শিরোনাম

সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - গুগলের এই এয়ারপড হেডফোন যখন ট্রান্সলেটর | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - কম্পিউটার গেমের আসক্তিতে হতে পারে ভয়াবহ পরিণতি | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - ওটিসি ড্রাগ বিষয়ে সচেতনতা জরুরি | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - ইউরোপ ও আমেরিকায় মেডিক্যাল পড়াশোনা | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - ইউরোপ সাইপ্রাসে পড়াশোনা ও কাজ | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - আসুসের নতুন অষ্টম প্রজন্মের মাদারর্বোড বাজারে | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - ক্লাউড কম্পিউটিং মেলায় অংশ গ্রহন করছে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল | রবিবার, অক্টোবর 15, 2017 - পাতায়া ভ্রমনের স্বপ্ন পূরণ | রবিবার, অক্টোবর 15, 2017 - বৃৃটিশ কাউন্সিল আয়োজিত বই পড়া প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পরীক্ষা সম্পন্ন | রবিবার, অক্টোবর 15, 2017 - ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ডিজিটাল মার্কেটিং সামিট ও অ্যাওয়ার্ড ২০১৭ |
প্রথম পাতা / ক্যারিয়ার / ভবিষ্যত্ গড়তে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট
ভবিষ্যত্ গড়তে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট

ভবিষ্যত্ গড়তে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট

শাব্দিক অর্থে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট বলতে যেকোনো ঘটনার যাবতীয় ব্যবস্থাপনাকে বুঝায়, বাস্তবিক ধারণাও তাই। কোনো ঘটনা, অনুষ্ঠান বা কোনো আয়োজন সম্পন্ন করতে সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা করাই হচ্ছে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট। আরও সহজভাবে বলা যায়, ধরুন আপনার পরিবারে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান হবে, এর জন্য কমিউনিটি সেন্টারের সঙ্গে কন্ট্রাক্ট করা, গাড়ি ভাড়া করা, ডেকোরেশন, আপ্যায়ন, কার্ড ছাপানো প্রভৃতি কাজ আপনাকে করতে হবে; কিন্তু এসব কাজের পেছনে খুব বেশি সময় বের করা আপনার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই আপনার এই কাজগুলোর দায়িত্ব দিতে পারেন ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানের কাছে। তাদেরকে আপনার চাহিদার কথা বলুন, বাজেট, সময়, মান সব ব্যাখ্যা করুন। এবার ওই প্রতিষ্ঠানই সব কাজ সম্পন্ন করে দেবে। এটাই ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কাজ। নিজ নিজ ক্ষেত্রে মানুষের ব্যস্ততা বেড়ে যাওয়ায় এই ব্যবসার চাহিদা বেড়েছে।

উন্নত বিশ্বে এই কাজের ধারা অনেক পুরাতন হলেও বাংলাদেশে নতুনই বলা চলে। যেকোনো অনুষ্ঠান আয়োজনে বাড়তি ঝামেলা থেকে আপনাকে মুক্তি দেবে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট। আমাদের দেশে ব্যক্তিগত কাজে বা অনুষ্ঠানে এখনো ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের চাহিদা খুব বেশি প্রসারিত হয়নি। তবে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোতে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। মেলা, ফ্যাশন শো, কনফারেন্স আয়োজন, মিটিংয়ের আয়োজন, জন্মদিন, বিয়ে, পার্টি, ভ্রমণ ইত্যাদি যেকোনো কাজ ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান সম্পন্ন করতে পারে।

বাংলাদেশে বর্তমানে অনেক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ফার্ম রয়েছে এবং প্রতিনিয়তই কাজের ক্ষেত্র বৃদ্ধি পাওয়ায় এর সংখ্যাও বাড়ছে। তাই এই খাতে কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হচ্ছে অনেক। গ্রাজুয়েশনে অধ্যয়নরত অবস্থায় আপনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পার্টটাইম জব করতে পারেন। গ্রাজুয়েশন শেষ করে ফুলটাইম জবে প্রবেশ করতে পারেন। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ফার্ম যত বেশি স্মার্ট এবং দক্ষ হবে তত উন্নতমানের এবং লাভজনক কাজের কন্ট্রাক্ট পাওয়া যাবে এবং বড় বড় মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির কাজ নেওয়ার সুযোগ হবে।

কীভাবে শুরু করবেন

ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কাজ শুরু করতে আপনি দু’টি পদ্ধতির আশ্রয় নিতে পারেন। আপনি কোন প্রতিষ্ঠানের কাছে কোন আকর্ষণীয় অনুষ্ঠানের প্রস্তাব নিয়ে গেলেন (অবশ্যই তাদের প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত)। তারা আপনার পরিকল্পনা যাচাই করে দায়িত্ব দিলেন। অন্যভাবে, আপনি প্রতিষ্ঠানের কার্য প্রতিবেশি, বন্ধু, পরিচিতজনদের কাছে দিয়ে রাখলেন, পরবর্তী সময়ে তারা আপনাকে অনুরোধ করল প্ল্যান করে দেয়ার জন্য। যদি আপনার পরিকল্পনা তাদের চাহিদা পূরণে সক্ষম হয় তবে তো আর কথাই নেই। ব্যবসা শুরু করবেন, তবে আগ্রহের পাশাপাশি পরিশ্রমী হতে হবে আপনাকে। দেশের শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞাপনী ফার্মগুলোতে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের জন্য আলাদা বিভাগ রয়েছে। আপনি ইচ্ছা করলে তাদের মত করে আপনার বিভাগটি সাজাতে পারেন এভাবে-

প্রোডাকশন বিভাগ: এ বিভাগের কাজ মূলত প্রাথমিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা, ইভেন্টের কাঠামো তৈরি করা এবং গ্রাহকদের সঙ্গে সব রকম যোগাযোগ রেখে অতিথিদের আপ্যায়ন ও তাদের চাহিদা পূরণের ব্যবস্থা করা।

জনশক্তি বিভাগ: ইভেন্ট আয়োজনে অতিরিক্ত জনবল দরকার হয়। এ দায়িত্বটুকু সঠিকভাবে পালন করাই জনশক্তি বিভাগের কাজ।

মার্কেটিং বিভাগ: স্পন্সর জোগাড় থেকে শুরু করে জনসংযোগ সামলানো তথা ফার্মের সুনাম রক্ষা করা, পাশাপাশি সারা বছর যাতে কাজের সিডিউল লেগেই থাকে সেটা দেখা মার্কেটিং বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

লজিস্টিক বিভাগ: বড় কোন ইভেন্টের ক্ষেত্রে বিভিন্ন দরকারি জিনিসপত্র এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া এবং প্রয়োজনীয় সকল সরঞ্জাম সময়মতো সঠিক জায়গায় সরবরাহ করা এ বিভাগের কাজ।

ভিজ্যুয়ালাইজেশন বিভাগ: ক্লায়েন্টদের পছন্দ বুঝে তার সঠিক রূপায়ন তথা ক্লায়েন্টরা ঠিক কি ধরনের সেবা চাচ্ছেন এবং ফার্ম কিভাবে তা ম্যানেজ করবে সে বিষয়গুলো কম্পিউটারে ফুটিয়ে তোলাই হচ্ছে ভিজ্যুয়ালাইজেশন বিভাগের কাজ।

একটু সাহসী, বুদ্ধিমান এবং আ্ত্তবিশ্বাসী হলে নিজ উদ্যোগেই প্রতিষ্ঠা করতে পারেন ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ফার্ম। এতে আয় এবং সম্মান দুটোই বৃদ্ধি পাবে। দক্ষতার সঙ্গে ফার্ম প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করতে পারলে এতে ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। কারণ বাংলাদেশে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কাজের ক্ষেত্র প্রসারিত হওয়ার এখনো ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। দক্ষতা, আন্তরিকতা ও চেষ্টার মাধ্যমেই আপনার ফার্মকে সাফল্যের পথে নিয়ে যেতে পারেন। এগিয়ে যেতে পারেন গতিময় ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে।

Comments

comments



One comment

  1. পেশা যখন ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট
    সাইমুম সাদ
    বর্তমানে বন্ধুর জন্মদিন,বিয়ে,পারিবারিক-সামাজিক বিভিন্ন অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে মেইনটেইন করতে ইভেন্টম্যানেজারদের জুড়ি মেলা ভার। ভেন্যু নির্বাচন থেকে শুরম্ন করে প্রোগামের প্রচার-প্রচারনা সবটাই করতে হয় ইভেন্ট ম্যানেজারদের । একসময় ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে লোকজনের ধারনা না থাকলে্ও এখন পাল্টে গেছে সময় সেই সাথে বেড়েছে ইভেন্ট ম্যানেজারদের চাহিদা।
    কাজের পরিধি
    ইভেন্ট ম্যানেজারদেও প্রধান কাজ গুলো হলো- ভেন্যু নির্বাচন, ট্রান্সপোর্ট অ্যারেঞ্জমেন্ট, ক্যাটারিং, সাউন্ড সিস্টেম, লাইটিং, পোস্টারিং, ব্যানার, মিডিয়া কভারেজ, বিজ্ঞাপন, ইনভাইটেশন লেটার ছাপানো, ইনভাইট করা, অন্যান্য ডেকোরেশনসহ অতিথিদের ঠিকমতো অভ্যর্থনা জানানো, অনুষ্ঠান উপস্থাপনা সর্বোপরি নিরাপত্তার দায়িত্ব।

    কীভাবে শুরু করবেন:
    অফিস না নিয়ে অল্প পুঁজিতেও আপনি শুরু করতে পারেন ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কাজ। তবে অফিস নিয়ে কাজ শুরু করতে চাইলে স্থানভেদে বিনিয়োগ করতে হবে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা। অফিস না নিলে আপনাকে লাখ খানেক টাকা বিনিয়োগ করলেই চলবে। সে ক্ষেত্রে প্রথমেই বড় কাজ না ধরে ছোট ছোট কাজ দিয়ে শুরু করতে হবে। এতে চাপ থাকবে কম এবং বেশি বিনিয়োগও করতে হবে না। যে বিষয়গুলো গুরুত্বপ–র্ণ: এই পেশায় আসতে হলে অবশ্যই আপনার মধ্যে ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ নেওয়ার সাহস থাকতে হবে। পাশাপাশি যোগাযোগ দড়্গতার উপর জোর দিতে পারেন। এছাড়াও সম্ভব হলে আপনার ফার্ম হাউজটিকে কয়েকটি বিভাগে সাজাতে পারন:
    প্রোডাকশন বিভাগ : এ বিভাগের কাজ ম–লত প্রাথমিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা, ইভেন্টের পরিপ–র্ণ কাঠামো তৈরি করা এবং গ্রাহকদের সঙ্গে সব রকম যোগাযোগ রেখে অতিথিদের আপ্যায়ন ও তাদের চাহিদাগুলো সুরৰার ব্যবস্থা করা।
    জনশক্তি বিভাগ : বড় ইভেন্ট আয়োজনে অতিরিক্ত জনবল দরকার হয়। এ দায়িত্বটুকু সঠিকভাবে পালন করাই জনশক্তি বিভাগের কাজ।
    মার্কেটিং বিভাগ : স্পন্সর জোগাড় থেকে শুরম্ন করে জনসংযোগ সামলানো তথা ফামের্র সুনাম রড়্গা করা, পাশাপাশি সারা বছর যাতে কাজের সিডিউল লেগেই থাকে সেটা দেখা মার্কেটিং বিভাগের গুরম্নত্বপ–র্ণ দায়িত্ব।
    লজিস্টিক বিভাগ : বড় কোন ইভেন্টের ড়্গেত্রে বিভিন্ন দরকারি জিনিসপত্র এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া এবং প্রয়োজনীয় সকল সরঞ্জাম সময়মতো সঠিক জায়গায় সরবরাহ করা এ বিভাগের কাজ।
    ভিজ্যুয়ালাইজেশন বিভাগ : ক্লায়েন্টদের পছন্দ বুঝে তার সঠিক রূপায়ন তথা ক্লায়েন্টরা ঠিক কি ধরনের সেবা চাচ্ছেন এবং ফার্ম কিভাবে তা ম্যানেজ করবে সে বিষয়গুলো কম্পিউটারে ফুটিয়ে তোলাই হচ্ছে ভিজ্যুয়ালাইজেশন বিভাগের কাজ।

    কয়েকটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ফার্ম:
    সান ইভেন্টেক,জাদু ইভেন্টস,ইউনিক ইভেন্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট,আনদেজ লিমিটেড,ইনজিনিয়াস এন্টারটেইনমেন্ট এন্ড মার্কেটিং সল্যুশন,সাইন বাজার ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট,রোজ এন পিটাল,হেড অফিস কমিউনিকেশন,রেকটেঙ্গেল কমিউনিকেশন্স লিমিটেড,কনফারেন্স এন্ড এক্সিবিশন ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেড,এক্সট্রিম এক্সিবিশন এন্ড ইভেন্ট সল্য–শন লিমিটেড,বিডি ওয়েডিং প–্যানার্স,বিয়ে বাড়ি ক্যাটারিং সার্ভিস,বিয়ের বাড়ি ওয়েডিং প–্যানার,মিরর মিডিয়া এন্ড প্রোডাকশন লিমিটেড

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top