শিরোনাম

শনিবার, মার্চ 25, 2017 - ঢাকায় রোজেন বারগার টেকনোলজিষ্টের পার্টনার্স নাইট | বৃহস্পতিবার, মার্চ 23, 2017 - উভয় পাশ স্ক্যান সুবিধার স্ক্যানার আনলো ইপসন | বৃহস্পতিবার, মার্চ 23, 2017 - প্রপার্টি ভাড়া ও কেনা-বেচায় বিপ্রপার্টি ডটকম | বুধবার, মার্চ 22, 2017 - স্বল্পমূল্যের ল্যাপটপ কিনতে সাবধান ! | শুক্রবার, মার্চ 17, 2017 - বাংলাদেশে ইউসিসিকে একমাত্র পরিবেশক ঘোষনা করলো ট্রান্সসেন্ড | শুক্রবার, মার্চ 17, 2017 - এসএসডি-টেক এবং প্যাভিলিয়নের মধ্যে কন্টেন্ট পার্টনারশিপ সম্পন্ন | শুক্রবার, মার্চ 17, 2017 - মোবাইল অ্যাপস চালু করলো উরি ব্যাংক | শুক্রবার, মার্চ 17, 2017 - গার্ডিয়ান লাইফ এর জন্য মোবাইল অ্যাপ তৈরি করবে এসএসএল ওয়্যারলেস | বুধবার, মার্চ 15, 2017 - মাইক্রোম্যাক্সের নতুন দুইটি মডেলের স্মার্টফোন | বুধবার, মার্চ 15, 2017 - ডুয়াল ব্যাক ক্যামেরার হ্যালিও স্মার্টফোন আনল এডিসন গ্রুপ |
প্রথম পাতা / সাম্প্রতিক খবর / ফিচার পোস্ট / বাংলাদেশে বাড়ছে ডিজিটাল কনজ্যুমারের সংখ্যা
বাংলাদেশে বাড়ছে ডিজিটাল কনজ্যুমারের সংখ্যা

বাংলাদেশে বাড়ছে ডিজিটাল কনজ্যুমারের সংখ্যা

‘দ্য রাইজ অফ দ্য ডিজিটাল কনসিউমার ক্লাস’ নামে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে লাইট ক্যাসেল পার্টনার্স(এলসিপি)। গতকাল রাজধানীর ইএমকে সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে রিপোর্টটি উন্মুক্ত করা হয়েছে।
The-Rise-of-Digital-Consumer-corporateমূলত, বাংলাদেশের টেকনোলজি ব্যবহারকারী এবং ডিজিটাল কনজ্যুমার এবং এর সম্ভাবনা নিয়ে পরিসংখ্যানসহ তৈরি করা হয়েছে রিপোর্টটি। বাংলাদেশের ডিজিটাল কনজ্যুমারদের বর্তমান অবস্থা বুঝার জন্য এলসিপি বাংলাদেশের তিনটি উন্নয়নশীল মার্কেট ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং সিলেটের ৪৫০ কনজ্যুমারদের উপর একটি অনলাইন রিসার্চ চালিয়েছিল। রিসার্চ বলছে, বাংলাদেশে মধ্যবিত্ত এবং উচ্চ মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মধ্যে (যাদের মাসিক আয় ২৫১-৬৫০ ডলার) ডিজিটাল উপায়ে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করার হার অনেক বেড়েছে। রিসার্চে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৩৫ শতাংশের বয়স ছিল ২০-৩০ বছর এবং ৬৪.৪ শতাংশ মানুষের বয়স ছিল ২০-৪০ বছরের মধ্যে।
বাংলাদেশি ডিজিটাল কনজ্যুমার ক্লাসঃ
রিপোর্টটির তথ্য অনুযায়ী ডিজিটাল কনজ্যুমারদের ৪ ভাগে বিভক্ত:
১। আর্লি স্টার্টার্স :রিসার্চে অংশ নেয়া ৫১% ব্যবহারকারী আর্লি স্টার্টার্স। তাদের মধ্যে ২৬% চট্টগ্রামে থাকে। বাকিরা বেশিরভাগ সময় ঢাকার আশপাশই থাকছে।
২। ডিজিটাল কনজ্যুমার :বাংলাদেশে ঢাকার ডিজিটাল ব্যবহারকারীদের মধ্যে ১৯% কাপড় এবং শিশু পণ্য কিনতে ই-কমার্স সাইট ব্যবহার করছে।
৩। ট্র্যাডিশনালিস্টস :২৩% ব্যবহারকারী অনলাইনে পণ্য সম্পর্কে ধারণা নিয়ে নিজে গিয়ে পণ্য কিনতেই বেশি পছন্দ করেন। ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং সিলেটের মানুষ মূলত অনলাইনে যোগাযোগ করতেই বেশি পছন্দ করেন।
৪। কানেক্টেড মায়েস্ট্রো :রিসার্চে অংশ নেয়া শতভাগ ব্যবহারকারীদেরই ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে। এ ছাড়া অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বেশিরভাগই পরিবারের সবচেয়ে বড় আয়ের উত্স এবং তারা অনলাইনে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করতে পছন্দ করেন।
বাংলাদেশে ই-কমার্স সাইটের কনজ্যুমার
বর্তমানে বাংলাদেশে ই-কমার্স সাইটের কনজ্যুমার যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি। এলসিপিরি রিপোর্টটি বলছে, ২১% ব্যবহারকারী এখানেইডটকম থেকে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করতে পছন্দ করেন। এরপরের অবস্থানে রয়েছে অন্যান্য সাইটগুলো। ১৭% শেয়ার নিয়ে তিনে রয়েছে বিক্রয় ডট কম। বাংলাদেশের বেশিরভাগ ই-কমার্স সাইটগুলো সিটুসি (কনজ্যুমার টু কনজ্যুমার) সেবা ব্যবহার করেন। এখানেই, বিক্রয়, প্রিয়শপ এসব সাইট অনেক এগিয়ে। বিজনেস টু কনজ্যুমার সেবায় ভিত্তি করে ই-কমার্স সাইটগুলো অনলাইনে পণ্য বিক্রি করে যাচ্ছে। তাছাড়া বাংলাদেশের গার্মেন্টস সেক্টর বিদেশি ক্রেতাদের সাথে বিজনেস টু বিজনেস সেবা বেশি ব্যবহার করছে।
ই-কমার্স সাইটে বাংলাদেশের গ্রাহকদের খরচের নমুনা
বাংলাদেশের ই-কমার্স সাইটগুলোতে অনলাইন ক্রেতা অনেক বেড়ে গিয়েছে। তাদের মধ্যে ১৮% প্রতিদিন এবং ২২% সপ্তাহে একবার করে ই-কমার্স সাইটগুলো ব্যবহার করছেন। তাদের মধ্যে ৩৩% সপ্তাহের ছুটির দিনগুলোতে শপিং করতে পছন্দ করেন। ৩৭% সাড়া বছরে একবার হলেও ই-কমার্স সাইট ব্যবহার করছেন। বাংলাদেশের মানুষ সবচেয়ে বেশি কেনাকাটা করেন বিভিন্ন ধর্মীয় উত্সবে ২৭% এবং নববর্ষে ২০%। রিসার্চ আরও বলছে—২৮% ব্যবহারকারী ১ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকার পণ্য ক্রয় করেন ই-কমার্স থেকে। এসবের মধ্যে ফ্যাশন পণ্য কেনেন ২২% এবং অন্যান্য পণ্য কেনেন ১৮%। ২৯.৬০% ব্যবহারকারী ৫০১-১০০০ টাকার পণ্য কিনতে ব্যবহার করেন। রিসার্চ বলছে শুধুমাত্র ৯% ব্যবহারকারী ১০০০ টাকার বেশি পণ্য কিনতে ব্যবহার করেন। ২০০৯ সাল থেকে অনলাইনে পেমেন্ট সেবা আনার পর থেকে ই-কমার্স সাইটগুলোর পণ্য বিক্রি আগের চেয়ে অনেক বেড়ে গেছে। তারপরও ৬৭% মানুষ এখনও ক্যাশ অন ডেলিভারি সিস্টেম (সিওডি) ব্যবহার করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তাদের মধ্যে আবার ৩২% মোবাইল পেমেন্ট সেবা ব্যবহার করেন। বাংলাদেশে থ্রিজি ইন্টারনেট ব্যবহার বেড়ে যাওয়াতেও মোবাইল ভিত্তিক সেবা অনেক বেড়ে গেছে। রিসার্চে অংশ নেয়া ব্যবহারকারীদের ৩৮% আগামী বছরের মধ্যে অনলাইনে কেনাকাটা আরও বাড়াতে চায়। অর্থাত্ যদি সহজে বলা হয় তাহলে—আগামী ১২ মাসের মধ্যে অনলাইনে কেনাকাটা অনেক বেশি বেড়ে যাবে। মাত্র ৪% অংশগ্রহণকারী ইলেক্ট্রনিক এবং গ্রোসারি পণ্য কিনতে অনলাইনের উপর ভরসা করেন। তবে রিসার্চ বলছে ভবিষ্যতে পণ্য বিক্রি অনেক বেশি বেড়ে যাবে। অনলাইন খাদ্য-পণ্য এবং গ্রোসারি পণ্যের ব্যবসার সম্ভাবনাও বাংলাদেশে অনেক বেশি। লাইটক্যাসেল পার্টনার্সের প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও বিজন ইসলাম রিপোর্টটি সম্পর্কে বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ এখনও অনলাইনে যোগাযোগ করেই সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করেন। তবে খুব তাড়াতাড়ি বাংলাদেশের ডিজিটাল সাইটগুলো অনেক বেশি ক্রেতা পাবে। ডিজিটাল ব্যবসায়ীরা তাই এখনই সজাগ হয়ে যেতে পারেন’। পুরো রিপোর্টটি http://goo.gl/D6I04f লিংকে ক্লিক করে ফর্মটি পূরণ করতে পারবে যে কেউ।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top