শিরোনাম

মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - দেশের সবচেয়ে বড় গেমিং প্লাটফর্ম ‘মাইপ্লে’ চালু করলো রবি | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - রাজধানীতে টেকনোর আরও নতুন দুইটি ব্র্যান্ড শপের শুভ উদ্বোধন | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - বৃহস্পতিবার থেকে রাজধানীতে ল্যাপটপ মেলা | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - মোবাইল ইন্টারনেট গতিতে বাংলাদেশের অবস্থান ১২০তম | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - জরুরি সেবা ৯৯৯ এর উদ্বোধন করলেন জয় | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - নতুন অ্যাপ ‘ফাইলস গো’ চালু করেছে গুগল | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - বাজারে এলো শাওমির নতুন দুই ফোন | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - বিশ্ব বিখ্যাত পাঁচ রাঁধুনি রোবট | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - সনি’র দুর্দান্ত এক আপকামিং ফোনের তথ্য ফাঁস | সোমবার, ডিসেম্বর 11, 2017 - বিসিএস এর ২৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত |
প্রথম পাতা / সাম্প্রতিক খবর / ফিচার পোস্ট / মাইক্রোসফটের তথ্য কেন্দ্র হবে পানির নিচে
মাইক্রোসফটের তথ্য কেন্দ্র হবে পানির নিচে

মাইক্রোসফটের তথ্য কেন্দ্র হবে পানির নিচে

সফটওয়্যার জায়ান্ট খ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট এমন তথ্য কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে যা হবে গভীর পানির তলদেশে। ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠানটি এমন তথ্য কেন্দ্রটি স্থাপনের জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজও শুরু করেছে।

microsoft-datacenter-under-sea-CORPORATEডাটা সেন্টারের একটি বড় সমস্যা হল অধিক তাপ। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ই-মেইলে ভিডিও প্রবাহ, হাজার হাজার কম্পিউটার সার্ভার নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন কাজ করতে গিয়ে ডাটা সেন্টারের সার্ভারটি প্রচণ্ড গরম হয়ে যায়। তাপের মাত্রা বেশি হলে সার্ভারটি ক্র্যাশ করার আশঙ্কা থাকে।

সমস্যাটি এড়াতে এবং ডাটা সেন্টারকে নিরাপদ রাখতে সমুদ্রের নিচে ডাটা সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা করছে মাইক্রোসফট।

ডাটা সেন্টার স্থাপনে মাইক্রোসফটের রেডমন্ড কর্পোরেট হেডকোয়ার্টারে ‘লিয়েনা ফিলিপট’ নামের একটি প্রকল্প কাজ শুরু করেছে। যা মূলত ডাটা সেন্টারটি স্থাপনে গবেষণা শুরু করেছে। বেন কার্টার ও নরম্যান হুইটেকার নামের দুই গবেষক প্রকল্পটি নিয়ে গবেষণা করছেন।

মাইক্রোসফট জানিয়েছে, গত বছরের ১০ আগস্ট প্রাথমিকভাবে ‘লিয়েনা ফিলিপট’ প্রকল্পটি ক্যালিফোর্নিয়া উপকূলে স্থাপন করা হয়েছে।

এখানে একটি স্বয়ং সম্পন্ন ডাটা সেন্টারের সফল পরীক্ষা হয়েছে যা সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে শতাধিক ফুট নিচে কাজ করতে পারে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে প্রযুক্তি শিল্পে এয়ার কন্ডিশনিংসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে খরচ অনেকটাই কমে আসবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

‘লিয়েনা ফিলিপট’এ ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে সমুদ্রের জোয়ারের পানি ব্যবহারেরও পরিকল্পনা করছে মাইক্রোসফট।

প্রতিষ্ঠানটির গবেষক জুলস ভারনি বলেন, শিগগির সমুদ্রের নিচে মাইক্রোসফটের ডাটা সেন্টার স্থাপন করা সম্ভব হবে। এর ফলে জটিল বিষয়গুলো অনেক সহজ হয়ে উঠবে।

আরও পড়ুন:

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top