শিরোনাম

মঙ্গলবার, অক্টোবর 17, 2017 - ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের ডিজিটাল পেমেন্ট সার্ভিস ইউপের যাত্রা শুরু | মঙ্গলবার, অক্টোবর 17, 2017 - হুয়াওয়ে মেট ১০ এ যা আছে | মঙ্গলবার, অক্টোবর 17, 2017 - শাওমির নতুন ফোন রেডমি ৫এ | মঙ্গলবার, অক্টোবর 17, 2017 - ফাঁস হয়ে গেল নোকিয়া ৯ এর গোপন সমস্ত তথ্য | মঙ্গলবার, অক্টোবর 17, 2017 - হ্যাকারদের লক্ষ্য বাংলাদেশসহ অন্যান্য এশিয়ার দেশগুলোর ব্যাংকগুলো | মঙ্গলবার, অক্টোবর 17, 2017 - এডিএন ইডু সার্ভিসেস এর উদ্দেগে এজাইল বিষয়ক কর্মশলা অনুষ্ঠিত | মঙ্গলবার, অক্টোবর 17, 2017 - প্রথম ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডসে গ্রামীণফোনের ব্যাপক সাফল্য | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - গুগলের এই এয়ারপড হেডফোন যখন ট্রান্সলেটর | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - কম্পিউটার গেমের আসক্তিতে হতে পারে ভয়াবহ পরিণতি | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - ওটিসি ড্রাগ বিষয়ে সচেতনতা জরুরি |
প্রথম পাতা / সাম্প্রতিক খবর / ফিচার পোস্ট / বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ‘গেম চেঞ্জার’ ট্যাবলেট
বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ‘গেম চেঞ্জার’  ট্যাবলেট

বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ‘গেম চেঞ্জার’ ট্যাবলেট

gamechanger-tabপ্রযুক্তিপণ্যের বাজার বরাবরই পরিবর্তনশীল। বিশেষ করে কাজের ধরন ব্যক্তিত্বের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ভোক্তারা সবসময় ট্রেন্ডি থাকতে চান। টেক কোম্পানিগুলোও বিষয়টিতে বেশ গুরুত্ব দেয়। তাই তাদের নিরন্তর চেষ্টা থাকে অনন্য কিছু ফিচার সন্নিবেশের মাধ্যমে নিজেদের পণ্যকে আরো আকর্ষণীয় করে তোলার।

এমনই একটি উদ্ভাবনী প্রযুক্তিপণ্য হলো ট্যাবলেট। ল্যাপটপ ঘরানা থেকে বেরিয়ে এসে এটি প্রযুক্তিবাজারে সম্পূর্ণ নতুন ট্রেন্ড চালু করে। মাইক্রোসফট প্রথম বাজারে আনলেও অ্যাপলই কিন্তুট্যাবলেটউন্মাদনা ছড়িয়ে দিয়েছিল সবার মাঝে। কোম্পানিটির তৈরি আইপ্যাড প্রকৃত অর্থেই যেগেম চেঞ্জারছিল, সে বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করার মতো মানুষ হয়তো খুব বেশি পাওয়া যাবে না।

শুরুটা ছিল ২০১০ সালে। গত সাত বছরে আইপ্যাডে খুব বেশি বাহ্যিক পরিবর্তন আসেনি। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আধুনিক হালনাগাদ হয়েছে বৈকি। দ্বিতীয় প্রজন্মের আইপ্যাড প্রো এক্ষেত্রে আরো বেশি স্বকীয়। গেল মাসে দুটি মডেলের নতুন আইপ্যাড প্রো বাজারে ছাড়া হয়। একটি ১২ দশমিক ইঞ্চি পর্দাবিশিষ্ট, অন্যটি ১০ দশমিক ইঞ্চির। দুটি মডেলেই ব্যবহার করা হয়েছে এ১০এক্স চিপ, যা এগুলোকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ট্যাবলেটে পরিণত করেছে।

যাদের কাছে প্রসেসরের কর্মক্ষমতা বেশি গুরুত্ব পায়, আর যারা ল্যাপটপ যুগ থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছেন, তাদের জন্য আদর্শ পণ্য হতে পারে দ্বিতীয় প্রজন্মের আইপ্যাড প্রো। বিশেষ করে ১২ দশমিক ইঞ্চির ডিভাইসটি তাদের কাছে আলাদা কদর পেতে পারে। পুরোপুরি আল্ট্রা পোর্টেবল না হলেও এটি বহনের সময় বিরক্তির কারণ হবে না। কারণ এতে এমন কিছু সুবিধা যোগ করা হয়েছে, যার ফলে এটি খুব সহজেই হাতের মধ্যে ধরে যায়।

অন্যদিকেসুইট স্পটসাইজের কারণে ১০ দশমিক ইঞ্চির আইপ্যাড প্রোর আবেদন রয়েছে বেশ। অত্যন্ত হালকাপাতলা ডিভাইসটি সহজে বহনযোগ্য। এমনকি কিবোর্ড কেস বা স্লিভসহ হিসাব করলেও এর ওজন খুব বেশি নয়। ভ্রমণকালে বা হালকা কাজের জন্য যন্ত্রটি হতে পারে আদর্শ।

সেলফির যুগে ক্যামেরার প্রসঙ্গ উল্লেখ না করলেই নয়। আইফোন সেভেন এসের মতোই আইপ্যাড প্রোতে ১২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা ব্যবহার করেছে অ্যাপল। আর ২২২৪১৬৬৮ রেজল্যুশনের উজ্জ্বল পর্দা যেকোনো ছবিকে করে তুলবে আরো বেশি প্রাণবন্ত।

এখন আসা যাক দামের প্রসঙ্গে। অ্যাপলের তৈরি ডিভাইসগুলোর দাম যে অন্যদের তুলনায় একটু চড়া, তা বলাই বাহুল্য। আইপ্যাড প্রোর ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। ১০ দশমিক ইঞ্চি পর্দার ডিভাসের দাম শুরু হয়েছে ৭৯০ ডলার থেকে (৬৪ জিবি শুধু ওয়াইফাই ভার্সনের) আর ৫২৬ জিবি সেলুলার কানেক্টিভিটির ডিভাইস কিনতে গেলে খরচ হবে হাজার ৩২০ ডলার। আর ১২ দশমিক ইঞ্চি পর্দার আইপ্যাড প্রোর সর্বনিম্ন সর্বোচ্চ দাম ৯৯০ হাজার ৫১৫ ডলার। এর সঙ্গে কিবোর্ড অ্যাপল পেন্সিল কিনতে হলে গুনতে হবে আরো যথাক্রমে ২৩০ ১৩৫ ডলার।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top