শিরোনাম

বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 23, 2017 - বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাংকিং নিয়ে ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির সংবাদ সম্মেলন | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 23, 2017 - বাংলাদেশে ডেলইএমসি এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার চালু | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 23, 2017 - চীনে স্কাইপ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 23, 2017 - আসছে দুই সিমের আইফোন | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 23, 2017 - অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলের জন্য অসাধারণ অ্যাপ ফেসবুক-এর | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 23, 2017 - ইয়োন্ডার মিউজিক বাংলাদেশের এক নম্বর মিউজিক অ্যাপ | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 23, 2017 - উদিয়মান ব্রান্ড হিসেবে লিনেক্স পেল ‘গ্লোবাল ব্রান্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০১৭’ | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 23, 2017 - ইউনিক বিজনেস সিস্টেমস লিমিটেড ডিলার সেলিব্রেশন ২০১৭ | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর 23, 2017 - এলো ডেলের নতুন ইন্সপাইরন এন৭৩৭০ ল্যাপটপ | বুধবার, নভেম্বর 22, 2017 - আবার স্মার্টফোনে ফিরছে ইন্টেল |
প্রথম পাতা / অফবিট / বাতিল প্লাস্টিক থেকে তৈরি হচ্ছে জ্বালানি
বাতিল প্লাস্টিক থেকে তৈরি হচ্ছে জ্বালানি

বাতিল প্লাস্টিক থেকে তৈরি হচ্ছে জ্বালানি

bottleপ্লাস্টিক ব্যাগ, PET বোতল, খাবারের মোড়ক ও আরও অনেক জিনিস পড়ে থাকে বাড়ির এক কোণে৷ এবার সেগুলো আপনি কাজে লাগাতে পারবেন৷ পুনের একটি সংস্থা দিচ্ছে এর উত্তর৷ বাতিল প্লাস্টিক থেকে এরা তৈরি করছে পলি-ফুয়েল৷

পুনের এই সংস্থাটির নাম রুদ্র এনভায়রনমেন্ট সলিউশনস৷প্রতিষ্ঠতা ৪৮ বছরের মেঘা তাদপাত্রীকর৷ জানিয়েছেন, “আমার জীবনে অতিরিক্ত প্লাস্টিক এসে পড়েছে৷ প্লাস্টিক নিয়ে আমি স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছি৷ আর সবচেয়ে ভালো কথা, যখন কেউ আমাদের জন্য প্লাস্টিক সংগ্রহ করে, সে সর্বত্র প্লাস্টিক দেখতে পায়৷ একটা সময় ছিল যখন কেউ বুঝতেই পারেনি প্রতিদিন তারা কত প্লাস্টিক বাতিল করছে৷ এখন তারা রাস্তায় প্লাস্টিক দেখে৷ এর খারাপ দিক বুঝতে পারে৷ বুঝতে পারে এর পরিবর্তন দরকার৷”

মেধা ও তাঁর দল একটি মেশিন তৈরি করেছে৷ পাইরোলিসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মেশিনগুলি পলি-ফুয়েল তৈরি করে৷ ২০০৯ সালে এর সূত্রপাত৷ মেধা ও শিরিষ এন ফাদতারে মহারাষ্ট্রের থানে গিয়েছিলেন৷ সেখানে তাঁরা দেখেছিলেন ২টি হরিণ প্লাস্টিক ব্যাগ খেয়ে মারা গেছে৷ এরপরই বাতিল প্লাস্টিক রিসাইকেল করার কথা মাথায় আসে তাঁদের৷ তৈরি হয় রুদ্র এনভায়রনমেন্ট সলিউশনস৷ তবে তাঁদের প্রযুক্তি নিয়ে কোনও জ্ঞান ছিল না৷ তাঁদের ব্যাকগ্রাউন্ড আইন ও মার্কেটিং৷ মেধা জানিয়েছেন, “প্লাস্টিক তৈরি হয় অপরিশোধিত তেল দিয়ে৷ তাই আমরা প্রক্রিয়াটি উলটো করে সেখান থেকে জ্বালানি তৈরির কথা ভাবি৷”

মেশিনটি প্রথমবার ব্যবহার করার পর তাঁরা বুঝতে পারেন সেখান থেকে ক্ষতিকারক গ্যাস বের হচ্ছে৷ তাই তাঁরা ২ বছর সময় নিয়ে বিষয়টি নিয়ে কাজ করেন৷ তারপর দ্বিতীয় মডেল আনেন৷ সেই মেশিনটি চালানোর জন্য বের হওয়া গ্যাস ব্যবহার হত৷ ২০১৪ সালে তাঁরা তৃতীয় মেশিন তৈরি করেন৷

সংগৃহীত বর্জ্য পদার্থগুলি প্রথমে চুল্লিতে জড়ো করা হয়৷ এতে অক্সিজেন লাগে না৷ চুল্লিতে একটি অনুঘটক দেওয়া হয়৷ তাতেই গরম হতে শুরু করে প্লাস্টিক৷ প্রায় ১৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে মেশিন থেকে মিথেন, প্রোপেনের মতো গ্যাস নির্গত হতে শুরু করে৷ এই গ্যাসগুলো এক জায়গায় আবদ্ধ করা হয়৷ পরের ধাপে মেশিন গরম করতে এগুলি কাজে লাগে৷ প্রতি ১০০ কেজি প্লাস্টিকে ৪৫ থেকে ৬৫ লিটার জ্বালানি তৈরি হয়৷ মেশিনে যা দেওয়া হয়, তার ২০ শতাংশ গ্যাসে পরিবর্তিত হয়৷ পড়ে থাকে জল ও কাদা৷ এই কাদা খুব ভালো পলিমার৷ রাস্তা তৈরি করতে এই পলিমার ব্যবহার করা যেতে পারে৷ সংস্থাটি এই পলিমার স্থানীয় বিল্ডারদের দেয়৷ যাতে তারা বাড়ি বানানোর কাজে এগুলি লাগাতে পারে৷ এভাবে বাতিল প্লাস্টিকের ১০০ শতাংশই রিসাইকেল হয়ে যায়৷

মেধা বলেছেন, “পুনের কোনও গ্রামে যদি আপনি যান, দেখবেন সেখানে মানুষ কেরোসিন ব্যবহার করে না৷ কারণ তাদের এগুলি ব্যবহার করার সামর্থ্য নেই৷ তাই তারা জ্বালানির জন্য কাঠ ও প্লাস্টিক ব্যবহার করে৷ এতে পরিবেশের ক্ষতি হয়৷ আমরা সেখানকার মহিলাদের সঙ্গে যোগাযোগ করি৷ আমাদের তৈরি জ্বালানি উপযুক্ত দামে বিক্রি করি৷ এটা অনেক্ষণ ধরে চলে৷ তাই তাদের জন্য এই জ্বালানি খুব উপকারী৷”

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top