শিরোনাম

মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 7, 2017 - প্রিন্ট সাশ্রয়ী নতুন মডেলের ইপসন প্রিন্টার | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 7, 2017 - গাড়ির ‘ভার্চুয়াল বাজার’ হচ্ছে কারমুদি | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 7, 2017 - গ্যালাক্সি সি৯ প্রো স্মার্টফোনের প্রি-বুকিং শুরু | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 7, 2017 - জোভাগোতে হোটেল বুকিং দিলে মিলবে স্মার্টফোন | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 7, 2017 - ১ হাজার গ্রামে ফ্রি ওয়াই-ফাই দেবে ভারত | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 7, 2017 - ব্যাগপ্যাকার্সে ৫০ শতাংশ ছাড় ঘোষণা | সোমবার, ফেব্রুয়ারী 6, 2017 - দেশের বাজারে নকিয়ার নতুন মোবাইল নকিয়া ১৫০ | সোমবার, ফেব্রুয়ারী 6, 2017 - টাই ঢাকার প্রেসিডেন্ট শামীম আহসান, ভাইস প্রেসিডেন্ট ফারজানা | সোমবার, ফেব্রুয়ারী 6, 2017 - ‘মায়া আপা প্লাস’ রবি গ্রাহকদের জন্য এসএমএস ও মোবাইল অ্যাপে | সোমবার, ফেব্রুয়ারী 6, 2017 - মেট্রোস্কাই নামে ক্লাউড ভিপিএস সার্ভিস চালু করল মেট্রোনেট |
প্রথম পাতা / টেলিকম / নির্দিষ্ট সময়ের আগেই ১০০ কোটি টাকা পরিশোধ করল সিটিসেল
নির্দিষ্ট সময়ের আগেই ১০০ কোটি টাকা পরিশোধ করল সিটিসেল

নির্দিষ্ট সময়ের আগেই ১০০ কোটি টাকা পরিশোধ করল সিটিসেল

citycell-closeআগামী ১৯ নভেম্বরের মধ্যে ১০০ কোটি টাকা পরিশোধের শর্তে সিটিসেলের তরঙ্গ খুলে দিতে নির্দেশ দেয় আপিল বিভাগ। তবে তার দুইদিন আগেই অপারেটরটি আজ বৃহস্পতিবার বিটিআরসির কাছে ১০০ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে বলে নিশ্চিত করেছেন বিটিআরসির সচিব মো. সারওয়ার আলম। অবশিষ্ট টাকা কবে পরিশোধ করবে সে ব্যাপারে সিটিসেল কিছু বলেছে কিনা? জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরের ধাপে করণীয় নির্ধারণ করা হবে’।

এর আগে গত ১৯ অক্টোবর ১৪৪ কোটি টাকা পরিশোধ করে সিটিসেল। এই টাকার মধ্যে বকেয়া হিসেবে ১৩০ কোটি ও বাকি ১৪ কোটি টাকা কর হিসেবে জমা দেয়। তবে বিটিআরসির কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ টাকা পরিশোধ না করার কারণে ২০ অক্টোবর সিটিসেলের তরঙ্গ বন্ধ করে দেয় বিটিআরসি। দেনা পরিশোধের প্রতিশ্রুতিতে আদালতের নির্দেশে ১৭ দিন পর সিটিসেলের তরঙ্গ আবার খুলে দেয় বিটিআরসি। তবে আপিল বিভাগ বলেছিল, ১৯ নভেম্বরের মধ্যে আরও ১০০ কোটি টাকা পরিশোধ না করলে সিটিসেল বন্ধ করে দিতে পারবে সরকার।

প্রসঙ্গত, সিটিসেলের কাছে বিটিআরসির পাওনা সর্বমোট ৪৭৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা। গত জুলাই মাসেই সিটিসেলের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার কথা জানিয়েছিল বিটিআরসি। বিকল্প সেবা গ্রহণের জন্য সিটিসেল গ্রাহকদের গত ১৬ আগস্ট পর্যন্ত সময়ও দেয় বিটিআরসি। এরপর থেকেই সিটিসেলে অস্থিরতা শুরু হয়। ১৭ দিন অপারেটরটি বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু হলেও এখন তাদের ৮৭৬টি বিটিএস (টাওয়ার)-এর মধ্যে মাত্র তিনটি চালু রয়েছে। প্রধান কার্যালয় মহাখালীর বাইরে নেই নেটওয়ার্কও। কর্মীদের বেতন না দেওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিতে থেমে থেমে আন্দোলনেরও খবর পাওয়া যাচ্ছে।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top