শিরোনাম

মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - বাজারে এলো শাওমির নতুন দুই ফোন | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - বিশ্ব বিখ্যাত পাঁচ রাঁধুনি রোবট | মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 12, 2017 - সনি’র দুর্দান্ত এক আপকামিং ফোনের তথ্য ফাঁস | সোমবার, ডিসেম্বর 11, 2017 - বিসিএস এর ২৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত | সোমবার, ডিসেম্বর 11, 2017 - ‘জিপি লাউঞ্জ’ উদ্বোধন করল গ্রামীণফোন | সোমবার, ডিসেম্বর 11, 2017 - ল্যাপটপ মেলায় আই লাইফের ফ্রী গিফট! | সোমবার, ডিসেম্বর 11, 2017 - শপ আপের নতুন অ্যাড প্ল্যাটফর্মের উদ্বোধন ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে | সোমবার, ডিসেম্বর 11, 2017 - গ্লোবাল ব্র্যান্ড নিয়ে এলো এস সিরিজের নতুন অষ্টম প্রজন্মের নোটবুক | সোমবার, ডিসেম্বর 11, 2017 - অ্যান্ড্রয়েডে আসছে আইফোনের জনপ্রিয় গেম | সোমবার, ডিসেম্বর 11, 2017 - জিপি ওয়াওবক্স ব্যবহারকারীদের জন্য বিশেষ সুবিধা আনল পাঠাও |
প্রথম পাতা / কর্পোরেট স্পেশাল / যেকোন সময় সিটিসেলের লাইসেন্স বাতিল হতে পারে!
যেকোন সময় সিটিসেলের লাইসেন্স বাতিল হতে পারে!

যেকোন সময় সিটিসেলের লাইসেন্স বাতিল হতে পারে!

অর্থ সংকটে থাকা দেশের সব চেয়ে পুরাতন মোবাইল অপারেটর সিটিসেলের লাইসেন্স বাতিল হতে পারে যেকোন সময়। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া ২৪৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা পরিশোধ না করার কারণে বাংলাদেশ টেলিকম নিয়ন্ত্রণ কমিশন বিটিআরসি প্রতিষ্ঠানটিকে লাইসেন্স বাতিলের নোটিশ দিয়েছে। তবে ইতোমধ্যে নোটিশের উত্তরও দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

url1

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক বছরে বিভিন্ন অপারেটরের কাছে বাকি পড়া কয়েক হাজার কোটি টাকা আদায়ের অংশ হিসাবে সর্বশেষ ১৬১তম কমিশন বৈঠকে বিটিআরসি সিটিসেলকে ১৫ দিনের সময় দিয়ে নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সিটিসেলের কাছ থেকে বিভিন্ন খাতে প্রায় ২৪৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা পাবে বিটিআরসি। বেশ কিছু দিন থেকে এসব টাকা বকেয়া রয়েছে। বিভিন্ন সময় এ টাকা পরিশোধের জন্য তাগাদা দেওয়া হলেও কোনো সাড়া দেয়নি দেশের প্রথম মোবাইল অপারেটরটি। তারই প্রেক্ষিতে গত ২ ডিসেম্বর সিটিসেল বরাবর নোটিশ পাঠায় বিটিআরসি। অপারেটরটিকে ১৫ দিনের মধ্যে পুরো টাকা আদায়ের জন্য বলা হয়েছে। তা না হলে একই সঙ্গে লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত কার্যকর করার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিটিআরসি বলছে, সিটিসেল নির্ধারিত সময়ে অর্থ পরিশোধ না করলে আইন অনুসারে লাইসেন্স বাতিলের জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ করা হবে। তবে একই সঙ্গে টাকা আদায়ে মামলাও করা হতে পারে। তবে সিটিসেল নোটিশের জবাবে গত ৫ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার অপারেটরটি তাদের অবস্থান জানিয়ে বিটিআরসিকে চিঠি দিয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দ্বিতীয় প্রজন্মের লাইসেন্স ফির টাকা পরিশোধ করেছে কোম্পানিটি। তবে স্পেকট্রাম ফির বেশ খানিকটা বাকি রয়েছে। তবে তাদের জন্য বরাদ্দ থাকা ১০ মেগাহার্জ স্পেকট্রামের মধ্যে আর সাড়ে ৩ মেগাহার্জ না পেলে তারা টাকা দিতে পারবে না। কিন্তু বিটিআরসি এ যুক্তি মানছে না। সিটিসেলকে এখন পর্যন্ত সাড়ে ৬ মেগাহার্জ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, জুন পর্যন্ত সিটিসেলের কাছে বিটিআরসির পাওনা ছিল ১৪৫ কোটি টাকা। তবে এর মধ্যে কেবল স্পেকট্রাম ফি এবং রেভিনিউ শেয়ারেরিংয়ের অংশ হিসাব করা ছিল। আর সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত এই অংক ২৪৯ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। সর্বশেষ হিসাবে এর মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিলের অংশ এবং লেট ফিও যোগ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, অপারেটরটি গত টানা ৮ মাস ধরে গ্রাহক হারাচ্ছে বলে সর্বশেষ তথ্য দেখা গেছে। বছরের শুরুতে ১৮ লাখ গ্রাহক থাকলেও সেপ্টেম্বরের শেষে সিটিসেলের গ্রাহক ১২ লাখে এসে দাঁড়িয়েছে। গ্রাহক সংখ্যায় এখন তারা দেশের সবচেয়ে ছোট অপারেটর।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top