণ মানুষের নিকট ইন্টারনেট এখন অনেক বেশি সহজলভ্য। বিভাগীয় শহরগুলোসহ বড় বড় শহরের বাইরে উপজেলা বা থানা পর্যায়েও কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহারীর সংখ্যা বেড়েছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে। আর তথ্যপ্রযুক্তির এই প্রসারিত ব্যবহার ভূমিকা রাখছে অর্থনীতিতেও। এ বছরের এক তথ্যে জানা যায়, আউটসোর্সিং এ ঢাকা রয়েছে তৃতীয় স্থানে। সবমিলিয়ে বলা যায়, বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে এগিয়ে রয়েছে অনেক খানিই এখানকার জীবনযাত্রার মানের তুলনায় এই অগ্রসরতাই বাংলাদেশকে এগিয়ে রেখেছে টাও সূচকে।

তথ্যপ্রযুক্তির বিস্তার আর তথ্যের অবাধ প্রবাহ বিশ্বকে ছোট করছে ব্যবধান কমিয়ে আনছে বিভিন্ন দেশের। আর তাই, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বা এ খাতে খরচে এগিয়ে থেকেও সার্বিক বিচারে পেছনে পড়ে যাচ্ছে উন্নত দেশগুলো। এগিয়ে আসছে বাংলাদেশ, মরক্কো, ইউক্রেন-এর মতো সব দেশ। উপযুক্তভাবে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার এই দেশগুলোর সার্বিক উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা।

ু  মোজাহেদুল ইসলাম ঢেউ

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top