শিরোনাম

মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - বন্ধ হচ্ছে উইকিপিডিয়ার ডেটা ছাড়া তথ্যসেবা | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - বাজারে এলো সিউ কম্প্যাক্ট ডেস্কটপ নেটওয়ার্ক লেবেল প্রিন্টার | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - জুতা পরে হাঁটলেই চার্জ হবে ফোন | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - নতুন সংস্করণে আসুসের গেইমিং ল্যাপটপ | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - টাটা নিয়ে আসছে ড্রাইভারলেস গাড়ি | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - চার মোবাইল অপারেটর পেল ফোরজি লাইসেন্স | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 20, 2018 - স্যামসাংয়ের ক্ষতির কারন আইফোন ১০ | সোমবার, ফেব্রুয়ারী 19, 2018 - নতুন কনফিগারেশনে আসছে নোকিয়া ৬ | সোমবার, ফেব্রুয়ারী 19, 2018 - স্যামসাং গ্যালাক্সি জে২ এলো ফোর-জি রূপে | সোমবার, ফেব্রুয়ারী 19, 2018 - এখনই ফোরজি সেবা পাবেনা টেলিটক গ্রাহকরা |
প্রথম পাতা / ক্যারিয়ার / ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার-পদ নিয়ে মহাযুদ্ধ

ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার-পদ নিয়ে মহাযুদ্ধ

বর্তমানে আমাদের দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থী বিবিএ বিষয়ে অধ্যয়ন করছে। তাদের মধ্যে অধিকাংশেরই সরকারি চাকরির প্রতি তেমন কোন আকর্ষন লক্ষ্য করা যায় না। বিবিএ শেষ করে যেকোন একটা ভালো বেসরকারি চাকুরি পাওয়াটাই যেন তার কাছে গুরুত্বপূর্ন হয়ে উঠে। অন্যদিকে, পাবলিক ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যারা গ্রাজুয়েশন শেষ করছে তাদের মধ্যে সরকারি চাকুরির একটা আকর্ষন লক্ষ্য করা গেলেও সেই সোনার হরিনের পেছনে ছুটতে ছুটতে যখন ক্লান্ত হয়ে পড়ে তখন তারাও বেসরকারি চাকুরির জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ন হন।

যারা কারিগরি বিষয় সমুহে পড়াশোনা করছেন তারা অপেক্ষাকৃত কম সময়ে নিজের একটা গতি করতে সমর্থ হলেও অন্যদেরকে রীতিমত যুদ্ধে নামতে হয় একটা সম্মানজনক চাকরির জন্য। তবে বর্তমানে যারা বিবিএ, এমবিএ অথবা অন্যান্য নন-টেকনিক্যাল বিষয়ে অনার্স মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন তাদের অধিকাংশই এখন বিভিন্ন ব্যাংকের ’ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার/শিক্ষানবিশ অফিসার’ পদের জন্য লড়াই করে থাকেন। বর্তমান সময়ের ফ্রেশ গ্রাজুয়েটদের জন্য অন্যতম আকর্ষনীয় এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ন চাকরি হিসেবে খুব সহজেই গন্য করা যায় এই পদটিকে।

কেন এত প্রতিদ্বন্দ্বিতা?

ব্যাংকের অন্যসব পদগুলোর তুলনায় এই পদটির চাহিদা বর্তমানে অনেক বেশি হওয়ার বেশ কিছু যুক্তিসংগত কারন আছে। শুরুতেই আকর্ষনীয় বেতন এবং যেকোন বিষয়ে পড়াশুনা করেও এই পদে চাকরির জন্য আবেদন করা যায় বলে সারাদেশ থেকে অসংখ্য চাকুরিপ্রার্থী এই পদের জন্য আবেদন করে থাকে। এই পদে আবেদনের আরও একটি সুবিধা হচ্ছে কোন প্রকার অতীত অভিজ্ঞতা না থাকলেও সাধারনত এই পদে আবেদন করা যায়।
বর্তমান চাকরির বাজারের অধিকাংশ চাকরির তুলনায়ও নতুন গ্রাজুয়েটদের জন্য এই চাকরিটি অনেক বেশি আকর্ষনীয়। কারন, অন্যান্য চাকরির তুলনায় এখানে অনেক বেশি সম্মানজনক বেতনের নিশ্চয়তা থাকে। যারা ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার পদের জন্য চুড়ান্তভাবে মনোনীত হন, তাদেরকে প্রথম ১ বছর শিক্ষানবিশ অবস্থায় মাসে ২০০০০-৩৩০০০ টাকা পর্যন্ত প্রদান করা হয়। ব্যাংকভেদে সম্মানীর পরিমান কমবেশি হয়ে থাকে। ১ বছর শিক্ষানবিশ পর্যায় পার করার পর তাদের বেতন ব্যাংক ভেদে ৩০,০০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
বর্তমানে আমাদের দেশে সরকারি, বেসরকারি এবং বিদেশি মালিকানাধীন মোট ব্যাংকের সংখ্যা ৫০ এর কিছু বেশি। তাই কিছুদিন পরপরই কোন না কোন ব্যাংকে ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি/শিক্ষানবিশ কর্মকর্তা পদে লোক নিয়োগ করতে দেখা যায়। এসব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিসমূহ বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় দৈনিক পত্রিকা এবং বিডিজবস, জবসএওয়ান এবং প্রথমআলো জবস এ প্রকাশ করা হয়ে থাকে। ব্যাংকগুলোর নিজস্ব ওয়েবসাইটেও ক্ষেত্রবিশেষে এসব বিজ্ঞপ্তি পাওয়া যায়।

এবার জেনে নেয়া যাক, এই পদে চাকুরি করার জন্য কি কি যোগতার প্রয়োজন আছে। সাধারনত যেকোন বিষয়ে অনার্স শেষ করেই এই পদের জন্য আবেদন করা যায়। তবে অনেকে এমবিএ অথবা যেকোন বিষয়ে মাস্টার্স সম্পন্ন করা লোক চেয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে থাকে। অর্থাৎ এই পদে চাকুরির জন্য আপনাকে বিশেষ কোন বিষয়ে পড়াশুনা না করলেও চলবে। তবে আপনার একাডেমিক রেজাল্ট কিছুটা আকর্ষনীয় হতে হবে। অন্তত কোন প্রকার ৩য় বিভাগের রেজাল্ট আপনার থাকা চলবে না। পাশাপাশি যেকোন একটি একাডেমিক পরীক্ষায় ১ম বিভাগ চেয়ে থাকে অনেক ব্যাংক। একাডেমিক যোগতার পাশাপাশি কম্পিউটারের অফিসিয়াল বিষয়সমুহ যেমন মাইক্রোসফট ওয়াড, পাওয়ার পয়েন্ট এবং এক্সেল এর কাজ জানা আপনার জন্য ফরজ। এগুলো না জেনে এই পদের জন্য আবেদন না করাই ভালো। কারন, এগুলো না জানলে আপনি কোনভাবেই এই চাকুরি পাবেন না।

একজন চাকুরিদাতার মতামত

ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার/শিক্ষানবিশ অফিসার পদ এবং এই পদের নিয়োগ পদ্ধতি সম্পর্কে দৈনিক ইত্তেফাকের মুখোমুখি হয়েছিলেন ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড এর এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং মানবসম্পদ ব্যাবস্থাপনা বিভাগের প্রধান মো. সিরাজুল ইসলাম।

’ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার’ এবং ’প্রবিশনারি অফিসার’ এই দুটি পদের মধ্যে কোন পার্থক্য আছে কিনা?

মো. সিরাজুল ইসলাম: না। প্রবিশনারি অফিসার বা শিক্ষানবিশ কর্মকর্তা শব্দজোড়াকে একটু আধুনিক ভাবে উপস্থাপন করার জন্য সাম্প্রতিক কালে অনেক ব্যাংক ’ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার’ টার্মটি ব্যবহার করছে।

এই পদের জন্য প্রার্থীরা নির্বাচিত হলে তাদেরকে দিয়ে কি কাজ করানো হয়?

মো. সিরাজুল ইসলাম: ম্যানেচমেন্ট ট্রেইনি পদের জন্য চুড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম ১ বছর তাদেরকে কোন দায়িত্ব দেয়া হয় না। তাদেরকে এক্সটার্নাল ও ইন্টার্নাল ট্রেনিং এবং এটাচমেন্ট টু পার্টিকুলার ডিভিশন প্রদান করা হয়। এভাবে একবছর পর তাদেরকে বিভিন্ন বিভাগে নিযুক্ত করে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়া হয়।

’ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার’ পদের জন্য চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে অনেক ক্ষেত্রেই যেকোন বিষয়ের গ্রাজুয়েটগন আবেদনের সুযোগ পান। কিন্তু তাদেরকে লিখিত পরীক্ষার জন্য ডাকার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোন বিষয়কে প্রাধান্য দেয়া হয় কিনা?

মো. সিরাজুল ইসলাম: অবশ্যই। এক্ষেত্রে, বিবিএ/এমবিএ এবং অর্থনীতি থেকে øাতকদের প্রাধান্য দেয়া হয়। আমাদের ব্যাংক তো এখন বিষয়গুলো বাধ্যতামূলক করে দিয়েছে।

নিয়োগ পদ্ধতিতে প্রার্থীর বিশ্ববিদ্যালয় এবং রেজাল্ট কতখানি গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করে?

মো. সিরাজুল ইসলাম: দেখুন, একজন যদি আইবিএ থেকে ৩.২০ সিজিপিএ পায় এবং অন্যজন যদি একটা সাধারন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৩.৮০ সিজিপিএ পায় তখন রেজাল্টের উপর নির্ভর করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই আমরা প্রথমত, বিশ্ববিদ্যালয় গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে থাকি। গুরুত্বের ক্ষেত্রে প্রথম পছন্দ অবশ্যই আইবিএ। এর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, এনএসইউ, ব্রাক, ইস্ট ওয়েস্ট সহ আরও কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয় বিবেচনা করার পর প্রার্থীর রেজাল্ট একটি বড় বিষয় হিসেবে কাজ করে।

ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার পদে প্রতিযোগিতা করার জন্য একজন প্রার্থী কিভাবে প্রস্তুতি নিতে পারে?

মো. সিরাজুল ইসলাম: বর্তমানে বাজারে বিভিন্ন গাইড বই পাওয়া যায়। সেগুলো থেকে পূর্ববর্তী প্রশ্নপত্রগুলো দেখে নেয়া যেতে পারে। তবে যেকোন প্রার্থীর জন্যই ইংরেজীতে দক্ষতা অর্জন সবচেয়ে বেশি জরুরি। কারন, লিখিত পরীক্ষায় অধিকাংশ শিক্ষার্থী দুর্বল ইংরেজির কারনেই বাদ পড়ে যায়। তারপর সম্পূর্ন মৌখিক পরীক্ষা ইংরেজিতে হওয়ার কারনে একজন প্রার্থীকে ইংরেজিতে কথোপকথনে পারদর্শী হওয়া আবশ্যক।

শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি একজন প্রার্থীর আর কোন বিষয়কে গুরুত্ব দেয়া হয় কিনা?

মো. সিরাজুল ইসলাম: অবশ্যই। এথলেটিক, পেইন্টার, মিউজিশিয়ান এবং ট্রাভেলার সহ সৃষ্টিশীল কাজে পারদর্শীদের বিশেষ অগ্রাধিকার দেয়া হয়।

নিয়োগের ক্ষেত্রে উপর মহল কিংবা রাজনৈতিক কোন প্রভাব পড়ে কিনা?

মো. সিরাজুল ইসলাম: ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার পদটি ব্যাংকিং সেক্টরে একেবারেই প্রাথমিক একটি পদ। এখানে অন্তত কোন প্রকার রেফারেন্সকে গুরুত্ব দেয়া হয় না। কেউ কোন প্রভাব ফলানোর চেষ্টা করলে তাকে অযোগ্য বলে বিবেচিত করা হয়।

একজন ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার পদপ্রার্থীর কথা:

বছর খানেক আগে একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৩.৮৯ সিজিপিএ নিয়ে বিবিএ পাশ করেছেন হাবিবুল বারী। ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার পদে চাকুরি পাওয়ার আশায় বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারী এবং বিদেশি ব্যাংকে আবেদন করে যাচ্ছেন। চাকুরিদাতাগন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম উল্লেখ করে দেয়ার কারনে কিছু কিছু ব্যাংকে অবশ্য আবেদন করার সুযোগ মিলে না। আবার কিছু কিছু ব্যাংকে আবেদন করেও লিখিত পরীক্ষার জন্য ডাক পাননি। অবশ্য বেশ কিছু ব্যাংকের লিখিত পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ মিলেছে। ব্যাংকের লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সম্পর্কে জানান তিনি। হাবিব বলেন, অধিকাংশ বেসরকারি ব্যাংকেই লিখিত পরীক্ষায় ইংরেজী, অংক, সাধারন জ্ঞান, বুদ্ধিবৃত্তি যাচাই এর উপর বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয়ে থাকে। ইংরেজির মধ্যে বিভিন্ন রকম প্যাসেজ, কম্প্রিহেনশান, শূন্যস্থান পূরন, বাক্য সংগঠন, এপ্লিক্যাশন, লেটার রাইটিং, প্যারাগ্রাফ, এনালোজি আসতে পারে। অংকের ক্ষেত্রে সাধারনত অষ্টম শ্রেনীর পাটীগনিত, নবম-দশম শ্রেনীর বীজগনিত এবং জ্যামিতি থেকে বিভিন্ন সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন করা হয়। সাধারন জ্ঞানের জন্য সাম্প্রতিক কালে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য ঘটনাচক্রের খবরাখবর মাথায় রাখতে হয়। সরকারি ব্যাংকের পরীক্ষা সমূহে বাংলা ব্যাকরন এবং সাহিত্য থেকে প্রচুর প্রশ্ন আসে বলেও জানান বিভিন্ন ব্যাংকে লিখিত পরীক্ষা দেয়া এই পরীক্ষার্থী। এত জায়গায় পরীক্ষা দিয়েও কোথাও সুযোগ না পাওয়ায় তিনি বেশ হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন বলেই জানিয়েছেন । আদৌ তার স্বপ্নের ব্যাংক চাকরি মিলবে তো? এই প্রশ্নের কোন জবাব অবশ্য দিতে পারেন নি তিনি।

ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার একটি নমুনা

সর্বশেষ যখন ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড এ ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার পদে লোক নেয়ার বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়েছিল তখন প্রায় ১০,০০০ প্রার্থী আবেদন করেছিল। এর মধ্য থেকে প্রায় ৪০০ জনকে লিখিত পরীক্ষার জন্য ডাকা হয়েছিল। ৪০০ জন থেকে ৯০ জনকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হয়েছিল এবং সবশেষে মাত্র ১৩ জনকে চুড়ান্তভাবে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল।
অর্থাৎ ভালো প্রাতিষ্ঠানিক রেজাল্ট থাকার পরও চাকরি না মিলার পেছনে প্রধান কারন হতে পারে এই তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা।

উল্লেখ্য, বর্তমানে কিছু কিছু ব্যাংক নিজেরাই সরাসরি নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে থাকেন এবং কিছু কিছু ব্যাংক কোন তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে থাকে। তবে বর্তমান বাজারে, সরকারি চাকুরির মত ’ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার’ পদের চাকুরিও এক রকম সোনার হরিন হয়ে গেছে তাতে কোন সন্দেহ নেই।

মাহফুজুর রহমান মুকুল

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top