শিরোনাম

বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - রবি ও ট্রমা ইনস্টিটিউটের মধ্যে কর্পোরেট চুক্তি সই | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - দেশের বাজারে হুইনের তারবিহীন কিউ১১কে গ্রাফিক্স ট্যাবলেট উন্মোচন | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটির তথ্যপ্রযুক্তি সম্পর্কিত ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে ফক্সকন | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - স্মার্ট টেকনোলজি ও সিভিল এভিয়েশনের চুক্তি সই | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - ফিরে আসছে সিটিসেল | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - আসছে স্মার্ট রিং | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - মহাকাশযানে লেটুস চাষ | বৃহস্পতিবার, জুলাই 27, 2017 - ফেসবুকের আয় প্রত্যাশা ছাড়িয়ে | বুধবার, জুলাই 26, 2017 - শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক এর ঋণ সহায়তা পাবেন বেসিস সদস্যরা |
প্রথম পাতা / অর্থনীতি / বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রত্যাশার বেশিরভাগই উপেক্ষিত
বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রত্যাশার বেশিরভাগই উপেক্ষিত

বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রত্যাশার বেশিরভাগই উপেক্ষিত

সম্প্রতি পেশ করা প্রস্তাবিত বাজেটে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতের উন্নয়নে প্রাপ্তির চেয়ে প্রত্যাশার বেশিরভাগই উপেক্ষিত হয়েছে। এই খাতে বাজেট কিছুটা বৃদ্ধি, কর্পোরেট ট্যাক্স ২০২৪ সাল পর্যন্ত মওকুফ, কম্পিউটার পণ্যের শুল্ক কমানো ও দেশীয় সফটওয়্যারের প্রসারে কাস্টমাইজড সফটওয়্যার আমদানিতে শুল্ক আরোপসহ বেশ কয়েকটি বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হলেও সংশ্লিষ্টদের বাজেট প্রত্যাশার অধিকাংশই আলোর মুখ দেখেনি।

বৃহস্পতিবার ‘বাজেট প্রতিক্রিয়া’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এমনই আক্ষেপের কথা জানান দেশের আইসিটি খাতের তিন শীর্ষস্থানীয় সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস), বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) ও ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) এর নেতৃবৃন্দ। বেসিস সভাকক্ষে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তারা এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বেসিস সভাপতি শামীম আহসান, বিসিএস সভাপতি এএইচএম মাহফুজুল আরিফ ও আইএসপিএবি সভাপতি এম.এ হাকিম। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন বেসিসের মহাসচিব উত্তম কুমার পাল, কোষাধ্যক্ষ শাহ ইমরাউল কায়ীশসহ বেসিস, বিসিএস ও আইএসপিএবি’র কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ।

বেসিস সভাপতি শামীম আহসান বলেন, প্রতিবছরই বাজেট পেশ করার আগেই তথ্য প্রয্ুিক্ত খাতের পক্ষ থেকে বেশ কিছু প্রস্তাবনা পেশ করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় এবছরও মাননীয় অর্থমন্ত্রী ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে বেসিস, বিসিএস ও আইএসপিএবি’র পক্ষ থেকে বেশ কিছু প্রস্তাবনা দেওয়া হয়। তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর সেবায় আয়কর অব্যাহতি ২০২৪ সাল পর্যন্ত বর্ধিত করা, ই-কমার্সের মাধ্যমে কেনাকাটা জনপ্রিয় করতে প্রাথমিকভাবে আগামী ৩-৫ বছরের জন্য ই-কমার্সের সকল লেনদেনের ওপর থেকে খুচরা বিক্রয় পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর প্রত্যাহার এবং সরবরাহ পর্যায়ে উৎস করের বিধান রহিত করাসহ বেশ কিছু বিষয় অন্তর্র্ভুক্তির প্রস্তাব করা হয়। তবে অধিকাংশ প্রস্তাবনা উপেক্ষিত রয়েছে। দেশের সম্ভাবনাময় ই-কমার্স খাতের ওপর ৪ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ই-কমার্স খাতের বিকাশ বাধাগ্রস্থ হবে। তাই আশাকরি মাননীয় অর্থমন্ত্রী চূড়ান্ত বা সংশোধিত বাজেটে এই বিষয়টিসহ আমাদের সম্মিলিত প্রস্তাবগুলো আবারও বিবেচনা করবেন।

budget-basis-ispab-bcs

বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি এএইচএম মাহফুজুল আরিফ বলেন, বাজেটে হার্ডওয়্যার খাত ও আইটি অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয়টি উপেক্ষিত হয়েছে। অথচ হার্ডওয়্যার ও আইটি অবকাঠামো ছাড়া তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়ন অসম্ভব। কিন্তু লক্ষ্য করেছি, হার্ডওয়্যার শিল্পকে বাইরে রেখেই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সেবা খাতে প্রণোদনা দেয়া হয়েছে। আমদানি পর্যায়ে উৎস কর ও মূসকের হার হ্রাস কমানোর প্রস্তাব বিবেচনা করা হয়নি। কেবল মাল্টি প্রিন্টারে ৫% এবং কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তিতে ব্যবহৃত ক্যামেরা ও মোবাইল পাওয়ার ব্যাংকের ক্ষেত্রে ১৫% আমদানী শুল্ক কমানো হয়েছে। অথচ মাল্টিফাংশনাল প্রিন্টারের কার্টিজ বা টোনার, এইচডিএমআই/ডিভিআই যুক্ত মনিটর, ডিজিটাল শিক্ষা উপকরণ, ইন্টারনেট সংযোগের জন্য নেটওয়ার্কিং ডিভাইস ইত্যাদি পণ্যে অতিরিক্ত করের চাপ রয়েই গেছে।

আইএসপিএবি সভাপতি এম.এ হাকিম বলেন, এবারের প্রস্তাবিত বাজেটে আইএসপিএবির প্রস্তাবনা সবচেয়ে বেশি উপেক্ষিত হয়েছে। কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক ইকুইপমেন্ট ও ফাইবার অপটিক ক্যাবলের দাম কমানো ছাড়া অন্য প্রস্তাবনাগুলো বিবেচনা করা হয়নি। বাজেটে ব্যবহারকারী পর্যায়ে ইন্টারনেটে ১৫ শতাংশ মূসক অব্যাহত রাখার বিষয়টিও দেশের তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশে অন্তরায় হয়ে থাকবে। মোবাইল ফোনে সকল খরচের ওপর ৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের নিরুৎসাহিত করবে। এতে ইন্টারনেট নির্ভর আয়ের ওপর প্রতিবন্ধকতা পড়বে। আর এ জন্য ইন্টারনেটের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকল্পে ও প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণের জন্য ইন্টরনেট সামগ্রীর উপর থেকে ভ্যাট ও শুল্ক প্রত্যাহারের জন্য আবারো অর্থমন্ত্রী মহোদয়ের নিকট আপনাদের মাধ্যমে জোর দাবি জানাচ্ছি।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top