শিরোনাম

বুধবার, মে 24, 2017 - গ্রাহকের হাতে পণ্য তুলে দিতে সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় মাধ্যম বিক্রয় ডট কম | বুধবার, মে 24, 2017 - জেডটিই এবং বাংলালিংক নিয়ে এলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভার্চুয়াল এসডিএম | বুধবার, মে 24, 2017 - ৩৩১০ সহ নকিয়ার তিনটি স্মার্টফোন জুন থেকে দেশের বাজারে পাওয়া যাবে | বুধবার, মে 24, 2017 - ফেইসবুকের দেখা, না দেখা | বুধবার, মে 24, 2017 - চলতি বসরে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া স্মার্টফোনসমূহ | বুধবার, মে 24, 2017 - জাতীয় ইন্টারনেট সপ্তাহ শুরু | বুধবার, মে 24, 2017 - ডাক্তারদের জন্য ই-প্রেসক্রিপশান সফটওয়্যার | মঙ্গলবার, মে 23, 2017 - বেসিস নির্বাচন :লটারিতে বাদ পড়েছেন মোস্তাফা জব্বার, রাসেল ও ফারহানা | মঙ্গলবার, মে 23, 2017 - গাজীপুরে স্যামসাং এর ৫০তম ব্র্যান্ড শপ উদ্বোধন | মঙ্গলবার, মে 23, 2017 - ঢাকা বিভাগে পুরোদমে চলছে রবি-এয়ারটেল নেটওয়ার্কের সমন্বয় |
প্রথম পাতা / টেলিকম / মোবাইল ফোন অপারেটর সিটিসেল বন্ধ হওয়ার উপক্রম!
মোবাইল ফোন অপারেটর সিটিসেল বন্ধ হওয়ার উপক্রম!

মোবাইল ফোন অপারেটর সিটিসেল বন্ধ হওয়ার উপক্রম!

citycell20151125083411 copy

বাংলাদেশের একমাত্র সিডিএমএ মোবাইল ফোন অপারেটর সিটিসেল বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। সারাদেশে প্রতিষ্ঠানটির সব মিলে ৮৭৬টি টাওয়ারের মধ্যে প্রায় ৭০০টি বন্ধ হয়ে গেছে। অধিকাংশ টাওয়ার বন্ধ হয়েছে বিদ্যুৎ বিল বকেয়ার কারণে। নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে সিটিসেলের গ্রাহকরা চরম বিপাকে পড়েছেন। এদিকে গ্রাহকদের চাপ ও অফিস ভাড়া দিতে না পারায় দেশের অধিকাংশ গ্রাহক সেবাকেন্দ্র বন্ধ করে দিয়েছে সিটিসেল কর্তৃপক্ষ।

বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকার কারণে সিটিসেলের টাওয়ার বন্ধ হলেও এরচেয়ে বড় দেনা রয়েছে বিটিআরসির কাছে। গত বছরের নভেম্বর শেষে প্রতিষ্ঠানটির কাছে সরকারের পাওনা দাঁড়িয়েছে ২৮০ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এর মধ্যে টুজি লাইসেন্সের আওতায় তরঙ্গ বরাদ্দ ও নবায়ন ফি বাবদ পাওনার পরিমাণ ২২৯ কোটি টাকা। এছাড়া রাজস্ব ভাগাভাগি বাবদ পাওনা দাঁড়িয়েছে ১৯ কোটি ২০ লাখ টাকা, তরঙ্গ বরাদ্দ চার্জ বাবদ ১৯ কোটি ৭৫ লাখ, সামাজিক সুরক্ষা তহবিলের ৭ কোটি ৪৫ লাখ ও লাইসেন্স ফি বাবদ ৫ কোটি টাকা। আর্থিক সংকটের কারণে এ অর্থ পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে জানিয়েছে সিটিসেল। এজন্য একাধিকবার অর্থ পরিশোধের সময় বৃদ্ধির আবেদনও করে প্রতিষ্ঠানটি। এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে সিটিসেলের ঋণের পরিমাণ ১ হাজার ১০০ কোটি টাকার বেশি।

এসব ব্যাপারে জানতে সিটিসেলের হেড অব কর্পোরেট কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স তাসলিম আহমেদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘এটা সত্য যে সিটিসেল অর্থ সংকটে রয়েছে। শিগগির এ সমস্যা কাটিয়ে উঠতে চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে কবে থেকে বিটিএস চালু হবে বা অর্থের জোগান হবে সে ব্যাপারে কিছু বলতে পারছি না। কারণ অর্থের বিষয়ে টপ ম্যানেজমেন্ট সিদ্ধান্ত নেবেন। আমরা এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ থেকে কোন স্টেটমেন্ট পেলে আপনাদের জানিয়ে দিবো। আর আপাতত আমাদের কোন কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা নেই।’  ১৯৮৯ সালে বিটিআরসি থেকে টেলিযোগাযোগ সেবার লাইসেন্স পায় সিটিসেল। যাত্রার সময় এটি ছিল দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম সেলফোন কোম্পানি। প্রথম থেকে সিটিসেল বাংলাদেশের একমাত্র সিডিএমএ মোবাইল অপারেটর হিসেবে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। কোম্পানিটির বর্তমানে ৪৫ শতাংশ মালিকানা সিঙ্গাপুরভিত্তিক কোম্পানি সিংটেলের আর ৫৫ শতাংশ মালিকানা দেশীয় প্রতিষ্ঠান প্যাসিফিক গ্রুপ ও ফারইস্ট টেলিকমের।

সিটিসেলের গ্রাহক সংখ্যা এখন শূন্যের কোঠায়, সারাদেশে ৮৭৬টির মধ্যে ৭০০ বিটিএস বন্ধ, সারাদেশে অধিকাংশ গ্রাহক সেবাকেন্দ্র বন্ধ, কর্মীদের তিন মাসের বেতন বকেয়া, নতুন ট্রেড ইউনিয়নের চাপ, বিটিআরসির কাছে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা বকেয়া, বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে ১ হাজার কোটি টাকার ওপরে ঋণসহ নানান সংকটের কারণে অপারেটরটি বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। সিটিসেলে কর্মরত শ্রমিক নেতারা এই নিয়ে কয়েক দফায় টপ ম্যানেজমেন্টের সাথে কথা বলার জন্য দফায় দফায় সময় চেয়ে আবেদন করলেও তাদের কোন সময় দেওয়া হয়নি।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top