শিরোনাম

রবিবার, জানুয়ারী 21, 2018 - বাংলালিংকের ‘হেলথলিংক ৭৮৯’ সার্ভিসে যুক্ত হল ‘ডক্টরস অ্যাপয়েন্টমেন্ট’ সুবিধা | রবিবার, জানুয়ারী 21, 2018 - গ্লোবাল ব্র্যান্ড নিয়ে এসেছে লেনোভো আউডিয়াপ্যাড ৩২০ ল্যাপটপ | রবিবার, জানুয়ারী 21, 2018 - ব্যবসায়ীদের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেস | রবিবার, জানুয়ারী 21, 2018 - হ্যাকিংয়ের কাবলে ওয়ানপ্লাস | রবিবার, জানুয়ারী 21, 2018 - আসছে ইন্টেল কোর আই৯ প্রসেসর এর ল্যাপটপ | রবিবার, জানুয়ারী 21, 2018 - বাণিজ্য মেলায় অপো এফ৫ বিজয়ীদের নাম ঘোষণা | শনিবার, জানুয়ারী 20, 2018 - আরও কঠিন হচ্ছে ইউটিউব থেকে উপার্জন | শনিবার, জানুয়ারী 20, 2018 - ফেসবুক হ্যাকড হলে করনীয় | শনিবার, জানুয়ারী 20, 2018 - কর্মজীবি নারীদের মানহানি বন্ধে আহব্বান | শনিবার, জানুয়ারী 20, 2018 - ফেসবুকে মিলবে না নিউজ আপডেট |
প্রথম পাতা / ইন্টারভিউ / বাংলাদেশে পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার বন্ধ করা যাচ্ছে না কথাটা ঠিক নয়
বাংলাদেশে পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার বন্ধ করা যাচ্ছে না কথাটা ঠিক নয়

বাংলাদেশে পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার বন্ধ করা যাচ্ছে না কথাটা ঠিক নয়

Rasel Zahan Mehedi-02মো. রাসেল জাহান মেহেদি ;সিইও, কনসালটেন্ট হাউস
বাংলাদেশে লাইসেন্স সফটওয়্যারের বর্তমান অবস্থা আমি বলব বেশ ভাল। আগের তুলনায় এখন কর্পোরেট লাইসেন্সের ব্যবহার বেড়েছে। তবে সাধারণ মানুষের ভেতর যাদের ক্রয় ক্ষমতা আছে তারা এখনও অবহেলা করছে। এ অবস্থা আরও বেড়ে ২০১৫ – ২০১৬ সাল নাগাদ প্রায় দ্বিগুণ হবে বলে আমর বিশ্বাস। যদিও দেশি তৈরি সফটয়্যারের অগ্রগতি খুব ধীর। ৩৫-৫০ মিলয়ন ডলারের সফটয়্যারের এই মার্কেটে আমাদের নিজস্ব তৈরি সফটয়্যার মার্কেটের পরিমাণ মাত্র ১০ শতাংশ! এটা কাম্য নয়।

বাংলাদেশে পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার বন্ধ করা যাচ্ছে না কথাটা ঠিক নয়। আগের চেয়ে এ অবস্থাটি অনেক কমেছে। লোকাল এবং মাল্টিন্যাশনাল কম্পানীগুলো তাদের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধীরে ধীরে লাইসেন্সের আওতায় নিয়ে আসছে। এটা অবশ্যই একটি ভাল দিক। এই উপমাহাদেশে প্রযুক্তির বৈধ ব্যবহারের দিক দিয়ে আমরা বেশ ভাল অবস্থানে আছি। তবে কিছুটা আমাদের নীতিগত অবহেলা, ভুল জ্ঞানের কারণে এটা একবারে বন্ধ হচ্ছে না বা হবে না। তবে সরকার, সফটওয়্যার নির্মাতা, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং প্রযুক্তির পেশাদার সবার সম্মিলিত প্রয়াসে একটি নির্দিষ্ট সময় সীমা বেঁধে নিয়ে কাজ করে যেতে হবে।

পাইরেটেড সফটয়্যার ব্যবহার একটা ব্যাধির মত। এতে দৈনন্দিন একটি অফিস অথবা একজন পেশাদারের জন্য মূলত কাজের মাত্রা কমিয়ে আনে। দক্ষতা, আধুনিক প্রযুক্তির জ্ঞানের অন্তরায়। সেই সাথে সাথে নতুন নতুন কম্পিউটার , ইন্টারনেটের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাস, ম্যালয়্যারের মত বিভিন্ন ক্ষতিকর ব্যাপারগুলো সময় এবং অর্থ অপচয় করায়। তবে অপার সম্ভবনাও আছে এই খাতে। ভাল দিক হল, উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে ক্রয় ক্ষমতার চেয়েও প্রযুক্তি ব্যবহারের ঝোঁক এবং বৈধ সফটয়্যার ব্যবহারের ইচ্ছা দুটি-ই বেশি। যদিও সাধারণ ব্যবহারকারীদের সংখ্যা খুবই কম। এক্ষেত্রে বিশ্বজুড়ে সফটয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এবং আমাদের সরকারকে একসাথে এগিয়ে আসতে হবে।

পাইরেটেড সফটয়্যারে ব্যবহারের ক্ষতিকর দিকগুলো এবং এর বৈধ ব্যবহারের সুবিধাগুলো বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল, সেমিনার এর মাধ্যমে এওয়রেনেস বাড়াতে হবে। ক্রয় মূল্যকে একটি সহনশীল পর্যায় রেখে অথবা বিশেষ সুযোগের মাধ্যমে একটি পর্যায় পর্যন্ত (হতে পারে ৫ বছরের একটি প্যাকেজ) সবাইকে লাইসেন্সের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। আইনের প্রয়োগ কখনও কখনও উদাহরণ হতে পারে ক্রয়ক্ষম প্রতিষ্ঠানগুলোকে পাইরেটেড লাইসেন্স ব্যবহার করতে। সরকারের উচিত আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান নির্মিত সফটয়্যারের ট্যাক্স কিছুটা কমিয়ে/রেয়াত সুযোগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্রয় পরিবেশের সুযোগ তৈরি করে দেওয়া এবং স্থানীয় সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুদমুক্ত ঋণ দিয়ে একটি নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিয়ে স্থানীয় মার্কেটে প্রসার বাড়ানো সম্ভব।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top