শিরোনাম

বুধবার, সেপ্টেম্বর 20, 2017 - ৩ দিন বন্ধ থাকবে প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল | বুধবার, সেপ্টেম্বর 20, 2017 - ডিসেম্বরের মধ্যে ফোর-জি চালু:তারানা হালিম | বুধবার, সেপ্টেম্বর 20, 2017 - ভিসা কার্ড ব্যবহারকারীদের জন্য বাগডুম ডটকম নিয়ে এলো দারুণ অফার | বুধবার, সেপ্টেম্বর 20, 2017 - দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারী ব্যাকআপ দিবে আইটেল পি ১১ স্মার্টফোন | বুধবার, সেপ্টেম্বর 20, 2017 - ভিসা এবং এসএসএলকমার্জ শুরু করলো অনলাইন ধামাকার দ্বিতীয় রাউন্ড | মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর 19, 2017 - প্রতিশ্রুতিশীল প্রযুক্তি বিষয়ক স্টার্টআপের খোঁজে সিডস্টারস ওয়ার্ল্ড | মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর 19, 2017 - ফেইসবুকে কাউকে বন্ধু করার ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা জরুরি | মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর 19, 2017 - ম্যার্শম্যালো এখনো শীর্ষে | মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর 19, 2017 - দীর্ঘক্ষণ ব্যাটারি ব্যাকআপ দেবে ওয়ালটনের নতুন ফোন | মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর 19, 2017 - হ্যাকারের হানায় ঝুঁকিতে সিক্লিনার ব্যবহারকারীদের ডিভাইস |
প্রথম পাতা / অফবিট / বাতিল প্লাস্টিক থেকে তৈরি হচ্ছে জ্বালানি
বাতিল প্লাস্টিক থেকে তৈরি হচ্ছে জ্বালানি

বাতিল প্লাস্টিক থেকে তৈরি হচ্ছে জ্বালানি

bottleপ্লাস্টিক ব্যাগ, PET বোতল, খাবারের মোড়ক ও আরও অনেক জিনিস পড়ে থাকে বাড়ির এক কোণে৷ এবার সেগুলো আপনি কাজে লাগাতে পারবেন৷ পুনের একটি সংস্থা দিচ্ছে এর উত্তর৷ বাতিল প্লাস্টিক থেকে এরা তৈরি করছে পলি-ফুয়েল৷

পুনের এই সংস্থাটির নাম রুদ্র এনভায়রনমেন্ট সলিউশনস৷প্রতিষ্ঠতা ৪৮ বছরের মেঘা তাদপাত্রীকর৷ জানিয়েছেন, “আমার জীবনে অতিরিক্ত প্লাস্টিক এসে পড়েছে৷ প্লাস্টিক নিয়ে আমি স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছি৷ আর সবচেয়ে ভালো কথা, যখন কেউ আমাদের জন্য প্লাস্টিক সংগ্রহ করে, সে সর্বত্র প্লাস্টিক দেখতে পায়৷ একটা সময় ছিল যখন কেউ বুঝতেই পারেনি প্রতিদিন তারা কত প্লাস্টিক বাতিল করছে৷ এখন তারা রাস্তায় প্লাস্টিক দেখে৷ এর খারাপ দিক বুঝতে পারে৷ বুঝতে পারে এর পরিবর্তন দরকার৷”

মেধা ও তাঁর দল একটি মেশিন তৈরি করেছে৷ পাইরোলিসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মেশিনগুলি পলি-ফুয়েল তৈরি করে৷ ২০০৯ সালে এর সূত্রপাত৷ মেধা ও শিরিষ এন ফাদতারে মহারাষ্ট্রের থানে গিয়েছিলেন৷ সেখানে তাঁরা দেখেছিলেন ২টি হরিণ প্লাস্টিক ব্যাগ খেয়ে মারা গেছে৷ এরপরই বাতিল প্লাস্টিক রিসাইকেল করার কথা মাথায় আসে তাঁদের৷ তৈরি হয় রুদ্র এনভায়রনমেন্ট সলিউশনস৷ তবে তাঁদের প্রযুক্তি নিয়ে কোনও জ্ঞান ছিল না৷ তাঁদের ব্যাকগ্রাউন্ড আইন ও মার্কেটিং৷ মেধা জানিয়েছেন, “প্লাস্টিক তৈরি হয় অপরিশোধিত তেল দিয়ে৷ তাই আমরা প্রক্রিয়াটি উলটো করে সেখান থেকে জ্বালানি তৈরির কথা ভাবি৷”

মেশিনটি প্রথমবার ব্যবহার করার পর তাঁরা বুঝতে পারেন সেখান থেকে ক্ষতিকারক গ্যাস বের হচ্ছে৷ তাই তাঁরা ২ বছর সময় নিয়ে বিষয়টি নিয়ে কাজ করেন৷ তারপর দ্বিতীয় মডেল আনেন৷ সেই মেশিনটি চালানোর জন্য বের হওয়া গ্যাস ব্যবহার হত৷ ২০১৪ সালে তাঁরা তৃতীয় মেশিন তৈরি করেন৷

সংগৃহীত বর্জ্য পদার্থগুলি প্রথমে চুল্লিতে জড়ো করা হয়৷ এতে অক্সিজেন লাগে না৷ চুল্লিতে একটি অনুঘটক দেওয়া হয়৷ তাতেই গরম হতে শুরু করে প্লাস্টিক৷ প্রায় ১৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে মেশিন থেকে মিথেন, প্রোপেনের মতো গ্যাস নির্গত হতে শুরু করে৷ এই গ্যাসগুলো এক জায়গায় আবদ্ধ করা হয়৷ পরের ধাপে মেশিন গরম করতে এগুলি কাজে লাগে৷ প্রতি ১০০ কেজি প্লাস্টিকে ৪৫ থেকে ৬৫ লিটার জ্বালানি তৈরি হয়৷ মেশিনে যা দেওয়া হয়, তার ২০ শতাংশ গ্যাসে পরিবর্তিত হয়৷ পড়ে থাকে জল ও কাদা৷ এই কাদা খুব ভালো পলিমার৷ রাস্তা তৈরি করতে এই পলিমার ব্যবহার করা যেতে পারে৷ সংস্থাটি এই পলিমার স্থানীয় বিল্ডারদের দেয়৷ যাতে তারা বাড়ি বানানোর কাজে এগুলি লাগাতে পারে৷ এভাবে বাতিল প্লাস্টিকের ১০০ শতাংশই রিসাইকেল হয়ে যায়৷

মেধা বলেছেন, “পুনের কোনও গ্রামে যদি আপনি যান, দেখবেন সেখানে মানুষ কেরোসিন ব্যবহার করে না৷ কারণ তাদের এগুলি ব্যবহার করার সামর্থ্য নেই৷ তাই তারা জ্বালানির জন্য কাঠ ও প্লাস্টিক ব্যবহার করে৷ এতে পরিবেশের ক্ষতি হয়৷ আমরা সেখানকার মহিলাদের সঙ্গে যোগাযোগ করি৷ আমাদের তৈরি জ্বালানি উপযুক্ত দামে বিক্রি করি৷ এটা অনেক্ষণ ধরে চলে৷ তাই তাদের জন্য এই জ্বালানি খুব উপকারী৷”

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top