শিরোনাম

শনিবার, ফেব্রুয়ারী 24, 2018 - কুমিল্লায় আনুষ্ঠানিকভাবে ৪জি চালু করলো গ্রামীণফোন | শনিবার, ফেব্রুয়ারী 24, 2018 - ট্রাভেল বুকিং এ যুক্ত হলেন সাকিব আল হাসান | শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী 23, 2018 - অনলাইন পোর্টালের গুঞ্জনে ক্ষুব্ধ তাসকিন | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 22, 2018 - দর্শনার্থী নেই বেসিস সফটএক্সপোতে ! | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 22, 2018 - বিসিএস নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 22, 2018 - ২০১৭ সালে রবি’র লোকসান ২৮০ কোটি টাকা | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 22, 2018 - বাংলাদেশের গ্রাহকদের জন্য অপো স্মার্টফোনসমূহ ৪জি সেবা দিতে প্রস্তুত | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 22, 2018 - বিইউপিবিজিএ-এর বার্ষিক বনভোজন সম্পন্ন | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 22, 2018 - উদ্বোধন হলো বেসিস সফটএক্সপো ২০১৮’র | বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 22, 2018 - এলো টোটেলিংক এর হাই স্পীড ওয়াইফাই রাউটার |
প্রথম পাতা / অর্থনীতি / প্রতিকুলতা থেকে ঘুরে দাঁড়ানো সেরা দশ প্রতিষ্ঠান

প্রতিকুলতা থেকে ঘুরে দাঁড়ানো সেরা দশ প্রতিষ্ঠান

তীব্র প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে সর্বোচ্চ মুনাফা অর্জনই আজকের যুগে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর লক্ষ্য। এই প্রতিযোগিতাতেই বিভিন্ন কারণে প্রায়ই মুনাফা থেকে ছিটকে পড়ে কোন কোন প্রতিষ্ঠান। মন্দা, পণ্য জটিলতা কিংবা করপোরেট কেলেঙ্কারির মুখে অনেক সময়ই মুখ থুবড়ে পড়ে খ্যাতিমান আর শক্তিশালী বহু প্রতিষ্ঠান। তবে দু:সময়কে জয় করে মুনাফা নিয়ে প্রতিযোগিতায় আবারো সামনের সারিতে চলে আসার উদাহরণও ব্যবসা-বাণিজ্যের জগতে কম নয়। দু:সময় থেকে ঘুরে দাঁড়ানো এমন দশটি প্রতিষ্ঠানের তালিকা সমপ্রতি প্রকাশ করেছেন মার্কিন সাময়িকী ফর্বস।
প্রতিষ্ঠানকে দুর্দশা থেকে টেনে তোলার জন্য দরকার একজন নেতা। ফর্বসের তালিকায় চোখ বুলালেই এর উদাহরণ মিলবে। যেমন ধরা যাক গর্ডন বেথিউনের কথা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল এয়ারলাইনস কন্টিনেন্টাল যখন দ্বিতীয় দফা ঋণখেলাপি হয়ে দেউলিয়া হওয়ার পথে, তখন প্রতিষ্ঠানটির হাল ধরেন বেথিউন। শুধু খেলাপি ঋণ থেকে মুক্তিই নয়, কন্টিনেন্টাল এয়ারলাইনকে তিনি ফিরিয়ে আনেন আগের অবস্থায়। কন্টিনেন্টাল এখন যুক্তরাষ্ট্রের চতুর্থ বৃহত্ প্রতিষ্ঠান। ঘুরে দাঁড়ানো প্রতিষ্ঠানের তালিকায় কন্টিনেন্টাল এয়ারলাইনস আছে পঞ্চম অবস্থানে।
চৌকস নেতৃত্বের জন্য বিশ্বজোড়া খ্যাতি আছে স্টিভ জবসের। পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় নিজের হাতে গড়া অ্যাপল ছেড়েছিলেন ১৯৮৫ সালে। তার চলে যাওয়ার পরই অধপতনে যেতে থাকে অ্যাপল। ১৯৯৫ থেকে ৯৮- এই তিন বছরে অ্যাপল পণ্যের বিক্রি কমে যায় ১৮ শতাংশ। এমন দুঃসময়ে ১৯৯৭ সালে আবারো অ্যাপলের হাল ধরেন স্টিভ জবস। আইম্যাক, আইপড, আইফোন আর সর্বশেষ আইপ্যাডের বিশ্বজোড়া বিশাল সাফল্যের পেছনে ম–ল ভূমিকাটি কিন্তু সেই স্টিভ জবসেরই।
দুর্দশা থেকে মুক্তি পেতে ২০০৬ সালে ঐতিহ্য ভেঙ্গে পরিবারের বাইরে থেকে পরিচালক নিয়োগ দেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফোর্ড। অ্যালান রজার ম–লালি নামের এই ভদ্রলোক তার দায়িত্ব পালন করেছেন দক্ষতার সঙ্গেই। এক তৃতীয়াংশ কর্মী ছাঁটাই আর খরচ কমানোর নানা পন্থা উদ্ভাবন করে ফোর্ডকে দুশ্চিন্ত্মামুক্ত করেছেন তিনি। খরচ না কমিয়ে, বিজ্ঞাপন ব্যয় বাড়িয়েও প্রতিষ্ঠানকে নতুনভাবে যে লাভের মুখ দেখানো যেতে পারে, তার উদাহরণ তালিকার চার নম্বরে থাকা জাপান এবং যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক টায়ার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ব্রিজেস্টোন ফায়ারস্টোন। ফেডারেল আদালতের এক তদন্ত্মে প্রতিষ্ঠানটির টায়ারজনিত ত্রুটিতে কমপক্ষে ৪৬ জনের মৃত্যুর কথা বলা হয়। এ কারণে বাজার থেকে ৬৫ লক্ষ টায়ার উঠিয়ে নেয় প্রতিষ্ঠানটি। এই দুর্নাম ঘোচাতে ‘মেকিং ইট রাইট’ সে¬াগান নিয়ে ২০০১ সালে বিজ্ঞাপন প্রচার শুরু করে তারা। আর এ থেকেই আবার ঘুরে দাঁড়ায় ব্রিজেস্টোন ফায়ারস্টোন।
১. অ্যাপল


নানা প্রতিকুলতা সত্ত্বেও দু:সময় থেকে ঘুরে দাঁড়ানো প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকার শীর্ষ স্থানটি দখল করেছে প্রযুক্তি পণ্য নির্মাণ প্রতিষ্ঠান অ্যাপল। প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে স্টিভ জভস তাঁর দায়িত্ব থেকে সরে দাড়ানোর পর থেকেই সংকটে পড়ে অ্যাপল। ১৯৯০-৯৫ সময়কালে একের পর এক বৈরি পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে হয় অ্যাপলকে। বিক্রি কমে যায় ব্যাপকভাবে। আবারো নেতৃত্বে আসেন স্টিভ জবস। তাঁর হাত ধরে ফ্যাশনেবল ডিভাইস নির্মাণ শুরু করে অ্যাপল। স্টিভ জবসের দায়িত্ব নেয়ার বছর খানেকের মধ্যেই অ্যাপলের মিউজিক ডিভাইস আইপড নিয়ে বিশ্বব্যাপী শুরু হয় উন্মাদনা। এবারের বিশ্বমন্দায় যখন বড় বড় বহু প্রতিষ্ঠানের ধরাশায়ী অবস্থা তখনো যথারিতি লাভের ধারায় টিকে ছিলো অ্যাপল।

২. আইবিএম

বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান আইবিএম। পুরো নাম ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিন। ১৯১১ সাল থেকে কম্পিউটার প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা এই প্রতিষ্ঠান বিশ্বব্যাপী সুলভে ভোক্তাদের হাতে কম্পিউটার তুলে দেবার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। আর এটি করতে গিয়ে ১৯৯০ সালে ৬৪৭০ কোটি মার্কিন ডলার লোকসান দেয় আইবিএম। ৯৩ সাল থেকে আবার ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে প্র্রতিষ্ঠানটি। কম্পিউটার প্রসেসরের বাজারে দুনিয়াজোড়া একচেটিয়া উপস্থিতি আইবিএম-এর। কম্পিউটার সামগ্রী নির্মাণ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আইবিএম-এর অবস্থান দ্বিতীয়। গেলো বছর আইবিএম-এর মুনাফা ছিল ১৩৪০ কোটি মার্কিন ডলার।
৩. টাইকো ইন্টারন্যাশনাল

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক নিরাপত্তা সেবা, অগ্নি নির্বাপন এবং ইলেক্ট্রনিক ও বিভিন্ন যন্¿ তৈরির প্রতিষ্ঠান টাইকো ইন্টারন্যাশনাল। মন্দা সত্ত্বেও ২০০৯ সালে আয় ছিল ১৭০০ কোটি মার্কিন ডলার। তবে মাত্র কয়েক বছর আগেও পরিচালনা পর্ষদের দ্বন্দ্বে তিনভাগ হয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠার পর একচেটিয়া মুনাফা করতে থাকে টাইকো। ২০০০ সাল পর্যন্ত্ম প্রায় দুই ডজন প্রতিষ্ঠানকে কিনে নেয় টাইকো। এর পর থেকে ঋণ, ক্ষতি আর পরিচালকদের শেয়ার কেলেঙ্কারির মত ঘটনায় হোঁচট খেতে শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। ২০০২ সালে এডওয়ার্ড ব্রিন প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব নিয়ে আবারো টেনে তোলেন টাইকোকে। তাঁর নেতৃত্বে আবারো জোড়া লাগে তিনভাগ হওয়া টাইকো।

৪. ব্রিজস্টোন-ফায়ারস্টোন

প্রায় শতবর্ষী টায়ার এবং রাবার নির্মাতা দুই প্রতিষ্ঠান জাপানের ব্রিজেস্টোন এবং যুক্তরাষ্ট্রে ফায়ারস্টোন একীভূত হয় ১৯৮৮ সালে। ২০০০ বেশ কিছু দুর্ঘটনার জন্য ব্রিজেস্টন ফায়ারস্টোনের টায়ারকে দায়ী করে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালত। জরিমানা পরিশোধের পাশাপাশি ত্রুটিপ–র্ণ ৬৫ লাখ টায়ার বদলে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিতে হয় প্রতিষ্ঠানটিকে। কিন্তু অপ্রতুল উত্পাদনের কারণে মাসের পর মাস অপেক্ষায় ছিল ব্রিজেস্টন ফায়ারস্টোনের টায়ার ব্যবহারকারীরা। এমন দুর্দশার পর প্রতিষ্ঠানটি তাদের সুনাম রক্ষার কৌশল হিসেবে বিজ্ঞাপনকে বেছে নেয়। দুই রেসারকে সঙ্গে নিয়ে নতুনভাবে্ ব্র্যান্ডিং-এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের ভাবম–র্তি ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হন এর পরিচালক জন লেম্প। বিশ্ব টায়ার বাজারে শীর্ষ অবস্থানটি ধরে রাখে ব্রিজস্টোন ফায়ারস্টোন।

৫. কন্টিনেন্টাল এয়ারলাইনস

ভয়াবহ সঙ্কটেও ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে উদাহরণ সৃষ্টিকারী প্রতিষ্ঠানটির নাম কন্টিনেন্টাল এয়ারলাইনস। ব্যাংকের কাছে বিশাল অঙ্কের দেনা আর তীব্র শ্রমিক অসন্ত্মোষের মুখে ১৯৮৩-৮৪ সালের দিকে হারিয়ে যেতে বসেছিলো এই মার্কিন এয়ারলাইনসটি। ১৯৯৪ সাল থেকে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে কন্টিনেন্টাল। আর এর কৃতিত্ব প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী গর্ডন বেথিউন। গেলো বছর কন্টিনেন্টাল এয়ারলাইনসের মুনাফা ছিলো ১২৫০ কোটি মার্কিন ডলার।

৬. ফোর্ড মটরস

গাড়ি নির্মাণে যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান ফোর্ড। ২০০৫ সালে বড় ধরনের সংকটে পড়ে ফোর্ড। প্রতিযোগিতায় পালা দিতে গিয়ে বড় ধরনের ঝুঁকি নেন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান উইলিয়াম ক্লে ফোর্ড। মুনাফা বাড়াতে প্রতিষ্ঠানকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেন তিনি। তাঁর সেই উদ্যোগ ব্যর্থ হয়, প্রতিষ্ঠানটি লোকসান দেয় ১৬০ কোটি ডলার। পরের বছর নতুন প্রধান নির্বাহী এলান মুলালীর নেতৃত্বে শুরু হয় ফোর্ডের অগ্রযাত্রা। এক তৃতীয়াংশ কর্মী ছাটাই এবং পুরনো বেশ কিছু মডেল নতুন করে বাজারে ফিরিয়ে আনার মধ্য দিয়ে আবারো লাভের ধারায় ফিরে আসে ফোর্ড। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসেই ২৮১০ কোটি মার্কিন ডলার মুনাফা করেছে ফোর্ড।

৭. অডি

জার্মান গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অডি। ১৯৮৭ সালে গাড়ির অনিয়ন্¿িত গতি বৃদ্ধির কারণে ৫ জনের মৃত্যু ও ২৭১ জনের আহত হওয়ার দায় মাথায় নিয়ে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত্ম দফায় দফায় যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে আড়াই লাখ গাড়ি ফেরত নিতে হয় অডিকে। ব্যাপকভাবে পড়ে যায় অডির বিক্রি। ৯৩ সালে চমকপ্রদ টিভি বিজ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে লাভের ধারায় ফিরে আসে কোম্পানিটি। সে বছরই বিক্রি বাড়ে ৭ শতাংশ। বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত আছে এখনো।

৮. এইচপি

বিশ্বের অন্যতম বৃহত্ কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রের এইচপি ২০০৬ সালে ব্যবস্থাপনাগত জটিলতায় সংকটে পড়ে যায়। কোম্পানির ভেতরকার কোন্দল তদন্ত্ম করে যুক্তরাষ্ট্রের হাউস কমিটি অন এনার্জি এন্ড কমার্স। পদত্যাগ করেন চেয়ারম্যান পেট্রিসিয়া ড্যান। তবে প্রধান নির্বাহী মার্ক হার্ডের নেতৃত্বে এ অবস্থা কাটিয়ে উঠতে খুব বেশি সময় নেয়নি এইচপি। পারসোনাল কম্পিউটারের পাশাপাশি এখন প্রিন্টিং, টেলিযোগাযোগ, সফটওয়্যার ডিজাইনসহ তথ্যপ্রযুক্তির এক ডজনেরও বেশি পণ্য বাজারজাত করছে এইচপি।

৯. এডিডাস

১৯২৪ সালে প্রতিষ্ঠিত জার্মান স্পোর্টস সামগ্রী তৈরির প্রতিষ্ঠান এডিডাস। ১৯৮৭ সালে কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা এডলফ ডেসলার প্রতিষ্ঠানটি বিক্রি করে দেবার পর থেকেই শুরু হয় সংকট। ৯৪ সাল পর্যন্ত্ম ক্রমতাগত লোকসান দিয়ে গেছে এডিডাস। এই সময়ের মধ্যে কোম্পানির ক্ষতির দাঁড়ায় ১৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বিশ্বব্যাপী পড়ে যায় এডিডাসের বিক্রি। ১৯৯৫ সালে নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে লাভের ধারায় ফিরে আসে এডিডাস। গেলো বছর মুনাফা ছিলো ১৫০০ কোটি মার্কিন ডলার।

১০. সিসকো

বিশ্বের অন্যতম বৃহত্ প্রযুক্তি কর্পোরেশন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সিসকো অর্থনৈতিক মন্দার মুখে পড়ে ২০০১ সালে। ২০০২ সালে মুনাফা কমে ১ হাজার ৯০ কোটি ডলার। এ অবস্থা কাটিয়ে উঠতে প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী জন টি চেম্বার্সের পরিকল্পনায় ছাঁটাই করা হয় সাড়ে আট হাজার কর্মী। এক বছরের মধ্যেই সতেরো শতাংশ মুনাফার দেখা পয় সিসকো। কনজুমার ইলেকট্রনিক, নেটওয়ার্ক এবং যোগাযোগ প্রযুক্তি সামগ্রী তৈরির প্রতিষ্ঠান সিসকো গত বছর আয় করেছে ৩৬০০ কোটি মার্কিন ডলার।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top