শিরোনাম

মঙ্গলবার, অক্টোবর 17, 2017 - ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের ডিজিটাল পেমেন্ট সার্ভিস ইউপের যাত্রা শুরু | মঙ্গলবার, অক্টোবর 17, 2017 - হুয়াওয়ে মেট ১০ এ যা আছে | মঙ্গলবার, অক্টোবর 17, 2017 - শাওমির নতুন ফোন রেডমি ৫এ | মঙ্গলবার, অক্টোবর 17, 2017 - ফাঁস হয়ে গেল নোকিয়া ৯ এর গোপন সমস্ত তথ্য | মঙ্গলবার, অক্টোবর 17, 2017 - হ্যাকারদের লক্ষ্য বাংলাদেশসহ অন্যান্য এশিয়ার দেশগুলোর ব্যাংকগুলো | মঙ্গলবার, অক্টোবর 17, 2017 - এডিএন ইডু সার্ভিসেস এর উদ্দেগে এজাইল বিষয়ক কর্মশলা অনুষ্ঠিত | মঙ্গলবার, অক্টোবর 17, 2017 - প্রথম ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডসে গ্রামীণফোনের ব্যাপক সাফল্য | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - গুগলের এই এয়ারপড হেডফোন যখন ট্রান্সলেটর | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - কম্পিউটার গেমের আসক্তিতে হতে পারে ভয়াবহ পরিণতি | সোমবার, অক্টোবর 16, 2017 - ওটিসি ড্রাগ বিষয়ে সচেতনতা জরুরি |
প্রথম পাতা / টেলিকম / সিটিসেলের লাইসেন্স বাতিল করতে বিটিআরসির চিঠি
সিটিসেলের লাইসেন্স বাতিল করতে বিটিআরসির চিঠি

সিটিসেলের লাইসেন্স বাতিল করতে বিটিআরসির চিঠি

citycelবকেয়া পরিশোধ করতে না পারায় দেশের সবচেয়ে পুরানো মোবাইল ফোন অপারেটর সিটিসেলের লাইসেন্স বাতিলের অনুমতি চেয়ে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। কমিশনের সর্বশেষ বৈঠকে সিটিসেলের লাইসেন্স বাতিলের বিষয়টি আলোচনা করে গত ৮ জুন বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়। মন্ত্রণালয় গতকাল রোববার চিঠি হাতে পেয়েছে এবং এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে দ্রুতই বিটিআরসির কাছে চিঠি পাঠাবে মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ সব তথ্য জানা গেছে।

অর্থ সংকটে থাকা মোবাইল ফোন অপারেটর সিটিসেলের গত ছয় মাস সম্পূর্ণ গ্রাহকশূণ্য অবস্থায় রয়েছে। ২০১৬ সালের ২০ অক্টোবর বিটিআরসি সিটিসেলের স্পেকট্রাম বরাদ্দ স্থগিত করে দিলে সিটিসেল সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে। আপিল বিভাগ বিটিআরসিকে স্পেকট্রাম খুলে দেয়ার আদেশ দেন। ৬ নভেম্বরে সিটিসেলের স্পেকট্রাম ফিরিয়ে দেয়া হয়। খুলে দেয়া হয় অপারেটরটির নেটওয়ার্ক অপারেশন সেন্টারও (এনওসি)। স্পেকট্রাম ফিরে পেয়ে পুনরায় চালু হওয়া সিটিসেল আর আগের অবস্থায় ফিরতে পারেনি।

সুপ্রিম কোর্ট ২০১৭ সালের মার্চ মাসের মধ্যে সিটিসেলকে একটি পেমেন্ট দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিলেও শেষ পর্যন্ত তা আর দিতে পারেনি। এ জন্য গত ২৬ এপ্রিল নতুন করে বকেয়া পরিশোধের জন্য সিটিসেলকে চিঠি পাঠায় বিটিআরসি। পাঠানো ওই চিঠিতে বিটিআরসি জানতে চেয়েছে বকেয়া ইস্যুতে তাদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। ২৫ মে’র মধ্যে চিঠির জবাব দিতেও বলা হয়েছিল। তবে সিটিসেল থেকে এই চিঠির বিপরীতে কোনো উত্তর দেওয়া সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে বিটিআরসির লিগ্যাল অ্যান্ড লাইসেন্সিং বিভাগের পরিচালক এমএ তালেব হোসেন বলছেন, ‘আমরা এখনও সিটিসেল থেকে সন্তুষ্ট হওয়ার মতো কোনো রেসপন্স পাইনি। তাই কমিশন বৈঠকে সিটিসেলের লাইসেন্স বাতিলের বিষয়টি আবারও উত্থাপন করা হয়েছে এবং আমরা ফর্মালি লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ বিষয়ে অনুমতি চেয়ে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে চিঠিও দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে গ্রীণ সিগন্যাল পেলে আমরা সিটিসেলের লাইসেন্স বাতিল করে দিব।’

বকেয়ার পরিমাণ বিষয়ে বিটিআরসির একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ২০১৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত সিটিসেলের কাছে মোট পাওনা ৪৭৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে অপারেটরটি ইতোমধ্যে পরিশোধ করেছে ২৫৫ কোটি টাকা। অবশিষ্ট ২২২ কোটি পরিশোধ করলেই অপারেটরটি দায় মুক্ত হবে। ২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৭ সালের মার্চের মধ্যে সিটিসেলের একটি পেমেন্ট দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যথা সময়ে তা পরিশোধ করেনি অপারেটরটি। এর আগে গত বছর এই বকেয়ার কারণেই অপারেটরটির স্পেকট্রাম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। অক্টোবর ২০১৬ পর্যন্ত সিটিসেলের কাছে বিটিআরসির মোট পাওনা ৪৭৭ কোটি টাকা।

এদিকে, পাওনা আদায়ে সিটিসেলের প্রধান কার্যালয় নিলামে তুলছে ন্যাশনাল ব্যাংক। রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত ভবনটির ৬ষ্ঠ হতে ১৩তলা পর্যন্ত নিলামে তোলা হবে। ৪৫৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকার ঋণ আদায়ে এ নিলাম ডেকেছে ব্যাংকটি। ইতোমধ্যে এই নিলামের বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়েছে। এতে আগ্রহীদের ১৫ জুনের মধ্যে দরপত্র দাখিল করতে বলা হয়েছে।

Comments

comments



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *

*

Scroll To Top